img

বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন শায়খ হাফেজ ক্বারী আমির হোসেন এর জানাজা এবং দাফন সম্পন্ন; গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে'র শোক প্রকাশ

প্রকাশিত :  ১০:৫৬, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন শায়খ হাফেজ ক্বারী আমির হোসেন এর জানাজা এবং দাফন সম্পন্ন; গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে'র শোক প্রকাশ

হাজার হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণে এবং শ্রদ্ধা ও অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় সমাহিত হলেন বাংলাদেশের কানাইঘাটে জন্মগ্রহণকারী কভেন্ট্রির বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন শায়খ হাফেজ ক্বারী আমির হোসেন। 

শুক্রবার ৬ ই নভেম্বর বাদ জুম্মা কভেন্ট্রির ঈগল স্ট্রিট নুরুল ইসলাম জামে মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে মরহুমের জানাজার নামাজের ইমামতি করেন হাফেজ আমির হোসেনের সুযোগ্য নাতি মাওলানা হামজা খাঁন। আগতদের উদ্দেশ্যে নামাজ পুর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মরহুমের মেঝো ছেলে মাওলানা শাকির আহমেদ। মরহুমের কর্মময় জীবনে কারো মনোকষ্টের কারন হয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন। 

নামাজ শেষে কভেন্ট্রির লেন্টন লেন সিমেট্রির মুসলিম গোরস্তানে তাঁকে তার স্ত্রীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

মরহুমের বড় ছেলে চৌধুরী হাফিজ আহমেদ ও  মরহুমের দামান্দ সাংবাদিক নোমান রাজা পরিবারের পক্ষ থেকে  সবাইকে  উনার বাবার  রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করার অনুরোধ জানিয়েছেন। 

উল্লেখ্য গত  বৃহস্পতিবার ৫ ই নভেম্বর বাদ যোহর দুপুর ২টায় উনার কভেন্ট্রির বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারনে তিনি   ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। মৃত্যুকালে উনার বয়স হয়েছিল  ৯৩ বছর। তিনি তিন ছেলে, ৫ মেয়ে , নাতি নাতনি আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য ভক্ত গুনগ্রাহি রেখেগেছেন। 

মরহুম শায়খ হাফেজ ক্বারী আমির হোসেন তার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনে প্রতিষ্ঠা করেছেন মৌলভীবাজার এর সম্পাসীতে সম্পাসী নেছারুল কোরআন হাফেজিয়া মাদরাসা এবং এতিমখানা। আবাসিক/ অনাবাসিক মিলিয়ে প্রায় ৩০০ ছাত্র ছাত্রী সেখানে লেখাপড়া করছে। ৮০\'র দশকে ইউকেতে এসে আবারো যোগ দেন দ্বীনের খেদমতে। কভেন্ট্রির প্রথম মসজিদ মসজিদ নুরুল ইসলাম জামে মসজিদ, ঈগল স্ট্রিট এ একটানা ইমামতি ও ইসলামিক শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যান একটানা ২৫ বছর। এটি ছিল তখন কভেন্ট্রির সকল মুসলিম কমিউনিটির একমাত্র মসজিদ। এরপর তিনি স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটি নিয়ে একটি বাংলাদেশী পরিচালনাধীন শাহজালাল জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। শাহজালাল মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর তিনি সেখানে দীর্ঘ দিন ইমামতি ও ইসলামিক শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যান। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি হাজারো হাফেজ কারী তৈরি করে গেছেন।

মৌলভীবাজারের সম্পাশী মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও হাজার ও  হাফিজের উস্তাদ আল্লামা আমির হোসাইন চৌধুরী হাফেজ সাব এর মৃত্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র প্রেট্রন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাসনাত এম হোসেইন এমবিই, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র প্রেট্রন সিনিয়র সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী, সংগঠন এর অন্যতম উপদেষ্টা ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান, গ্রেটার সিলেট এর সাবেক চেয়ারপার্সন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নুরুল ইসলাম মাহবুব ও সাবেক সেক্রেটারি ৭১এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর,সাবেক সদস্য সচিব ড. মুজিবুর রহমান, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মকিস মনসুর, জেনারেল সেক্রেটারি  এম আসরাফ মিয়া, ট্রেজারার মিসেস হেলেন ইসলাম, সংগঠন এর সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কনভেনর হারুনুর রশিদ, কো- কনভেনর জামাল হোসেন ও সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও ১০টি রিজিওনাল ও ৮ টি শাখা কমিটির পক্ষ থেকে এক যুক্ত শোকবার্তায় গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবারবর্গ এর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন সহ মহাণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেনো উনাকে  জান্নাতবাসী করেন এই দোয়া করার জন্য সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরুধ জানিয়েছেন। 

শোকবার্তায় আল্লামা হাফিজ আমির হোসেইন চৌধুরী (রহ.) তাঁর জীবনের সিংহভাগ সময় ব্যয় করেছেন কোরআনের খেদমতে। মৌলভীবাজারের সম্পাশীতে প্রতিষ্ঠিত তাঁর মাদরাসা থেকে গত কয়েক দশকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী হিফজ সম্পন্ন করেছেন। তাঁর হাতে গড়া হাফেজে কোরআনগণ আজ দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে ইসলাম ও কোরআনের আলো ছড়াচ্ছেন বলে উল্লেখ করে মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ালর্ড ওয়াইড এর ফাউন্ডার্স চেয়ারম্যান ও গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট  মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের স্মৃতি থেকে যায় হৃদয়ের গভীরে।  সিলেট বিভাগের বিশিষ্ট আলেম, কোরআনে হাফিজ গড়ার রূপকার ও ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রিয় ব্যক্তিত্ব আল্লামা হাফিজ আমির হোসেইন চৌধুরী (রহ.) তিনি সদা হাস্যউজ্জল সহজ সরল সাদামাটা পরোপকারী মানবতাবাদী মানবিক মানুষ ছিলেন। সকলের আপদে বিপদে সবার আগে ছুটে চলতেন। 

শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষায় আলোকিত করার পাশাপাশি এতিম ও অসহায় শিশুদের আশ্রয়ের ঠিকানা ছিলেন তিনি। শিক্ষকতা ও সমাজসেবার মাধ্যমে এলাকায় তিনি এক অসামান্য উদাহরণ সৃষ্টি করে গেছেন।তাঁর মৃত্যুতে মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের  যে ক্ষতি হল তাহা সহজে পুরণ  হবার নয়।  তাঁর প্রয়াণে সিলেট বিভাগ, মৌলভীবাজার জেলাসহ দেশ-বিদেশের ইসলামি অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

যুক্তরাজ্যে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ গুণীজন সম্মাননা প্রদান

প্রকাশিত :  ১০:৫১, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৩, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা এবং প্রবাসে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য লন্ডন মাটিতে প্রথমবারের মতো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ইউকে ২০২৬’ সম্প্রতি (১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার) যুক্তরাজ্যের রমফোর্ডের মেফেয়ার হলে দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে চট্টগ্রামের চারজন সম্মানিত সংসদ সদস্যসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীও অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। উৎসবের মূল অনুষ্ঠান যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন, সুজন বড়ুয়া,মোহাম্মদ আলী রেজা, মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মিসেস রীনা দাস, নূরুন্নবী আলী ও শাহানা মালেক।

উক্ত উৎসবে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯  আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম এবং চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর এবং মাননীয় হাই কমিশনারের পক্ষে কউন্সিলর মোরশেদুর রাহমান তালুকদার।

আরও উপস্থিত ছিলেন আইওয়ান টিভি’র প্রধান নির্বাহী আতাউল্লাহ ফারুক, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ও এটিএন বাংলার ডেপুটি ইনচার্জ মো. মনজুর কাদের, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলমগীর, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন, কাউন্সিলর ফিরোজ গনি,শওকত মাহমুদ টিপু, মো. নাজিম উদ্দিন, এমডি খান জোনায়েদ, ক্যামডেন কাউন্সিলের সাবেক মেয়র ও কাউন্সিলর নাছিম আলী ওবিই, মিসেস লিনা চৌধুরী, ড. শাহীদ চৌধুরী, জাগির আলম চৌধুরী, আরশাদ মালেক ও অনুপম শাহ, মোহাম্মদ কায়সার, সুহেল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিন, হেলেন ইসলাম, মিরা বডুয়া, হাসান আনোয়ার, রায়হান উদ্দিন চৌধুরী টিটু, ওমর বাপ্পি, নাবিল রহমান সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত উৎসবের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রদান করা হয় দানবীর বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা আলহাজ্ব সুফি মিজানুর রহমান, শিক্ষাবিদ প্রফেসর নূরুল নবী, বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা মির্জা সালমান ইস্পাহানি, দবিরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আতিক চৌধুরী কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব কাজী আবুল হোসেন বাবুল, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী, যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলমগীর এবং কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ওয়াজিদ হাসান সেলিম বিইএম।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবীণদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ আলমগীর, কামরুন নাহার বেগম, কফিল উদ্দিন, জাগির আলম চৌধুরী, গুলনাহার খান, উদয় শঙ্কর দাস, ইউসুফ মিয়া, সংযুক্তা বড়ুয়া ও লিলি বড়ুয়া। তাঁদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কমিউনিটির প্রতি অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এরপর অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পর্ব এতে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান রবি চৌধুরী’র পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সারা দিন ব্যাপি অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের স্থানীয় শিল্পী ও কবি গান ও কবিতা পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে ছিল নাচ , মুখাভিনয়, বান্ড সংগীত ও আকর্ষণীয় ফ্যাশন শো । এ ছাডাও ছিল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা। চট্টগ্রামের মেয়ে এমির পরিচালনায় ফ্যাশন শো সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উদ্যোক্তা আয়োজকদের পক্ষে মোহাম্মাদ আলী রেজা, মো. মাসুদুর রহমান, সুজন বডুয়া বলেন, চট্টগ্রাম উৎসব কোনো একক প্রতিষ্ঠানের আয়োজন নয়; এটি প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ। চট্টগ্রাম ভিত্তিক ষোলটি সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত এই আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ভুমিকা রাখেন।

চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং প্রবাসী ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

আয়োজকদের পক্ষে সুজন বডুয়া, মোহাম্মাদ আলী রেজা ও মাসুদুর রহমান আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে ও উন্মুক্ত স্থানে এ উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী আয়োজনগুলোতে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান, বলি খেলা ,আঞ্চলিক খাবার, লোকজ সংস্কৃতি ও সংগীতকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ কমিটির পক্ষ থেকে উৎসব সফল করতে সহযোগিতাকারী অতিথি, বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, পৃষ্ঠপোষক, স্বেচ্ছাসেবক ও কমিউনিটির সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

কমিউনিটি এর আরও খবর