img

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত :  ০৭:৩০, ২৬ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৫০, ২৬ জুন ২০২৪

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

আবারো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ সীমান্তে নুরুল ইসলাম নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৬ জুন) ভোরে উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের মালগারা সীমান্তের ৯১৯ সাব পিলারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের দুলালী গ্রামের মইনুদ্দিনের ছেলে। 

বিজিবি ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে নুরুলসহ কয়েক বাংলাদেশি ভারতীয় গরু আনতে মালগারা সীমান্তে যায়। এ সময় বিএসএফের একটি টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে মারা যায় নুরুল ইসলাম। পরে অপর বাংলাদেশিরা তার মরদেহ দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে এলে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে কালীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে।

কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির বলেন, নিহত নুরুল ইসলামের ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। কিছুক্ষণ পর লালমনিরহাটে পাঠানো হবে। এ ঘটনার প্রতিবাদসহ পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দিয়েছে বিজিবি। 

এ বিষয়ে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি ঘটনাস্থলে আছি। এই ঘটনায় ব্যাটলিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকে ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হবে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে শিশু রেশমি

প্রকাশিত :  ০৯:০৩, ১৪ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার রউফাবাদ কলোনিতে গোলাগুলির ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া ১১ বছর বয়সী রেশমী আক্তার আর বাঁচল না। ৭ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মারা যায় সে। 

বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিল সে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলি এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ১১টার দিকে মায়ের জন্য পান আনতে যায় রেশমি আক্তার। ঘর থেকে বের হতে না হতেই গুলির শব্দ পান বাসিন্দারা। সেসময় সন্ত্রাসীদের দুই পক্ষের মধ্যে চলছিল গোলাগুলি। একপর্যায়ে ওই রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসীদের ছোড়া একটি বুলেট এসে পড়ে রেশমির চোখে। এতে রাস্তায় পড়ে যায় সে। গোলাগুলি বন্ধ হলে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া যাওয়া হয়। তখন রেশমির মাথা দিয়ে প্রচন্ড রক্ত ঝরতে থাকে। জ্ঞানহীন অবস্থায় প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।