img

গুলিস্তানে মিলল দুটি খণ্ডিত হাত, স্কাউট ভবনের পাশে ছিল পা

প্রকাশিত :  ০৬:৫৫, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গুলিস্তানে মিলল দুটি খণ্ডিত হাত, স্কাউট ভবনের পাশে ছিল পা

গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম পাড়ায় রাস্তার পাশে কাটা হাত পাওয়া গেছে। আজ সকাল ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটে।

\r\nআজ সকালে জাতীয় স্টেডিয়ামের ০১ এবং ৪ নং গেটের মাঝামাঝি মার্কেটের সামনে রাস্তার পাশে দুটি কাটা হাত দেখতে পান পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। এরপরই সঙ্গে সঙ্গে তারা জানান পুলিশকে।

ও স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওবায়দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির দেহের অংশ এগুলো।
\r\n

\r\n

আজ শনিবার সকালে পলিথিন ব্যাগের ভেতরে হাত দুটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতগুলো উদ্ধার করে। এরআগে, শুক্রবার দিবাত রাত ২টার দিকে রাজধানীর স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি খণ্ডিত পা উদ্ধার করা হয়।

পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘‘এটি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। এখনও কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’’
\r\n

\r\n

মোস্তফা কামাল জানান, হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা গেছে, ওবায়দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির দেহের অংশ এই হাত ও পা। তার বাড়ি নরসিংদী শিবপুর উপজেলায়।

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ও র‍্যাবের সদস্যরা পৌঁছান। তারা আলামত সংগ্রহ ও ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।

img

‘বাচ্চা কান্দে ক্যান’ বলে মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১২:২৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

\'এতো ভোরে তোর বাচ্চা কাঁন্দে ক্যান। কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু\'- এমন কথা বলে তিন মাসের শিশুর মুখ চেপে ধরে মায়ের সামনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎবাবার বিরুদ্ধে।

আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকার দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শিশুটির মা রাজিয়া খাতুন দারুস সালাম থানায় স্বামী অপূর্বর (২২) বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজিয়া খাতুনের প্রথম স্বামীর ঘরে দুই সন্তান। বড় মেয়ে তার সাভারে নানীর কাছে থেকে। সপ্তাহখানেক আগে তিন মাসের ছেলেকে কোলে নিয়ে অপূর্বের সঙ্গে রাজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। অবশ্য অপূর্বর এটি প্রথম বিয়ে। তারা বর্ধনবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। অপূর্ব মাদকাসক্ত এবং এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করেন।

দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া সমকালকে বলেন, শুক্রবার ভোরে শিশুটি বিছানায় মায়ের পাশে কান্নাকাটি করছিল। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠে অপূর্ব স্ত্রীকে শিশুর কান্না থামাতে বলে। কান্না না থামালে শিশুকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেন। শিশুটির কান্না থামছিল না। এ সময় অপূর্ব হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে দম বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওসি জাকারিয়া আরও বলেন, শিশুটির মা রাজিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অপূর্বকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।