img

সৌদি পৌঁছেছেন বাংলাদেশি ৭৩১৮২ হজযাত্রী

প্রকাশিত :  ০৭:১৯, ২১ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৩৫, ২১ মে ২০২৬

সৌদি পৌঁছেছেন বাংলাদেশি ৭৩১৮২ হজযাত্রী

চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৭৩ হাজার ১৮২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ১৮৯টি হজ ফ্লাইটের মাধ্যমে তারা দেশত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের দৈনিক বুলেটিন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রকাশিত ওই বুলেটিন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হজযাত্রীদের মধ্যে ১৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী। মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে মক্কা ও মদিনায়; এর মধ্যে ১৩ জন মক্কায় এবং ৫ জন মদিনায় মারা যান।

হজযাত্রী পরিবহনে এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯৫টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৬৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২৫টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ এপ্রিল ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

হজ ফ্লাইট চলবে আজ পর্যন্ত। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে থেকে এবং চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে ফ্লাইট পরিচালনা ও সার্বিক সমন্বয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


ধর্ম এর আরও খবর

img

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত :  ১৮:৪৬, ১৯ আগষ্ট ২০২৬

আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে  পালনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। বুধবার (১৯ আগস্ট) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীকের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই জাতীয় কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ১৩ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এসব কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসির সভাপতিত্বে ওই সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ) ড. আয়াতুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. ইমতিয়াজ হোসেনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনটিতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। পাশাপাশি সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সব স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড, লাইটপোস্ট ও প্রধান সড়কগুলো জাতীয় পতাকা, রঙিন পতাকা এবং ‘কালিমা তায়্যিবা’ খচিত ব্যানারে সজ্জিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন থাকবে। একই সঙ্গে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ তাদের নিজ নিজ আওতাধীন এলাকায় আলোচনা সভা ও প্রার্থনার আয়োজন করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার ও টকশো সম্প্রচারের পাশাপাশি কিরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং আরবি ভাষায় খুতবা রচনা প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া বিশেষ স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশের পাশাপাশি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামিক বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে।

দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরতে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য সম্প্রচারমাধ্যমকে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলোকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াক্‌ফ প্রশাসকের কার্যালয় এবং ঢাকা ও জেদ্দা হজ অফিসসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ, ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহনশীলতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা সভা, দোয়া, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং কুইজ প্রতিযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি শিশুদের জন্য বিশেষ হামদ-নাত, আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। এছাড়া দেশের সকল সামরিক ও বেসামরিক হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু সদন, আবাসিক শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও প্রবীণ নিবাসে পরিবেশন করা হবে উন্নতমানের খাবার। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও উপযুক্ত মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হবে।

সমগ্র দেশজুড়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পালনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।