img

১ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে সংস্কারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হল মাইল এন্ড জিম

প্রকাশিত :  ১৩:৩১, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

১ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে সংস্কারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হল মাইল এন্ড জিম

সংস্কার কাজ শেষে বাসিন্দাদের ব্যবহারের জন্যে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে মাইলএন্ড পার্ক লেইজার সেন্টারের জিম। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা এখন আগের চেয়ে বড়, আধুনিক এবং সবার জন্য উপযোগী ফিটনেস সুবিধা উপভোগের সুযোগ পাবেন।

এতে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ড। এর মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে পালস ফিটনেস-এর নতুন সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়েছে এবং ২৫ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে নতুন ফ্লোর বা মেঝে বসানো  হয়েছে। এছাড়া জিমের সরঞ্জামগুলোকে নতুন করে সাজানো হয়েছে, উন্নত-আলোকজ্জল লাইট এবং নতুন আয়না লাগিয়ে জিমকে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান এবং লিড মেম্বার মিনারা খাতুন মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্কার কাজ শেষ হওয়া মাইলএন্ড জিমটি আনুষ্ঠানিকভাবে বারার বাসিন্দাদের ব্যবহারের জন্যে খুলে দেন। পুনরায় খুলে দেওয়া উপলক্ষে, বি-ওয়েল সদস্যরা আগামী ৩১ অক্টোবর, শনিবার এবং ১ নভেম্বর, রবিবার তাদের বন্ধুদের বিনামূল্যে জিম ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে মাইল এন্ড জিমে ১২ বছরেরও বেশি পুরনো জিম সরঞ্জামগুলো সরিয়ে সেখানে কার্ডিওভাসকুলার, শক্তি বৃদ্ধি এবং ফাংশনাল ট্রেনিংয়ের জন্য আরও বিস্তৃত পরিসরের নতুন সরঞ্জাম বসানো হয়েছে। এই সরঞ্জামগুলো বাছাই করা হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদা এবং বর্তমান ফিটনেস পদ্ধতির সাথে মিল রেখে।



পালস ফিটনেস-এর সাথে কাউন্সিলের নতুন অংশীদারিত্বের ফলে বিদ্যমান জায়গাতেই আরও বেশি ট্রেনিং এবং স্টেশন যুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে জিমের ব্যবহারযোগ্যতা বেড়েছে, ভিড় কমিয়েছে এবং সবার জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশিক্ষণের পরিবেশ তৈরি করেছে।

নতুন সরঞ্জাম বসানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীদের জন্যে ডিসেবিলিটি ডিসক্রিমিনেশন অ্যাক্ট (ডিডিএ)-এর নীতিমালা অনুসরণ করে বসানো হয়েছে স্টেশন ও বিশেষ সরঞ্জাম এবং রাখা হয়েছে হুইলচেয়ার চলাচলের উপযোগী রাস্তা। ফ্রি ওয়েট এবং  স্ট্র্যান্থ ট্রেনিং বা শক্তি বৃদ্ধির জোনগুলো এমনভাবে নতুন করে সাজানো হয়েছে, যাতে নারীসহ সকল ব্যবহারকারী, এমনকি যারা নতুন করে স্ট্র্যান্থ ট্রেইনিং শুরু করছেন যাতে তারাও এখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

সম্প্রসারিত ফাংশনাল ট্রেনিং এলাকায় ছোট দলের সেশন, রিহেভিলিটেশন প্রোগ্রামস বা পুনর্বাসন কর্মসূচি  এবং যারা দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় শরীর চর্চা শুরু করছেন তাদের জন্য বাড়তি জায়গা রাখা হয়েছে, যা তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে সাহায্য করবে।

বি-ওয়েল -এর সদস্য ওলিউর রহমান বলেন, “আমি গত ২০ বছর ধরে এই জিমে নিয়মিত ব্যায়াম করছি, সপ্তাহে ছয় দিন এখানে আসি। তাই ফিটনেস আমার জীবনের একটি বড় অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম আমাকে শারীরিকভাবে সুস্থ, মানসিকভাবে শক্তিশালী এবং আবেগগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। আর এই জিম আমাকে আমার স্বাস্থ্য ও ফিটনেস লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, অনুপ্রেরণা ও পরিবেশ জুগিয়েছে।”

