img

হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী

প্রকাশিত :  ০৬:৪৮, ১১ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী

হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। এ ঘোষণার পর নৌপথে চলাচল বন্ধ করতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী দুটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন নৌবাহিনীও সক্রিয় হয়েছে। ইরানি নৌসেনাদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে তারাও পাল্টা গুলি ছুড়েছে।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই অঞ্চলে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে দুই দেশের বাহিনী। এখন পর্যন্ত বন্দর আব্বাস, সিরিক, কেশম, হেনগাম দ্বীপ ও গোরগান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার খবর পাওয়া গেছে। আর ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী ও আইআরজিসির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হচ্ছে। মার্কিন বাহিনী এখন পর্যন্ত উপকূলীয় সাতটি পয়েন্টে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার ভঙ্গ করেছে। এর জেরে তারা ঘোষণা দিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।

আইআরজিসি আরও জানায়, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের চলাচল প্রভাবিত হবে।

আইআরজিসি আরও দাবি করে, প্রণালি অবৈধভাবে অতিক্রম করার চেষ্টা করা দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আঘাত হানা হয়েছে। আরও কোনো জাহাজ অতিক্রমের চেষ্টা করলে হামলা করা হবে। 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

প্রকাশিত :  ১১:২৮, ১১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৪, ১১ জুন ২০২৬

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।

ঈদের আগের দিন বুধবার সকালে মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়।

এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।

গত ২৭ মে ভোরে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। 

কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির একাধিক দিক উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না; পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং এসি ব্যবস্থাও অপ্রতুল ও অনিয়মিতভাবে পরিচালিত হতো। 

তদন্তে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং গুরুতর অবস্থার পরও সময়মতো চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়নি।

তদন্ত প্রতিবেদনে নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা জন্মের পর সুস্থ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বলা হয়, প্রসব-পরবর্তী জটিলতার জন্য বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তবে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ চিকিৎসা ও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণে ঘাটতি ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। 

একই সঙ্গে হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।