img

বিসিবি সভাপতি হলেন তামিম ইকবাল

প্রকাশিত :  ১৫:৪৩, ০৭ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৪৮, ০৭ জুন ২০২৬

বিসিবি সভাপতি হলেন তামিম ইকবাল

বিসিবি নির্বাচন শেষে বোর্ড সভাপতি নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। একক প্রার্থী হিসেবে বিসিবির ২১তম সভাপতি হয়েছেন তামিম ইকবাল। এছাড়া সহ-সভাপতি হয়েছেন ফাহিম সিনহা।

আজ রোববার (৭ জুন) মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আট মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে বিসিবি নির্বাচন। সকাল ১০টায় শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ। বিকেল ৪টায় শেষ হয় সেই কার্যক্রম। এরপর ফল গণনা শুরু হয়। সেই কার্যক্রম শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়।

প্রাপ্ত ভোটে ঢাকার ক্লাব থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম ও সাকেফ আহমেদ সালাম।

ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে লড়েছেন ১৬ জন। পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন ১২ জন। হেরে যাওয়া প্রার্থীরা হলেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফায়াজুর রহমান মিতু এবং ইমরোজ আহমেদ। যেখানে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। শাকিফ আহমেদ ৬৫, আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

হেরে যাওয়া ৪ প্রার্থী বোরহানুল পাপ্পু পেয়েছেন ৪০ ভোট, আমজাদ হোসেন ৩২, ফয়জুর মিতু ২৩ ও মেজর ইমরোজ আহমেদ ২০ টি ভোট পেয়েছেন।


খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

পদত্যাগের পর যা বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

প্রকাশিত :  ১১:১১, ২৫ জুলাই ২০২৬

নিয়োগ ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে টানা বিক্ষোভের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হিন্দি ভাষায় দেওয়া এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি তার জন্য ‘ব্যক্তিগত মর্যাদার লড়াই’ ছিল না।

ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। দেশের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে আন্দোলনের প্রথম সাফল্য হিসেবে দেখছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে দলটি জানিয়েছে, আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। 

খেলাধূলা এর আরও খবর