“নতুন করে সাজানো এই জিমটি দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ। এটি অত্যন্ত চমৎকার ও সুসজ্জিত একটি জায়গা, যেখানে স্থানীয় মানুষ তাদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতার উন্নতি ঘটাতে পারেন। আমি অবশ্যই অন্যদের এখানে আসার পরামর্শ দেব।”



টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান বলেছেন, “অবসর যাপন বা বিনোদনমূলক সার্ভিসগুলোকে পুনরায় সরাসরি নিজেদের ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসার ফলে, বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নত করে এমন সুযোগ-সুবিধা এবং কর্মসূচিতে আমরা আরও কার্যকরভাবে বিনিয়োগ করতে পারছি।”

মেয়র আরও বলেন, “আমরা চাই টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রতিটি মানুষ যেন উন্নতমানের ও সাশ্রয়ী এমন সব জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পান, যেখানে তারা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে পারেন, তা তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন, দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় ব্যায়াম শুরু করেন, অথবা স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পথে প্রথম পদক্ষেপটিই গ্রহণ করেন, যাই হোক না কেন।

“মাইল এন্ড -এর জিম সংস্কার করাটা আমাদের সামগ্রিক লেইজার বা বিনোদন সার্ভিস খাতে বিনিয়োগ কর্মসূচির একটি অংশ। অধিকাংশ বাসিন্দার জন্য বিনামূল্যে সাঁতার কাটার সুযোগ চালু করা থেকে শুরু করে পুরো বারা জুড়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন, যার মধ্যে রয়েছে মাইল এন্ডে সংস্কারকৃত ফুটবল মাঠ এবং হোয়াইটচ্যাপেলে নতুন সোউনা, আমরা উন্নত সার্ভিস প্রদান করছি এবং বাসিন্দাদের জন্য একটি সক্রিয় ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের আরও বেশি সুযোগ তৈরি করছি।”

লেইজার, কালচার এবং ট্যুরিজম বিষয়ক লিড মেম্বার কাউন্সিলর মিনার খাতুন বলেছেন, “এই বিনিয়োগের ফলে মাইল এন্ডের জিমটি একটি আধুনিক এবং সবার জন্য আন্তরিক ও সহজগম্য স্থানে পরিণত হয়েছে, যেখানে বাসিন্দারা তাদের ফিটনেস বা শরীর চর্চার লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন এবং তাদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন। আমরা জানি যে, উচ্চমানের সুযোগ-সুবিধা মানুষকে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে, আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সত্যিই বড় ভূমিকা রাখতে পারে।



“পুনরায় খুলে দেওয়া উপলক্ষে, সদস্যরা আগামী ৩১ অক্টোবর, শনিবার এবং ১ নভেম্বর, রবিবার তাদের বন্ধুদের বিনামূল্যে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন। এর ফলে আরও বেশি মানুষ নতুন এই জিমটি ঘুরে দেখার এবং এখানে কী কী উন্নয়ন হয়েছে তা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন।”

বি-ওয়েল মেম্বারশিপ বা সদস্যপদ সংক্রান্ত আরও তথ্যের জন্য বি ওয়েল-এর ওয়েবসাইট (Mile End Park Leisure Centre and Stadium – Be Well in Tower Hamlets) ভিজিট করুন।

বন্ধুদের বিনামূল্যে সঙ্গে আনার এই সুযোগটি নিতে হলে, সদস্যদের তাদের মেম্বারশিপ নাম্বারটি তাদের অতিথিদের সঙ্গে শেয়ার করতে হবে। এরপর অতিথিরা বুকিং লিঙ্কের মাধ্যমে নিবন্ধন করে পরিদর্শনের তারিখ নির্বাচন করতে পারবেন। এখানে সাইন আপ করুন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

হাউস অব লর্ডসে হোমলেস পোভার্টি রিলিফ ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু

প্রকাশিত :  ১৮:১০, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

গৃহহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বিতা অর্জনে কাজ করবে নতুন এই ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, লন্ডন: গৃহহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে যাত্রা শুরু করেছে নতুন সংগঠন ‘হোমলেস পোভার্টি রিলিফ ফাউন্ডেশন’। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী হাউস অব লর্ডসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে আতিথ্য প্রদান করেন ব্যারোনেস উদ্দিন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। গৃহহীনতা ও দারিদ্র্য মোকাবিলায় পরিকল্পিত, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই ফাউন্ডেশনের যাত্রাকে স্বাগত জানান অতিথিরা।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, ক্রয়ডনের সাবেক কাউন্সিলর ও মেয়র শেরওয়ান চৌধুরী অনুষ্ঠানে সংগঠনটির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে গৃহহীন মানুষের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তাঁদের বাস্তব সমস্যা, প্রয়োজন ও প্রতিকূলতা সম্পর্কে তাঁর গভীর উপলব্ধি তৈরি হয়েছে। এই অভিজ্ঞতাই তাঁকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করেছে, যা গৃহহীন মানুষের তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করবে।

ফাউন্ডেশনটির মূল লক্ষ্য হলো, গৃহহীন মানুষকে সংকটময় পরিস্থিতি থেকে বের করে এনে নিরাপদ, স্থিতিশীল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে সহায়তা করা। এ লক্ষ্যে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা প্রদান এবং স্বাধীনভাবে জীবন পরিচালনার উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শেরওয়ান চৌধুরী বলেন, পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে এই উদ্যোগের ধারণা বিকশিত হয়। এ ক্ষেত্রে ডা. রফিকুল হায়দারসহ কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তী সময়ে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।

তিনি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ, সহযোগিতা এবং অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা ও সাংগঠনিক উন্নয়নের জন্য গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রয়েছেন রফিকুল হায়দার, নিজামুল হক নোমজুল, রাফেল উদ্দিন, আবুল হুসাইন ও সাফওয়ান চৌধুরী।

অন্যদিকে, উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন টনি লেটস, এমবিএ; ইয়াওয়ার খান; ব্রিজ কালিয়া, জেপি; এবং কাউন্সিলর সদরুজ্জামান খান।

ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের পুলিশবিষয়ক মন্ত্রী ও এমপি সারাহ জোনস, এমপি নাতাশা আয়রনস এবং ডেপুটি লেফটেন্যান্ট কর্নেল রে উইলকিনসন।


এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজার ক্যানসার হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাবাব উদ্দিন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী, গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব এবং দৈনিক জনমত-এর সাবেক সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা, এল বি২৪ এর ম্যানেজিং এডিটর সাংবাদিক আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, সাংবাদিক মাহবুব রহমান। বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনামুল খান, মোহাম্মদ হক, এম রহমান, মুজিবুর রহমান ও ফারহানা আখতারসহ বিভিন্ন কমিউনিটি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডা. আলী আসকার কোরেশী, আনোয়ার আলী মোল্লা, ক্রয়ডনের সাবেক মেয়র ও কাউন্সিলর অ্যালিসা ফ্লেমিং, সাব্বির করিম, লিটু খান, মুরতুজা চৌধুরী, ফজলে চৌধুরী, ফজলুর রহমান, রোহেমা চৌধুরী, সোফিয়া হায়দার, ডা. ইয়াসির চৌধুরী, নাজিয়া চৌধুরী, নাসের চৌধুরী, মহসিন মিয়া, শাহনুর চৌধুরী ও আমারা চৌধুরীসহ অনেকে।

বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ গৃহহীনতা ও দারিদ্র্য মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানে ডা. রফিকুল হায়দার ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যক্রমের ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি সংগঠনটির কার্যক্রমের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নির্ধারণ এবং টেকসই সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


এ সময় শেরওয়ান চৌধুরী একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে গৃহহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশনের পরিকল্পিত ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তা পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেন। এর লক্ষ্য হলো, মানুষের তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি তাঁদের জীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং স্বাধীনভাবে জীবন পরিচালনার প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস ও বাস্তব সহায়তা নিশ্চিত করা।

ফাউন্ডেশনটি এ লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠন, পেশাজীবী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

সমাপনী বক্তব্যে শেরওয়ান চৌধুরী ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগ্রহী সবার প্রতি তাঁদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, গৃহহীন মানুষের জীবন পুনর্গঠন এবং তাঁদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। যথাযথ সহায়তার সুযোগ তৈরি, পুনর্বাসন এবং মানুষের মর্যাদা ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় ফাউন্ডেশনটি দীর্ঘমেয়াদে কাজ করতে চায়।

হাউস অব লর্ডসে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল। মানবিক মূল্যবোধ, বাস্তবভিত্তিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে গৃহহীনতা ও দারিদ্র্য মোকাবিলায় অর্থবহ অবদান রাখাই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।


কমিউনিটি এর আরও খবর