img

বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসা কে এই থমাস ডুলি?

প্রকাশিত :  ০৭:৫১, ২২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসা কে এই থমাস ডুলি?

চার দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া জার্মান কোচ থমাস ডুলি এবার বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তার আগমনে নতুন স্বপ্ন দেখছে দেশের ফুটবল অঙ্গন। তার নিয়োগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন যেমন আশাবাদী, তেমনি রোমাঞ্চিতও। কিন্তু এই থমাস ডুলি আসলে কে?

খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন। ১৯৯৪ সালে নিজ দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন মার্কিন দলের অংশ। আর চার বছর পরে, ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে তিনি বহন করেন যুক্তরাষ্ট্র দলের অধিনায়কের আর্মব্যান্ড।

মাঠ ছেড়ে কোচিংয়েও সমান দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন ডুলি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি কিংবদন্তি ইউর্গেন ক্লিন্সম্যানের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। 

এরপর ফিলিপাইনে গিয়ে রীতিমতো ইতিহাস লিখেছেন। তার নেতৃত্বে ফিলিপাইন অপরাজিত থেকে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা নেয় এবং দলটি নিজেদের সর্বোচ্চ বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং অর্জন করে। সবশেষ গায়ানার হেড কোচ হিসেবে তার অধীনে দলটি চারটি ম্যাচের সবকটিতেই জয় তুলে নেয়।

দল গড়ে তোলার বিশেষ দক্ষতা এবং এশিয়ার ফুটবলের বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে গভীর ধারণা নিয়েই এবার বাংলাদেশে আসছেন থমাস ডুলি। তরুণ ফুটবলারদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সফল করে তোলাই তার লক্ষ্য বলে জানিয়েছে বাফুফে।

খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

পদত্যাগের পর যা বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

প্রকাশিত :  ১১:১১, ২৫ জুলাই ২০২৬

নিয়োগ ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে টানা বিক্ষোভের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হিন্দি ভাষায় দেওয়া এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি তার জন্য ‘ব্যক্তিগত মর্যাদার লড়াই’ ছিল না।

ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। দেশের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে আন্দোলনের প্রথম সাফল্য হিসেবে দেখছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে দলটি জানিয়েছে, আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। 

খেলাধূলা এর আরও খবর