img

পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে ২৫০ ভারতীয় সেনা নিহত

প্রকাশিত :  ১৭:৫১, ০৬ জুলাই ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:০৬, ০৬ জুলাই ২০২৫

পেহেলগাম ইস্যু

পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে ২৫০ ভারতীয় সেনা নিহত

কাশ্মীরের পেহেলগাম ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সংঘাতে ভারত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হলেও সরকারিভাবে সেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ গোপন রাখা হয়েছে বলে অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে।

সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোলে (এলওসি) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে ২৫০-এর বেশি ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সামরিক ও কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তবুও ভারত সরকার এই তথ্য জনসমক্ষে আনতে চায়নি এবং বরাবরই ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অস্বীকার বা খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে। রোববার (৬ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সামা টিভি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত সরকার গোপনে ১০০ জনেরও বেশি নিহত সেনাকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে জনগণের নজর এড়িয়ে ভেতরে ভেতরে তাদের স্মরণ করা যায়।

নিহত সেনাদের মধ্যে রয়েছেন:

৩ জন রাফাল পাইলটসহ মোট ৪ জন পাইলট,

ভারতীয় বিমানবাহিনীর ৭ জন সদস্য,

১০ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের ‘জি-টপ’ পোস্টের ৫ জন সেনা,

৯৩ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড হেডকোয়ার্টারের ৯ জন সদস্য,

আদমপুর বিমানঘাঁটির এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের ৫ জন অপারেটর।

সূত্রমতে, রাফাল ফাইটার জেটের ক্ষতি এবং বিভিন্ন কৌশলগত ঘাঁটি ধ্বংস হওয়া নিয়ে শুরুতে ভারত সরকার ও সেনাবাহিনী মুখ না খুললেও পরে একাধিক উচ্চপদস্থ জেনারেল ও কূটনৈতিক কর্মকর্তা এ তথ্য স্বীকার করতে বাধ্য হন।

এদিকে নিহত সেনাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও সরকার চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করে। পুরো পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেই চেষ্টায় তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও প্রচারণা কৌশল অবলম্বন করছে মোদি প্রশাসন।

সামা টিভি জানিয়েছে, পাঠানকোট ও উদমপুর বিমানঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির তথ্য আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় স্বাধীন মিডিয়া নিশ্চিত করলেও সরকার তা অস্বীকার করে চলেছে। মোদি সরকার এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধে পরাজয় ও তথ্য সংকট একসঙ্গে সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে  বলেও মন্তব্য করেছেন পর্যবেক্ষকরা।

এই প্রতিবেদনের সঙ্গে পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনিয়ানুম-মারসুস’-এর সফলতার দাবি ও ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংসের তথ্যও উঠে এসেছে, যা দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

পাকিস্তানি মিডিয়ার এই খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ার নজর কেড়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধক্ষেত্রে তথ্য-যুদ্ধ ও সত্য আড়াল করার প্রচেষ্টা নিয়ে ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

কূটনীতি ও শান্তিপূর্ণ সমাধানেই ইরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পোপ লিওকে পেজেশকিয়ান

প্রকাশিত :  ১২:২৫, ১৭ মে ২০২৬

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইরান এখনো কূটনীতি ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পোপ লিও চতুর্দশকে পাঠানো এক বার্তায় পেজেশকিয়ান এ কথা জানান।

গতকাল শনিবার (১৬ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে আইএরএনএ জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের ঘটনায় পোপের ‘নৈতিক ও যৌক্তিক অবস্থানের’ জন্য তেহরান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা ছিল ‘বৈধ আত্মরক্ষার অংশ’। 

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ কর্মকাণ্ডের’ বিরুদ্ধে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ‍যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।  জবাবে তেহরান ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালায়।  পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিও বন্ধ করে দেয় ইরান। 

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধের বিরতি গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কার্যকর হয়। তবে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় স্থায়ী সমঝোতা হয়নি।  পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেন।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর