img

শ্রীমঙ্গলে বসতবাড়ি থেকে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৯:৫৮, ২৬ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৬, ২৬ আগষ্ট ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে বসতবাড়ি থেকে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার

সংগ্রাম দত্ত: দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী ও চায়ের স্বর্গরাজ্য শ্রীমঙ্গলের পুর্বাসা আবাসিক এলাকার একটি বসতবাড়ি থেকে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গোপাল ও গৌতম গোস্বামীর বাসা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে নাহিদ নামে এক ব্যক্তি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন।

খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁরা সাপটি শনাক্ত করে জানান, এটি শঙ্খিনী—বাংলাদেশের অন্যতম বিষধর সাপ। পরে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। উদ্ধার করা সাপটি পরবর্তী সময়ে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, শঙ্খিনী অত্যন্ত বিষধর হলেও সাধারণত মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকতে চায়। তাই বসতবাড়িতে এ ধরনের সাপ দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে সাপটিকে বিরক্ত না করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দল বা বন বিভাগকে খবর দেওয়া উচিত।

তবে শ্রীমঙ্গলে বিষধর সাপের লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। শহর, আশপাশের এলাকা ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রায় প্রতিদিনই অজগরসহ বিভিন্ন বিষধর সাপ উদ্ধারের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বনাঞ্চল ধ্বংসের ফলে বন্য প্রাণীর আবাসস্থল ও খাদ্যের সংকট তৈরি হচ্ছে। এ কারণে বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে বিষধর সাপ ও অজগরের মতো সাপগুলো লোকালয়ে চলে আসছে বলে তাঁদের ধারণা।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে, ‘ বিষধর শঙ্খিনীসহ অজগর সাপ লোকালয়ে আসছে, নাকি আমরা বনের ভেতরে ঢুকে পড়ছি?'

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

দিরাইয়ে নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৪৭, ২৬ আগষ্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায় মরা সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

তার নাম লাকি বেগম (৩০)। তিনি উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মৃত আব্দুশ শহিদ মিয়ার মেয়ে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজার সংলগ্ন মরা সুরমা নদী থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজারের পাশের নদীতে এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে দিরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাকি বেগমের মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন নেই। তিনি ছিলেন স্বামী পরিত্যক্তা ও নিঃসন্তান। প্রায় ১১ মাস ধরে তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার সলফ গ্রামের কামাল মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং পরে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর