img

রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণ

প্রকাশিত :  ০৯:১৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণ

রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ঐতিহ্যবাহী ‘হাজার কণ্ঠে বর্ষবরণ’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নতুন বছর ১৪৩৩-কে স্বাগত জানানো হয়েছে। পুরনো বছরের সব গ্লানি ঝেড়ে নতুন সূচনার বার্তা নিয়ে আয়োজিত হয় ‘হাজার কণ্ঠে বর্ষবরণ’ অনুষ্ঠান, যেখানে নেতৃত্ব দেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

চ্যানেল আই এবং সুরের ধারার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান ভোর হওয়ার আগেই কানায় কানায় ভরে ওঠে। সূর্য ওঠার আগেই মানুষের ঢল প্রমাণ করে বাঙালির সংস্কৃতির প্রতি গভীর টান।

‘ওঠো ওঠো ওঠোরে…’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আয়োজন। এরপর হাজারো কণ্ঠের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গান পরিবেশন করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। পাশাপাশি মঞ্চে গান শোনান রফিকুল আলম, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, কিরণ চন্দ্র রায় এবং স্বাতী সরকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ পরিবেশনা নিয়ে হাজির হন কোনাল, যিনি বাউল সাধক শাহ আবদুল করিম-এর গান পরিবেশন করেন।

আবৃত্তিতে মুগ্ধতা ছড়ান জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। সবশেষে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে বৈশাখকে বরণ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।

এর আগে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয় চৈত্র সংক্রান্তির বিশেষ আয়োজন। এতে সংগীত পরিবেশন করেন বুলবুল ইসলাম, চন্দনা মজুমদার, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, প্রিয়াংকা গোপ এবং স্বাতী সরকার।

আবৃত্তি করেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডালিয়া। নৃত্য পরিবেশন করেন ওয়ার্দা রিহাব ও প্রেমা। পুরো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সামান্তা ইসলাম এবং সানজিদা।


img

এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন : মম

প্রকাশিত :  ১০:৪২, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন।

তিনি বলেন, ‘কিচ্ছু ঠিক হচ্ছে না! এই কর্মকাণ্ডগুলোর কোনটাই ভালো হচ্ছে না!’

পোস্টে মম নাগরিক জীবন অনিরাপদ জানিয়ে লেখেন, মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি, ভিন্নমত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ওপর নির্যাতন, রাজনৈতিক দল বা মতের প্রতি অন্ধ আনুগত্য, খুন, সন্ত্রাস, রাহাজানি, শিশু নিখোঁজ ও ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলো সমাজে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষিত বেকারত্ব, নারীর প্রতি অসম্মান এবং নিজের মতের বাইরে থাকা মানুষকে ‘খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।’

তার বক্তব্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয় নিয়েও উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে। মাজার উচ্ছেদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান, ঐতিহাসিক মুরাল ভেঙে ফেলা, সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধের দাবি, নাচ-গান, শিল্প-সাহিত্য ও নৌকাবাইচের মতো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি সমাজের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অভিনেত্রী তার পোস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে এনসিপির জামায়াতের সাথে যোগদান এবং ধর্মের নামে রাজনীতির চর্চা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।

এর পাশাপাশি ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, গ্যাসের সংকট, সড়কে অনিয়ম ও নাগরিক নিরাপত্তাহীনতার মতো দৈনন্দিন সমস্যার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

তার ভাষ্য, ‘আমরা সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়েছি এবং হচ্ছি।’

সামাজিক মাধ্যমে মম নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করেন। তার ভাষায়, ‘আমি কোনও রাজনৈতিক দল করি না, আমার একটাই দল—বাংলাদেশ। এ দেশটা সুস্থ থাকুক, সেটাই চাই।’

বিনোদন এর আরও খবর