img

লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল একই পরিবারের তিনজনের

প্রকাশিত :  ০৫:১৭, ১৭ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:২৫, ১৭ মার্চ ২০২৬

লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল একই পরিবারের তিনজনের

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় শিশুসহ মোটরসাইকেল আরোহী একই পরিবারের তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মির্জারকোট মডেল মসজিদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত শরিফুল ইসলামের (৩৫) বাড়ি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের মনসাপুর গ্রামে। ঈদের ছুটিতে মোটরসাইকেল যোগে ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। আহত একজনকে রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাটগ্রামে একটি বেসরকারি এনজিওতে চাকরি করেন শরিফুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পাটগ্রামের মির্জারকোট এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত মেয়েকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের বিস্তারিত জানা যায়নি।

পাটগ্রাম থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 


img

‘বাচ্চা কান্দে ক্যান’ বলে মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১২:২৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

\'এতো ভোরে তোর বাচ্চা কাঁন্দে ক্যান। কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু\'- এমন কথা বলে তিন মাসের শিশুর মুখ চেপে ধরে মায়ের সামনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎবাবার বিরুদ্ধে।

আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকার দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শিশুটির মা রাজিয়া খাতুন দারুস সালাম থানায় স্বামী অপূর্বর (২২) বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজিয়া খাতুনের প্রথম স্বামীর ঘরে দুই সন্তান। বড় মেয়ে তার সাভারে নানীর কাছে থেকে। সপ্তাহখানেক আগে তিন মাসের ছেলেকে কোলে নিয়ে অপূর্বের সঙ্গে রাজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। অবশ্য অপূর্বর এটি প্রথম বিয়ে। তারা বর্ধনবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। অপূর্ব মাদকাসক্ত এবং এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করেন।

দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া সমকালকে বলেন, শুক্রবার ভোরে শিশুটি বিছানায় মায়ের পাশে কান্নাকাটি করছিল। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠে অপূর্ব স্ত্রীকে শিশুর কান্না থামাতে বলে। কান্না না থামালে শিশুকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেন। শিশুটির কান্না থামছিল না। এ সময় অপূর্ব হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে দম বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওসি জাকারিয়া আরও বলেন, শিশুটির মা রাজিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অপূর্বকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।