img

আহসান মনসুর বেরিয়ে যাওয়ার পর বের করে দেয়া হলো তার উপদেষ্টাকেও

প্রকাশিত :  ১১:২৭, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আহসান মনসুর বেরিয়ে যাওয়ার পর বের করে দেয়া হলো তার উপদেষ্টাকেও

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নতুন একজনকে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই মতিঝিলের প্রধান কার্যালয় ত্যাগ করেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ঘটনাটির কিছুক্ষণের মধ্যেই তার উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে ব্যাংক থেকে বের করে দেওয়া হয়।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গভর্নর আহসান মনসুর বেরিয়ে যাওয়ার পর ব্যাংকের ভেতরে হট্টগোল করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স কাউন্সিলের নেতারা।

তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে বের করে দেন। তিনি যখন গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যাচ্ছেন, ওই সময় একজনকে তেড়ে আসতে দেখা যায়। অন্যরা সেই ব্যক্তিকে সংবরণ করেন। এ সময় আক্রমণাত্মক আচরণ করা ব্যক্তিটির আঙুল উঁচিয়ে আহসান উল্লাহকে শাসাতে দেখা যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আহসান উল্লাহ এক বছরের চুক্তিতে গত বছরের জানুয়ারিতে নিয়োগ পান। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে গভর্নরকে সহায়তা করাই ছিল তার দায়িত্ব।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, জড়িত সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত :  ০৬:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপারা ইউনিয়ন এলাকার বনপারিল কান্দুরপার ব্রিজ গ্রামে ৮ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে এলাকাবাসী।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

হতাহতরা হলেন—বনপারিল গ্রামের ইজিবাইকচালক পান্নু মিয়া (৪৫) ও তার ভাই ফজলু মিয়া (২৮)। এ ঘটনায় পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল (২০) গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৫টার দিকে বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আতিকার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুল ও গলার চেইন লুটের উদ্দেশে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

এ ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতা এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই এলাকার বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে আটক করে মারধর করা হয়। এতে অটোচালক পান্নু মিয়া (৩৮) ও তার ভাই ফজলু (২৮) নিহত হন। গুরুতর অবস্থায় পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুলকে (২০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।