টাওয়ার হ্যামলেটসে নির্মাণ শিল্পে ক্যারিয়ার মেলায় তরুণ-তরুণীদের ব্যাপক সাড়া
প্রকাশিত :
১৪:৪১, ১২ জুলাই ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: ক্যারিয়ার মেলায় (বাম থেকে ডানে) ওজেল গ্রুপ লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার পিওতর ইয়ারোশ এবং কর্মসংস্থান, উদ্যোগ, দক্ষতা ও প্রবৃদ্ধি বিষয়ক ক্যাবিনেট সদস্য, কাউন্সিলর শেনালি মিয়া।
ছবির ক্যাপশন: ক্যারিয়ার মেলায় (বাম থেকে ডানে) ওজেল গ্রুপ লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার পিওতর ই
গত সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসে অনুষ্ঠিত হওয়া \"কনস্ট্রাকশন ক্যারিয়ার্স শোকেস ২০২৬\" শীর্ষক এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নির্মাণ শিল্পে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের এক বিশেষ সুযোগ পেলেন টাওয়ার হ্যামলেটসের শত শত চাকরি প্রত্যাশী।
জনসংখ্যা ও উন্নয়নের দিক থেকে টাওয়ার হ্যামলেটস বর্তমানে দেশের দ্রুততম বর্ধনশীল এলাকা। ২০১১ সাল থেকে এই বরা লন্ডনের যেকোনো বরার তুলনায় সর্বাধিক - ৩৮ হাজারেরও বেশি নতুন বাড়ি নির্মাণ করেছে, এবং গত এক বছরে আরও ৯ হাজারের অধিক নতুন বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।
এত বড় পরিসরে উন্নয়নকাজ চলমান থাকায়, তরুণ প্রজন্ম এবং যারা নতুন ক্যারিয়ারের সন্ধানে আছেন - উভয়ের জন্যই নির্মাণ শিল্প একটি শক্তিশালী পেশাগত বিকল্প হয়ে উঠছে।
গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) টাওয়ার হ্যামলেটস টাউন হলে অনুষ্ঠিত এই \"কনস্ট্রাকশন ক্যারিয়ার্স শোকেস ২০২৬\" সব বয়সের চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা নির্মাণ শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত ডেভেলপার ও ঠিকাদারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান, পাশাপাশি ড্রিলিং ও প্লাস্টারিংয়ের মতো বিভিন্ন কারিগরি দক্ষতা হাতে-কলমে প্রয়োগ করে দেখার সুযোগও পান।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কর্মসংস্থান, উদ্যোগ, দক্ষতা ও প্রবৃদ্ধি বিষয়ক ক্যাবিনেট সদস্য, কাউন্সিলর শেনালি মিয়া এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, \"এটি ছিল মানুষের জন্য নির্মাণ শিল্পের বিভিন্ন ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা নেওয়ার এক দুর্দান্ত সুযোগ। এই খাত শুধু ইট গাঁথার কাজেই সীমাবদ্ধ নয়, আমাদের এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করেছে যে অফিসে বসেও অনেক কাজ রয়েছে, আবার সরাসরি নির্মাণস্থলেও রয়েছে বিভিন্ন কাজ। নির্মাণ শিল্পে প্রচুর সুযোগ ও উন্নতির সুযোগ রয়েছে, এবং টাওয়ার হ্যামলেটসে তা বিশেষভাবে সত্য।\"
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ওজেল গ্রুপ লিমিটেড, যা টাওয়ার হ্যামলেটসের হাউজবিল্ডিং বা গৃহনির্মাণ প্রকল্পে কর্মরত একটি বিশেষায়িত ড্রাইলাইনিং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার পিওতর ইয়ারোশ বলেন, \"আমাদের এই ট্রেড সম্পর্কে আগ্রহী এত তরুণ-তরুণীর সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ছিল আমাদের জন্য এক আনন্দদায়ক ও চমৎকার অভিজ্ঞতা।\"
এই কনস্ট্রাকশন ক্যারিয়ার্স শোকেস আয়োজন করে কাউন্সিলের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সেবা \"ওয়ার্কপাথ\" (WorkPath)। এই সেবাটি বাসিন্দাদের কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে সহায়তা প্রদান করে এবং নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ক্যারিয়ার ইভেন্টের আয়োজন করে থাকে।
ওয়ার্কপাথ সেবায় কীভাবে নিবন্ধন করবেন, কোনো পরামর্শদাতার (অ্যাডভাইজার) সঙ্গে কথা বলবেন, অথবা তাদের নিউজলেটারে সাইন আপ করবেন, তা জানতে ভিজিট করুন: www.towerhamlets.gov.uk/workpath
উল্লেখ্য টাওয়ার হ্যামলেটস লন্ডনের সেরা বৈশিষ্ট্যগুলো এক বরোতে ধারণ করে। এর উখযোগ্য দিকগুলো হলা, এটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এটি এবং যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অবদান রাখে এই বারা। এছাড়া টাওয়ার অব লন্ডন ও ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে শুরু করে ক্যানারি ওয়ার্ফ ও স্পিটালফিল্ডস পর্যন্ত, এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়, কারন, লন্ডনের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় ও ঐতিহাসিক এলাকাগুলোর একটি এই টাওয়ার হ্যামলেটস।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ফলপ্রসূ মতবিনিময়
প্রকাশিত :
১৯:৫৩, ১২ জুলাই ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ২১:১৩, ১২ জুলাই ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: ক্যারিয়ার মেলায় (বাম থেকে ডানে) ওজেল গ্রুপ লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার পিওতর ইয়ারোশ এবং কর্মসংস্থান, উদ্যোগ, দক্ষতা ও প্রবৃদ্ধি বিষয়ক ক্যাবিনেট সদস্য, কাউন্সিলর শেনালি মিয়া।
লন্ডন: যুক্তরাজ্য সফররত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম-এর সঙ্গে শনিবার ১১ই জুলাই ২০২৬, সেন্ট্রাল লন্ডনের হিলটন হোটেলে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (DUAUK)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান (এমকিউ হাসান)। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ড. কামরুল হাসান এবং সাধারণ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মাননীয় উপাচার্যকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। উপাচার্য আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।
অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজ (ACU)-এর কাউন্সিল সভায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্য সফর করছেন।
বৈঠকে প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি তুলে ধরে এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন। সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী জানান, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক আবাসিক স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন।
সভাপতি উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান, শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সেমিনার, বাংলাদেশের জাতীয় দিবস পালন, মহান অমর একুশে, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, অ্যালামনাই পুনর্মিলনী, শিক্ষা ও বিনোদনমূলক বিদেশ ভ্রমণ, ঈদ পুনর্মিলনী, ইফতার ও দোয়া মাহফিল, মানবিক ও দাতব্য কার্যক্রম, বার্ষিক শিক্ষা সফর, বাংলা নববর্ষ, ফিলিস্তিনের গাজাসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তার জন্য তহবিল সংগ্রহ এবং অসুস্থ ও আর্থিক সংকটে থাকা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সহায়তাসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। ভবিষতে আরো অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করার পরিকল্পনা কথাও উল্লেখ করেন বাছিত চৌধুরী।
উপাচার্য ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম সংগঠনের সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাঁদের অব্যাহত অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষভাবে স্কলারশিপ কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এটি মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
মাননীয় উপাচার্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী অ্যালামনাই সদস্যদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তহবিল (Research Fund)-এ সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, মানসম্মত গবেষণার জন্য অধিকতর আর্থিক বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি স্টুডেন্টস অ্যান্ড টিচার্স কেয়ার ফান্ড-এ ভবিষ্যতে সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানান, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে।
উপাচার্য তাঁর সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য সাপেক্ষে জানুয়ারি ২০২৭-এ অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করার সদয় সম্মতি জানান।
আলোচনায় সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাজ্য অ্যালামনাই সংগঠনের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এই প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংগঠনের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে স্কলারশিপ ট্রাস্ট ফান্ড’ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় একটি তহবিলের মাধ্যমে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এই ট্রাস্ট ফান্ডে প্রায় ২১ লাখ টাকা সংরক্ষিত রয়েছে।
নির্বাহী সদস্য ড. কামরুল হাসান প্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদেশে অবস্থানরত গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার মাহবুব উপাচার্যকে সময় দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসী অ্যালামনাইদের অব্যাহত সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান উপাচার্যকে ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠান সম্পর্কে আরো বিস্তারিত অবহিত করে বলেন, তিনি জানান, প্রতি বছরের ন্যায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ৫ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩টি বিভাগ ও ৬টি ইনস্টিটিউটের ১১৬ জন মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী ১২,০০০ টাকা করে বৃত্তি লাভ করেন এবং সর্বমোট ১৩,৯২,০০০ টাকা (প্রায় ১৩.৯২ লাখ টাকা) বৃত্তি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় কোষাধ্যক্ষ ও ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান আরও জানান, যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইয়ের সদস্যরা ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বৃত্তির আওতায় আনতে স্কলারশিপ ট্রাস্ট ফান্ডে অধিকতর অবদান রাখার ব্যাপারে আগ্রহী।
স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে ট্রাস্ট ফান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান সংগে ছিলেন ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবুল কালাম, মির্জা আসাব বেগ এবং ইসমাইল হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক আজিজউদ্দিন, আহসান কবির খান, মুহাম্মদ রফিক আহমেদ, আফসারুন হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ।
সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান আশা প্রকাশ করেন যে, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী কল্যাণ, গবেষণা, বৃত্তি কার্যক্রম, শিক্ষক সহায়তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে একযোগে কাজ করে যাবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের শেষে উপাচার্য এবং উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যপ্রবাসী অ্যালামনাইদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার উৎকর্ষ সাধন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, গবেষণা, বৃত্তি কার্যক্রম এবং অ্যালামনাই সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।