img

পছন্দের চকলেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিজের নাম রাখেন মিমি

প্রকাশিত :  ০৭:৪৩, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

পছন্দের চকলেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিজের নাম রাখেন মিমি

অভিনেত্রী আফসানা মিমি নব্বইয়ের দশকের টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয় মুখ। সংযত অভিনয়, সহজ উপস্থিতি আর চরিত্রের ভেতরে ঢুকে যাওয়ার ক্ষমতায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন দর্শকের নির্ভরতার নাম।

গত ২০ ডিসেম্বর ৫৭ বছরে পা রেখেছেন নন্দিত এ অভিনেত্রী। প্রতি বছর নিজের জন্মদিনটি তিনি পালন করেন এক বিশেষ ও মানবিক উপায়ে। 

রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ওই দিন যেসব শিশুর জন্ম হয়, তাদের পরিবারের অজান্তেই উপহার পৌঁছে দিয়ে আসেন তিনি। বছরের পর বছর নিরবে এই কাজ করে আসলেও এর নেপথ্যের গল্পটি এতদিন আড়ালেই ছিল। 

সম্প্রতি জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-এর দ্বিতীয় মৌসুমের ষষ্ঠ পর্বে অতিথি হয়ে এসে জীবনের এমন অনেক না বলা কথা জানিয়েছেন মিমি। 

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই আড্ডায় উঠে আসে তার ‘মিমি’ হয়ে ওঠার সেই মজার কাহিনী।

আফসানা মিমি জানান, শৈশবে ‘মিমি’ চকোলেট তার ভীষণ প্রিয় ছিল। বড় বোন ‘অ্যানি’র নামের সাথে মিল রেখে তার পারিবারিক নাম রাখা হয়েছিল ‘জুনি’, আর ভালো নাম ছিল ‘আফসানা করিম’। 

অন্যদিকে বাবা তাকে আদর করে ডাকতেন ‘মিম’। কিন্তু চকোলেটের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি নিজের আগ্রহে ‘মিমি’ নামটি বেছে নেন।

মজা করে মিমি বলেন, আমি বোধ হয় পৃথিবীর একমাত্র শিশু, যে কিনা নিজের নাম নিজেই চূড়ান্ত করেছে।

হুমায়ূন আহমেদের কোথাও কেউ নেই নাটকের মধ্য দিয়ে আফসানা মিমির টিভি নাটকে অভিষেক হয়। এরপর আর থেমে থাকেননি তিনি। 

নব্বইয়ের দশকে প্রচারিত তার অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল ‘একদিন হঠাৎ’, ‘অপেক্ষা’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ এবং ‘নির্জন দ্বীপ’-এ ধরনের সম্পর্কনির্ভর ও চরিত্রপ্রধান কাজগুলো।


 

বিনোদন এর আরও খবর

img

‘বিয়ে না করলেও সমস্যা নেই’, মেয়েকে নিয়ে কিয়ারার স্পষ্ট বার্তা

প্রকাশিত :  ১৬:৫৫, ১৭ মে ২০২৬

মেয়ে সারায়াহর ভবিষ্যৎ এবং সম্পর্ক নিয়ে নিজের খোলামেলা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেনব লিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। 

সম্প্রতি রাজ শামানীর পডকাস্টে অংশ নিয়ে এই অভিনেত্রী জানান, বড় হয়ে তার মেয়ে কেমন জীবন বেছে নেবে, তা সম্পূর্ণ মেয়ের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করবে। কিয়ারা চান না তার মেয়ে কোনো সামাজিক বা মানসিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে বড় হোক। বর্তমানে এই অভিনেত্রীর মেয়ের বয়স ১০ মাস। 

পডকাস্টে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না তার মেয়ে মনে করুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই প্রেম করতে হবে এবং তাকেই বিয়ে করতে হবে। তিনি তার মেয়েকে একটি স্বাধীন ও পরিপূর্ণ জীবন দিতে চান। এমনকি সারায়াহ যদি ভবিষ্যতে বিয়ে করতে না-ও চায়, মা হিসেবে কিয়ারা তাতে সম্পূর্ণ সমর্থন জানাবেন। 

সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, ‘আমি চাই ও একটি পরিপূর্ণ জীবন দেখুক। আমি চাই না ও ভাবুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই ডেট করতে হবে... এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ও যদি বিয়ে করতে চায়, করবে; আর যদি না করতে চায়, তবে করবে না।’ 

নিজের অতীত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে কিয়ারা স্বীকার করেন যে, তরুণ বয়সে তিনি যার সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তাকেই বিয়ে করবেন বলে ভাবতেন। তবে জীবন সব সময় মনের মতো চলে না। 

বর্তমান জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জীবন আসলে ওভাবে চলে না। আর সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ যে জীবন ওভাবে চলেনি, কারণ ঈশ্বর আমার জীবনের চূড়ান্ত সঙ্গী হিসেবে যাকে (সিদ্ধার্থ মালহোত্রা) বেছে নিয়েছেন, তাকে নিয়ে আমি অত্যন্ত সুখী। 

তবে বড় হওয়ার দিনগুলোতে আপনি যেসব সম্পর্কের মধ্য দিয়ে যান, সেগুলো আপনাকে কিছু না কিছু শেখায়। অবশেষে সেগুলোই আপনাকে একজন পরিপক্ক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।’ 

সূত্র: নিউজ১৮