img

জামায়াত নেতার খামার থেকে ৪০টি ছাগল লুট

প্রকাশিত :  ০৮:৩৪, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামায়াত নেতার খামার থেকে ৪০টি ছাগল লুট

মধ্যরাতে ধারালো অস্ত্রের মুখে কর্মচারীকে জিম্মি করে আবু হেনা কায়সার নামে এক জামায়াত নেতার খামার থেকে ৪০টি ছাগল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুরের নিজামপুর রেলস্টেশন-সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী খামার মালিক আবু হেনা কায়সার উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ইউনিয়ন জামায়াতের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন। ছাগল লুটের বিষয়টি স্থানীয় নিজামপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

খামারের মালিক আবু হেনা কায়সার বলেন, ‘আমার বাড়ি উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নে হলেও পাশের ইউনিয়ন ওয়াহেদপুরে দুই বছর ধরে ছাগলের খামারটি করে আসছি। খামারের দেখভাল করার জন্য কর্মচারী রয়েছে। গতকাল রাতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত গাড়ি নিয়ে খামার এলাকায় এসে ধারালো অস্ত্রের মুখে খামারের এক কর্মচারীকে জিম্মি করে। এরপর খামারে থাকা ৪০টি ছাগল লুট করে নিয়ে গেছে ওই দুর্বৃত্তরা।’

লুট হওয়া সব ছাগলের আনুমানিক বাজারমূল্য চার লাখ টাকার মতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মৌখিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করা হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় নিজামপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘কর্মচারীকে বেঁধে একটি খামারের কিছু ছাগল লুট করার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


 

img

‘বাচ্চা কান্দে ক্যান’ বলে মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১২:২৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

\'এতো ভোরে তোর বাচ্চা কাঁন্দে ক্যান। কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু\'- এমন কথা বলে তিন মাসের শিশুর মুখ চেপে ধরে মায়ের সামনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎবাবার বিরুদ্ধে।

আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকার দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শিশুটির মা রাজিয়া খাতুন দারুস সালাম থানায় স্বামী অপূর্বর (২২) বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজিয়া খাতুনের প্রথম স্বামীর ঘরে দুই সন্তান। বড় মেয়ে তার সাভারে নানীর কাছে থেকে। সপ্তাহখানেক আগে তিন মাসের ছেলেকে কোলে নিয়ে অপূর্বের সঙ্গে রাজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। অবশ্য অপূর্বর এটি প্রথম বিয়ে। তারা বর্ধনবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। অপূর্ব মাদকাসক্ত এবং এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করেন।

দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া সমকালকে বলেন, শুক্রবার ভোরে শিশুটি বিছানায় মায়ের পাশে কান্নাকাটি করছিল। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠে অপূর্ব স্ত্রীকে শিশুর কান্না থামাতে বলে। কান্না না থামালে শিশুকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেন। শিশুটির কান্না থামছিল না। এ সময় অপূর্ব হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে দম বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওসি জাকারিয়া আরও বলেন, শিশুটির মা রাজিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অপূর্বকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।