img

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৭ কিমি তীব্র যানজট

প্রকাশিত :  ০৯:২৭, ১৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৩৫, ১৮ মে ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৭ কিমি তীব্র যানজট

লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কারকাজ চলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ঢাকামুখী লেনে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা।

আজ সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। কাজের সুবিধার্থে ঢাকামুখী লেনের একটি অংশ বন্ধ রেখে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করানো হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে যানজট সোনারগাঁ ছাড়িয়ে মেঘনা ব্রিজ এলাকা হয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে শত শত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও প্রাইভেটকার দীর্ঘ সময় স্থির হয়ে আছে। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও অসুস্থ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন।

ঢাকাগামী ট্রাকচালক ওবায়দুল মিয়া বলেন, সকাল ৯টার দিকে দাউদকান্দি ব্রিজ পার হওয়ার পর থেকেই যানজটে আটকা আছি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও তেমন গাড়ি এগোচ্ছে না।

তিশা পরিবহনের যাত্রী বৃষ্টি পোদ্দার বলেন, যেখানে ১০ মিনিটে যাওয়ার কথা, সেখানে আড়াই ঘণ্টা ধরে বসে আছি। অফিসে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিল, সময়মতো পৌঁছাতে পারিনি। আগে থেকে বিকল্প ব্যবস্থা নিলে দুর্ভোগ কম হতো।

প্রাইভেটকার চালক মোহাম্মদ রাব্বানি বলেন, মেঘনা টোলপ্লাজা থেকে ঢাকামুখী লেন পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে। আড়াই ঘণ্টা বসে থেকেও মেঘনা ব্রিজ পার হতে হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এই পথ যেতে ৮ থেকে ১০ মিনিট লাগে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ ঢাকা পোস্টকে বলেন, লাঙ্গলবন্দ সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ চলমান থাকায় সকাল থেকে ঢাকামুখী লেনে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করছে। দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। আজকের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।

জাতীয় এর আরও খবর

img

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না: সিইসি

প্রকাশিত :  ১২:৩৫, ১৮ মে ২০২৬

স্থানীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি, তবে দলীয় প্রতীক থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। 

আজ সোমবার (১৮ মে) আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি- আরএফইডির নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, এবার দলীয় প্রতীক ব্যবহার না হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, যা নির্বাচনকে উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। আমরা চাই ভালো নির্বাচনের একটা সংস্কৃতি চালু হোক। শুধু একটি নির্বাচন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচন যেন সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়। 

রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে রক্তপাতহীন নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনেক হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অত্যন্ত তীব্র হয়ে ওঠে এবং একই পরিবার বা একই এলাকার প্রার্থীদের মধ্যেও সংঘাত দেখা দেয়। 

নাসির উদ্দিন আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একা কোনো নির্বাচন সফল করতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক এবং ভোটারসহ সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।


জাতীয় এর আরও খবর