img

‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানি কূটনীতিকদের বের করে দেওয়ার খবর মিথ্যা’

প্রকাশিত :  ১২:৫৩, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানি কূটনীতিকদের বের করে দেওয়ার খবর মিথ্যা’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানি কূটনীতিকদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠক শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই সব ইরানি কূটনীতিক দেশ ছেড়ে চলে গেছেন, একজন বাকি ছিলেন তিনিও রওনা দিয়েছেন। 

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, জাতিসংঘের ইরানি মিশনের সবাইকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও দুই কূটনীতিক তা মানেননি। 

কূটনীতিকদের বের করে দেওয়ার এই অহংকারকে ‘হতাশা ও পরাজয়’ বলে মন্তব্য করেছেন আরাগচি। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ জাতিসংঘের স্বাগতিক দেশ হিসেবে তাদের নিয়ম ও দায়িত্বের পরিপন্থী। 

সূত্র: আল-জাজিরা।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনব্যবস্থা অক্ষত, যতদিন ইচ্ছা যুদ্ধ চালাতে পারবে ইরান: আইআরজিসি কমান্ডার

প্রকাশিত :  ০৭:০৫, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদনের সরবরাহব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি সচল রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি। প্রয়োজন হলে দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতাও ইরানের রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন বালালি।

তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কোনো খাত নিয়েই ইরানের উদ্বেগ নেই। ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় সব উপাদান দেশেই উৎপাদন করা হয় এবং চাইলে এসব উপাদান রপ্তানিও করা সম্ভব।

বালালি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ও নতুনত্ব আনার ক্ষেত্রে ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে। এ খাতে দেশটি এমন সক্ষমতা অর্জন করেছে যে এখন আর বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।

তার ভাষ্য, ইরান নিজস্বভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নকশা ও উৎপাদন করে এবং সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তাও বিবেচনায় নেয়। এ কারণে নিয়মিত নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

বালালির এ বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন অর্থ দপ্তর ইরানের অস্ত্র ও অস্ত্রের উপাদান সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে বিভিন্ন দেশে থাকা ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়।

তবে ইরানি কর্মকর্তার দাবি, এসব চাপের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপাদান ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে দেশটির পক্ষ থেকে এর আগেও উৎপাদন বাড়ানোর দাবি করা হয়েছে, যদিও অস্ত্রভাণ্ডার বা উৎপাদন অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর