img

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের উদ্যোগে মরহুম মীর বেলাল শরীফের স্মরণে ভার্চুয়াল দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ১৩:৫৬, ২০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:০৮, ২০ জুলাই ২০২৬

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের উদ্যোগে মরহুম মীর বেলাল শরীফের স্মরণে ভার্চুয়াল দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

লন্ডন, ১৬ জুলাই ২০২৬: ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (DUAUK)-এর উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার ১৬ই জুলাই সংগঠনের সম্মানিত সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মরহুম মীর বেলাল শরীফ-এর স্মরণে এক আবেগঘন ভার্চুয়াল দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৭ই জুলাই ২০২৬ তিনি ইন্তেকাল করেন, যা যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই  ইস্ট লন্ডন মসজিদে জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে গার্ডেনস অব পিস মুসলিম কবরস্থানে দাফন করা হয়।

চলতি বছরের মার্চ মাসে মরহুম মীর বেলাল শরীফ গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে রয়্যাল লন্ডন হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তাঁকে কুইন্স হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি দীর্ঘ সময় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আল্লাহর অসীম রহমতে তিনি অচেতন অবস্থা থেকে ফিরে এলেও স্ট্রোকের কারণে  পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হন, বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং স্মৃতিশক্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘ প্রায় চার মাস অসুস্থতার সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করার পর ৭ই জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে DUAUK-এর সদস্যবৃন্দ, পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে এই ভার্চুয়াল দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মরহুম মীর বেলাল শরীফ একজন সত্যিকারের আহলুল কুরআন হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষা দিয়ে আসছিলেন। গত তিন বছর তিনি রেডব্রিজ মসজিদে কুরআন শিক্ষা প্রদান করেন। কুরআনের খেদমতে তাঁর আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও নিবেদন তাঁকে কমিউনিটির সর্বস্তরে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।

দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন DUAUK-এর সভাপতি জনাব সিরাজুল বাছিত চৌধুরী এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান (এমকিউ হাসান)।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক  খালেদ ইয়াহিয়া-এর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে।

স্বাগত বক্তব্যে সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী মরহুম মীর বেলাল শরীফের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর সততা, প্রজ্ঞা, ব্যক্তিত্ব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ইন দ‍্যা ইউকে এবং বৃহত্তর সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরেন।

সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান (এমকিউ হাসান) শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং DUAUK-এর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁদের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশ ল’ অ্যাসোসিয়েশন (BLA) ইউকে এবং DUAUK-এর বিভিন্ন কার্যক্রমে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ল’ অ্যাসোসিয়েশন ইউকের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মরহুম মীর বেলাল শরীফের আন্তরিক সহযোগিতা ও অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মরহুমের জীবন ও কর্মের ওপর লিখিত জীবনী পাঠ করেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফর। মরহুম মীর বেলাল সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে তাঁর শৈশব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবন, যুক্তরাজ্যে তাঁর সফল আইনজীবী জীবন এবং ন্যায়বিচার, শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সমাজসেবায় তাঁর আজীবন অবদারের কথা তুলে ধরেন।

দোয়া পরিচালনা করেন গবেষণা ও শিক্ষা সম্পাদক জনাব মঈন উদ্দিন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য ও শক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

দোয়া মাহফিলে মরহুমের পরিবারের দুইজন ঘনিষ্ঠ সদস্য অংশগ্রহণ করেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র রুম্মান তাঁর পিতাকে একজন স্নেহশীল, দায়িত্বশীল ও আদর্শ অভিভাবক হিসেবে স্মরণ করেন। তিনি DUAUK-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যে, সংগঠনটি তাঁর পিতার স্মরণে এমন মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

মরহুমের স্ত্রীর ভগ্নি মিস রুমানা দীপ্তি, যিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, তাঁকে পরিবারের একজন অভিভাবক, পরামর্শদাতা ও অত্যন্ত স্নেহশীল মানুষ হিসেবে স্মরণ করেন। তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা মরহুম মীর বেলাল শরীফকে একজন বিশিষ্ট আইনজীবী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বিনয়ী, জ্ঞানী, সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ এবং প্রকৃত আহলুল কুরআন হিসেবে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, তাঁর সমগ্র জীবন ছিল ন্যায়, ঈমান, মানবসেবা এবং পবিত্র কুরআনের খেদমতে নিবেদিত।

স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন  সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার নাজির উদ্দিন চৌধুরী, উপদেষ্টা জনাব এম. এ. রাকীব, উপদেষ্টা

 সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান, সহ-সভাপতি নিলুফা ইয়াসমীন হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ ইয়াহিয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য  সৈয়দ ইকবাল, ড. কামরুল হাসান ও মাহমুদা চৌধুরী।

বক্তারা মরহুমের আদর্শ, সততা, মানবিক গুণাবলি এবং সমাজের প্রতি তাঁর অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর সকল গুনাহ মাফ করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করার জন্য দোয়া করেন।

সম্মিলিত মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। এতে উপস্থিত সকলেই মরহুমের রুহের মাগফিরাত, আল্লাহর রহমত এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন।

মহান আল্লাহ তাআলা যেন মরহুম মীর বেলাল শরীফের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য, শক্তি ও সবর দান করেন। আমিন।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ইস্ট লন্ডন মসজিদে আদমশুমারির তথ্য নিয়ে আলোচনা: ব্রিটেনে ১০ বছরে মুসলমানের সংখ্যা বেড়ে ২৮ লাখ থেকে ৪০ লাখ

প্রকাশিত :  ২০:০০, ২০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ২১:২০, ২০ জুলাই ২০২৬

লন্ডন, ২০ জুলাই ২০২৬ :  ইস্ট লন্ডন মসজিদের উদ্যোগে যুক্তরাজ্যের আদমশুমারির তথ্যের আলোকে ব্রিটিশ মুসলিম কমিউনিটির বর্তমান চিত্র নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন- এর সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী, সমাজকর্মী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী অংশ নেন। আলোচনায় ব্রিটেনে ১০ বছরে মুসলমানের সংখ্যা বেড়ে ২৮ লাখ থেকে ৪০ লাখে উন্নীত হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।  

১৪ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লন্ডন মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় সভায় “সংখ্যায় ব্রিটিশ মুসলিম : কমিউনিটির উন্নয়নে নেতৃত্বদানকারীদের জন্য আদমশুমারির তথ্য” শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় । এতে গত দুই দশকে ব্রিটিশ মুসলিম সমাজের জনসংখ্যাগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের চিত্র জনশুমারির তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।  আলোচনা সভাটি ইস্ট লন্ডন মসজিদের 'ইএলএম কনেক্স' প্রজেক্টের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন মুসলিম কাউন্সিল অব বৃটেনের রিসার্চ অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন কমিটির দুই গবেষক ড. জামিল শরীফ এবং ফাতেমা সুন্দারজি।

প্রথম পর্বে ড. জামিল শরীফ ব্রিটেনের মুসলিম জনসংখ্যার পরিবর্তন তুলে ধরেন । তিনি জানান, এক দশকে ব্রিটেনে মুসলমানের সংখ্যা ২৮ লাখ থেকে বেড়ে ৪০ লাখে পৌঁছেছে । দশ বছরে বেড়েছে ১২ লাখ মুসলিম।

ড. শরীফ জামিল মুসলিম কমিউনিটির বয়স কাঠামো ও সামাজিক অগ্রগতির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও পেশাজীবী পদে মুসলমানদের অংশগ্রহণ ২০০১ সালে ছিলো ৬.৬ শতাংশ। কিন্তু এটা বেড়ে ২০২১ সালে ৮ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

তিনি মুসলমানদের সম্পর্কে প্রচলিত কিছু উগ্র ডানপন্থী প্রচারণারও তথ্যভিত্তিক জবাব দেন । উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের চিকিৎসকদের ১১ দশমিক ৪ শতাংশ মুসলিম। আবার মুসলমানরা ইংরেজি বলতে পারেন না—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। আদমশুমারী অনুযায়ী, ৯১ শতাংশ মুসলমানের ইংরেজি ভালো বা খুব ভালোভাবে বলতে পারেন, যেখানে জাতীয় গড় ৯৮ শতাংশ।

ফাতেমা সুন্দারজি টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহ্যাম, রেডব্রিজ এবং বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহামে মুসলিম জনসংখ্যার বিস্তার এবং ইনডেক্স অব মাল্টিপল ডিপ্রাইভেশন-এর (বহুমাত্রিক বঞ্চনা সূচক) সঙ্গে তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, গত ২০ বছরে বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহামে মুসলিম জনসংখ্যা ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৪ শতাংশে পৌঁছেছে । এসব এলাকায় মুসলিমদের প্রধান সমস্যা আবাসন । তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের সমস্যাগুলো কি শ্বেতাঙ্গ শ্রমজীবী কমিউনিটির সঙ্গেও মিল রয়েছে?

ফাতেমা সুন্দারজি জানান, মুসলিম পরিবারের ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ বিবাহিত দম্পতি ও নির্ভরশীল সন্তান নিয়ে গঠিত, যা যুক্তরাজ্যের সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সর্বোচ্চ এবং জাতীয় গড়ের আড়াই গুণ। তিনি আরও বলেন, প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মুসলমান একাকী বসবাস করেন, যা মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

চারটি বরোতে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ৫৬.৮ শতাংশ মুসলিম, যেখানে পুরো যুক্তরাজ্যে এ হার মাত্র প্রতি দশজনে একজন।

শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলিম তরুণদের অগ্রগতিও আলোচনায় উঠে আসে। ২০০১ সালে সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও ২০২১ সালে তারা সেই অবস্থান অতিক্রম করেছে। বর্তমানে তরুণ মুসলিম নারীরা শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে মুসলিম পুরুষদের ছাড়িয়ে গেছেন । টাওয়ার হ্যামলেটসে মুসলিম নারীদের ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারী, যা ইংল্যান্ডের প্রধান মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রবীণ মুসলিমদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। টাওয়ার হ্যামলেটসে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মুসলিম নারীদের ৪০.৫ শতাংশ নিজেদের স্বাস্থ্যকে খারাপ বা খুব খারাপ বলে উল্লেখ করেছেন, যেখানে একই বয়সী সব নারীর ক্ষেত্রে এ হার ২৬.৮ শতাংশ।

এছাড়া ৬৫ বছরের বেশি বয়সী টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মুসলমান ইংরেজি বলতে পারেন না, যাদের অধিকাংশই নারী। তিনি প্রশ্ন রাখেন, আগামী দুই দশকে প্রবীণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে—সেই বাস্তবতার জন্য কমিউনিটি কতটা প্রস্তুত?

সমাপনী উপস্থাপনায় ড. জামিল শরীফ ২০২৯ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়; বরং ভোটার নিবন্ধন, নির্বাচনী ইশতেহার বিশ্লেষণ এবং প্রার্থীদের জন্য জবাবদিহিমূলক প্রশ্নমালা তৈরির মাধ্যমে সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করে।


কমিউনিটি এর আরও খবর