সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুতে ওঠার জন্য এক পাশে মাটি ফেলে তৈরি করা হয়েছে ঢাল, পাশাপাশি বসানো হয়েছে মই। প্রতিদিন ওই মই ও মাটির খাড়া ঢাল বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাল পিচ্ছিল হয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।
এলজিইডি গাজীপুর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সুতিয়া নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি এখনো পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, সংযোগ সড়ক থেকে সেতুটির উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট। ফলে সেতুতে ওঠার জন্য তৈরি করা অস্থায়ী মাটির ঢাল বেশ খাড়া। বৃষ্টি হলে সেটি পিচ্ছিল হয়ে যায়। এ অবস্থায় সেতুর পাশে থাকা রেলওয়ে সেতু ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
মিটিং হয়, দিন যায়, রাত আসে—কোনো সমাধান হয় না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
প্রকাশিত :
১৮:০৪, ০২ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের কথা বললেও সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করছেন। বারবার বৈঠক হলেও নির্বাচন নিয়ে কোনো সমাধান হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ, নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত একটি দপ্তরেই আটকে আছে। এ ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দপ্তরকে দায়ী করে সমালোচনা করেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানিহাট সি ওয়ার্ল্ডের হলরুমে উপজেলা এনসিপি আয়োজিত মতবিনিময় ও যোগদান সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারতের দালাল আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ)। আর একটা হলো মানুষের পকেট কেটে নেওয়া চাঁদাবাজ বিএনপি বাংলাদেশটাকে নষ্ট করে দিয়েছে। এই নষ্টদের থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। যদি এই নষ্টরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যায় তাহলে আগামীকাল তারেক রহমানের সন্তান জাইমা রহমানও বিপদে পড়বে। কারণ, জাইমা রহমানও আগামীর ভবিষ্যৎ। আমাদের সমবয়সী প্রজন্ম।
তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, আমরা অনেক কষ্ট-সাধনা করে এই বৈপ্লবিক পরিস্থিতি থেকে একটি গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির দিকে যাত্রা করেছি। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশে সংস্কার হবে। আপনারা বলেছিলেন, আগে নির্বাচন দেন, তাহলে বাংলাদেশে সংস্কার হয়ে যাবে। যদি নির্বাচন দেন, তাহলে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। যদি নির্বাচন দেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচন হয়ে গেল, চাঁদাবাজি বেড়েই চলছে। নির্বাচন হয়ে গেল, দুর্নীতি বেড়েই চলছে। নির্বাচন হয়ে গেল, সন্ত্রাসী বেড়েই চলছে। এখন আমরা প্রশ্ন রাখতে চাই, এগুলো কারা করে?
অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সভাপতি এ এম মুন্না চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সিফাত হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জুবাইরুল হাসান আরিফ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার আহ্বায়ক একরামুল হক, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ শোয়াইব প্রমুখ।