img

বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের শোকবার্তা

প্রকাশিত :  ০৭:১৫, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের শোকবার্তা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে গভীর শোক, দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এক শোকবার্তায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক দৃঢ়চেতা, দূরদর্শী ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি স্বৈরশাসন ও জুলুমের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে অবস্থান নিয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহু নির্যাতন, অন্যায় কারাবাস ও সীমাহীন চাপের মুখেও আদর্শচ্যুত হননি; বরং ত্যাগ, ধৈর্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে জাতির সামনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ছিল সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের এক অবিচল অধ্যায়। গৃহজীবন থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসে তিনি বাংলাদেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে ওঠেন। তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রেখেছেন। তাঁর ইন্তেকালে বাংলাদেশ একজন অভিজ্ঞ, সংগ্রামী ও ঐতিহাসিক নেত্রীকে হারালো—যা জাতীয় জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকাহত পরিবারবর্গ, রাজনৈতিক সহকর্মী, দলীয় নেতাকর্মী ও দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল শুভানুধ্যায়ীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাঁকে ক্ষমা করেন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করেন এবং জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন; একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত সবাইকে ধৈর্য, শক্তি ও অবিচলতা দান করেন—আমীন।
শোকবার্তায় স্বাক্ষর করেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তাছাদ্দুক আহমদ, মাওলানা ফখরুদ্দিন ছাদিক, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, হাফিজ সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা আশফাকুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল আলম কিয়ামপুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা ইলিয়াছ, মুফতি শাহ হিফজুল করীম মাশুক, মাওলানা আখতারুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারি মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, হাফিজ জিয়া উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, হাফিজ মাওলানা মাছুম আহমদ, মাওলানা মঈন উদ্দিন খান, মাওলানা আব্দুল গাফফার, ট্রেজারার হাফিজ রশীদ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ওলীউর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খালেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই এবং মিডিয়া সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম

প্রকাশিত :  ১৫:৫৮, ২৫ জুলাই ২০২৬

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক দুইবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

গত ২৩ জুলাই লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন-এ আনুষ্ঠানিকভাবে  অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিমকে বার-অ্যাট-ল হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। লিংকনস ইন কর্তৃক প্রদত্ত ‘সার্টিফিকেট অব কল’ অনুযায়ী, তিনি ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির সদস্য (Member of Lincoln’s Inn) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন এবং ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কলড টু দ্য বার’ (Called to the Bar) হন।

অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম কমলগঞ্জ উপজেলার শংকরপুর (বড়বাড়ী) গ্রামের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. শামসুল হকের পুত্র। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। তিনি ১৯৯৬ সালে সিলেট ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকার একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম সম্পন্ন করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির দুইবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জনের পর প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম বলেন, “লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন আমার জীবনের একটি গৌরবময় মাইলফলক। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, আমার বাবা-মা, শিক্ষক, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন আইন পেশায় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারি।

কমিউনিটি এর আরও খবর