img

শ্রীমঙ্গলের সন্তান সমিত কানাডার কৃতি ফুটবল তারকা

প্রকাশিত :  ১২:১৬, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

শ্রীমঙ্গলের সন্তান সমিত কানাডার কৃতি ফুটবল তারকা
সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৩ নং শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের সন্তান বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে আরও একটি গর্বের সংযোজন হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার দক্ষিণ উত্তরসুর গ্রামের কানাডা প্রবাসী ফুটবলার সমিত সোম বাংলাদেশের পক্ষে খেলবেন বলে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তিনি শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া স্কুলের সাবেক সম্মানিত শিক্ষক মানিক লাল সোমের গর্বিত নাতি। সমিতের পিতা মাতা যথাক্রমে মানস সোম ও  নন্দিতা সোম। 

হামজার পর শ্রীমঙ্গলের সমিত কানাডার জাতীয় দলের মিডফিল্ডার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত । তিনি অবশেষে জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের হয়ে লাল-সবুজের জার্সিতে খেলতে চান। তাঁর গ্রামের বাড়ি শ্রীমঙ্গলের দক্ষিণ উত্তরসুর এলাকায়। ১৯৮৯ সালে সমিতের পিতা মাতা  সালে কানাডায় যান। ১৯৯৭ সালে এডমন্টনে সমিতের জন্ম হয়। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই তিনি ফুটবল নিয়ে মাঠে যাওয়া শুরু করেছিলেন।
২০২২ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে এক সপ্তাহের জন্য সমিত সোম এসেছিলেন গ্রামের বাড়ি শ্রীমঙ্গলে।  সমিত শ্রীমঙ্গলের  বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহন লাল সোম ও  প্রানতোষ সোম মালু\'র ভাতিজা ।
১৯ বছর বয়সে মাঠে নেমে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব ক্রীড়া মঞ্চ। ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার থিয়েরি অঁরির অধীনে মেজর লীগ সকারে খেলেছেন সিএফ মন্ট্রিল দলের হয়েও। এর আগে খেলেছেন কানাডার বিভিন্ন স্তরের ফুটবলে। তখনই ফুটবল বিশেষজ্ঞদের চোখে পড়েন তিনি। মেজর লিগে নাম লেখানোর আগে খেলেছেন কানাডার স্কুল পর্যায়ে। 
২০১৪ সালে কানাডার অনূর্ধ্ব-১৮ দলে ডাক পান তিনি। এরপর কানাডার অনূর্ধ্ব-২০ দলের অধিনায়ক হিসেবে লিখিয়েছেন নিজের নাম। অভিষেক ম্যাচেই জয় ছিনিয়ে নিয়ে প্রশংসা কুড়ান।
শ্রীমঙ্গলের সন্তান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে খ্যাতি অর্জন করায় সারা শ্রীমঙ্গলে খুশির জোয়ার বইছে। 

খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

পদত্যাগের পর যা বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

প্রকাশিত :  ১১:১১, ২৫ জুলাই ২০২৬

নিয়োগ ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে টানা বিক্ষোভের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হিন্দি ভাষায় দেওয়া এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি তার জন্য ‘ব্যক্তিগত মর্যাদার লড়াই’ ছিল না।

ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। দেশের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে আন্দোলনের প্রথম সাফল্য হিসেবে দেখছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে দলটি জানিয়েছে, আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। 

খেলাধূলা এর আরও খবর