img

বাজে ব্যাটিংয়ে ফাইনাল মিস বাংলাদেশের

প্রকাশিত :  ১৭:৩১, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ২০:৪০, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাজে ব্যাটিংয়ে ফাইনাল মিস বাংলাদেশের

এশিয়া কাপে সুপার ফোরের ভার্চুয়াল সেমিফাইনাল। সামনে সুযোগ—জিতলেই ফাইনাল, হারলেই বিদায়। এমন এক ম্যাচেই দারুণ বোলিংয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ১৩৫ রানে আটকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সবুজ গ্যালারিতে তখনও স্বপ্ন ঝলমল করছিল—আজই হয়তো ইতিহাস গড়বে টাইগাররা। কিন্তু সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ব্যাটিং ব্যর্থতায়।

এশিয়া কাপের ফাইনালের লড়াইয়ে টস জিতে বোলিং নিয়ে দুর্দান্ত মোমেন্টাম পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম দুই ওভারে উইকেট নেওয়ার পর ৪৯ রানে তুলে নিয়েছিল পাকিস্তানের ৫ উইকেট। পরেই তিন ক্যাচ ফেলে মোমেন্টাম হারায় বাংলাদেশ। সুযোগ নিয়ে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান তুলে ফেলে পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে তাওহীদ হৃদয়-জাকের আলীদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ফাইনালে উঠে গেছে পাকিস্তান। রোববার শিরোপা লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে সালমান আগার দল। 

শুরুতে ব্যাটিং করা পাকিস্তানের হয়ে মিডলে ব্যাট করা অধিনায়ক সালমান আগা ২৩ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলেন। জীবন পাওয়া পেসার শাহীন আফ্রিদি দুই ছক্কার শটে ১৩ বলে ১৯ রান করেন। মোহাম্মদ হারিসও জীবন পান। তিনি ২৩ বলে দলের পক্ষে সর্বাধিক ৩১ রানের ইনিংস খেলেন। দুটি চার ও একটি ছক্কা মারেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। এছাড়া বাঁ-হাতি স্পিন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজ ১৫ বলে দুই ছক্কা ও এক চারে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন। শেষটায় ফাহিম আশরাফ ৯ বলে ১৪ রান যোগ করেন। 

img

অস্ট্রেলিয়ার ‘আশ্রয়’ ত্যাগ করে ইরানে ফিরছেন আরও ৩ ফুটবলার

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যাওয়া ইরানি নারী ফুটবল দলের আরও তিনজন সদস্য দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই তথ্য জানান। এতে প্রথমে সাতজন আশ্রয় নিলেও এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন।

বার্ক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর রাতে ইরানি নারী ফুটবল দলের তিনজন সদস্য বাকি দলের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের কাছে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর তাদের বারবার বিকল্প নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

ইরানি দল গত ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই তারা পৌঁছেছিলেন।

২৬ সদস্যের দল থেকে প্রথমে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চলে যায়। এরপর একজন মত বদলে দেশে ফেরেন। শনিবার রাতে আরও তিনজন সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের পথে রওনা দেন। বাকি দলটি তখন থেকে কুয়ালালামপুরেই অপেক্ষা করছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সর্বশেষ ফেরা তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য। এই তিনজন ‘পরিবার ও মাতৃভূমির উষ্ণ আলিঙ্গনে ফিরছেন’ বলে সংবাদ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।

প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় খেলোয়াড়দের ইরানে ফিরলে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাদের সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা খেলোয়াড়দের দলে ফেরাকে ‘আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা এবং ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।