img

‘জাসদের মশাল নিভে যায়নি, নিভবে না: মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে’

প্রকাশিত :  ১৫:০৭, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

জাসদের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লন্ডনে নেতৃবৃন্দের দৃপ্ত ঘোষণা—

‘জাসদের মশাল নিভে যায়নি, নিভবে না: মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে’
হাসানুল হক ইনু, আমীর হোসেন আমু, রাশেদ খান মেননসহ সকল রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি, মব-সন্ত্রাস ও বিচারহীনতার অবসান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি।
লন্ডন, ২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাজ্য জাসদ ও সর্ব ইউরোপীয় জাসদের যৌথ উদ্যোগে আজ সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টায় পূর্ব লন্ডনের ব্রিক লেনস্থ ক্যাফে গ্রিল রেস্তোরাঁর হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদের ৫৪ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, অর্জন ও ঐতিহাসিক ভূমিকা স্মরণ করে সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক জাতীয় পরিচয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং জনগণের মৌলিক অধিকার আজ গভীর সংকটের মুখোমুখি।
বক্তারা জাতীয় নেতা ও জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসানুল হক ইনু, প্রবীণ রাজনীতিক আমীর হোসেন আমু, রাশেদ খান মেননসহ সকল রাজবন্দির অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, হয়রানিমূলক মামলা, নির্বিচার গ্রেপ্তার এবং ভিন্নমত দমনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও অবসানের দাবি জানান।
সভায় বক্তারা দেশে মব-সন্ত্রাস, উচ্ছৃঙ্খল জনতার বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, ভয়ভীতি, বিচারহীনতা এবং যেকোনো ধরনের স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি করেন। তাঁরা জনগণের জানমাল, সম্মান ও মর্যাদার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সকল নাগরিকের সমান সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো বিদেশি চুক্তি বা সমঝোতা বাতিল করতে হবে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার চেতনা, বাঙালির অসাম্প্রদায়িক জাতীয় পরিচয় এবং বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ধ্বংসের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ভূখণ্ডের স্বাধীনতার সংগ্রাম ছিল না; এটি ছিল শোষণ, বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির ঐতিহাসিক মুক্তির সংগ্রাম।
যুক্তরাজ্য জাসদের কার্যকরী সভাপতি মুজিবুল হক মনির সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক মনি।
বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সর্ব ইউরোপীয় জাসদের সভাপতি মতিউর রহমান মতিন, যুক্তরাজ্য জাসদের সহসভাপতি আব্দুল হালিম চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলিমুজ্জামান, লন্ডন মহানগর জাসদের সাধারণ সম্পাদক সাবুল শামছুজ্জামান, যুক্তরাজ্য জাসদের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান শানুর, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল হক জিলু, সাবেক ছাত্রনেতা নওশাদ নুরসহ অন্যান্য রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রগতিশীল নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাসদের দীর্ঘ ৫৪ বছরের সংগ্রামী ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নেতৃত্বের ভূমিকা, বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের আদর্শ, সামাজিক ন্যায়বিচার, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জাসদের অবদান তুলে ধরেন।
বক্তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন—
“জাসদের মশাল নিভে যায়নি, নিভবে না। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা স্বাধীন বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগ্রামী রাজনৈতিক কর্মীদের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত জাসদ আজও তার আদর্শ, সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হয়নি। নানা প্রতিকূলতা, বিভাজন, নির্যাতন ও রাজনৈতিক সংকট অতিক্রম করেও জাসদের সংগ্রামী চেতনা আজও জীবন্ত।”
তাঁরা আরও বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সংকট উত্তরণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি, সামাজিক সংগঠন, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী, তরুণ প্রজন্ম এবং সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবি।
“আমাদের লক্ষ্য প্রতিহিংসা নয়—ন্যায়বিচার; বিভাজন নয়—জাতীয় ঐক্য; সাম্প্রদায়িকতা নয়—অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ; স্বৈরাচার নয়—জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সাংবিধানিক শাসন প্রতিষ্ঠা।”
বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ১৯৭২ সালের সংবিধানের মৌলিক রাষ্ট্রীয় আদর্শের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পুনরুদ্ধার এবং পুনর্জয়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংগ্রাম গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে উপস্থিত অতিথি, নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের মধ্য দিয়ে জাসদের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
জাসদের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অঙ্গীকার—
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখো, সকল রাজবন্দির মুক্তি নিশ্চিত করো, মব-সন্ত্রাস ও বিচারহীনতা রুখে দাঁড়াও, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হও।
জয় বাংলা। জয় সমাজতন্ত্র।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও দ্বৈত নাগরিকদের ভোটে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করণসহ প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধের আহ্বান

প্রকাশিত :  ১৫:২৯, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৫৯, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকায় মন্ত্রী ও এমপিদের সাথে সম্মিলিত প্রবাসী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ সভাপতির বৈঠক

ঢাকা, ১লা নভেম্বর ২০২৬: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর এবং একাধিক সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে সফরত যুক্তরাজ্যের ইমিগ্রেশন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও সম্মিলিত প্রবাসী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন। পৃথক পৃথক সাক্ষাৎকালে তিনি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের নানা বিড়ম্বনতা ও সমস্যার কথা তাদের কাছে তুলে ধরেন। এসময় তিনি নবগঠিত সম্মিলিত প্রবাসী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের কার্যক্রম, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন। 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকায় আইনমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে পরিষদের সভাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেইন এবং সংগঠনটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. এডিএম ইউনুস প্রমুখ।

অন্যদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত পৃথক সাক্ষাতে জাজ বেলায়েত হোসেইনের সঙ্গে ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. এডিএম ইউনুস।

এ ছাড়া সফরকালে তিনি নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম এবং ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।

সাক্ষাৎকালে পরিষদের সভাপতি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেড় কোটির বেশি বাংলাদেশি স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন। এসব প্রবাসীর মধ্যে শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত রয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। পাশাপাশি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও মানবাধিকার সুরক্ষার আন্দোলনেও প্রবাসীদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। তিনি এসময় বলেন, প্রত্যেক প্রবাসী মূলত ওইসব দেশে বাংলাদেশের অ্যাম্বেসেডর। 

প্রবাসীদের নানারকমের হয়রানির কথা উল্লেখ করে তিনি মন্ত্রিদের বলেন, দেশের অর্থনীতিতে এত বড় অবদান রাখার পরও প্রবাসীরা তাঁদের প্রাপ্য অধিকার ও মর্যাদা বঞ্চিত হন এবং জায়গায় জায়গায় অবহেলা ও হয়রানির শিকার হন। বিশেষ করে বাংলাদেশের বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি, বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে সেবা পেতে ভোগান্তি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহির অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জাজ বেলায়েত হোসেইন বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স নিয়ে রাষ্ট্র গর্ব করা হয়। অথচ, কোন সরকারের আমলেই প্রবাসীদের মৌলিক সমস্যা গুলোর সমাধানের উদ্যোগ দেখা যায় না। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। প্রবাসীরা নিজের দেশ, সম্পদ ও আত্মীয়স্বজন রেখে বিদেশে যান। অনেকে এসে দেখতে তাদের সম্পদ বেহাত হয়ে গেছে। প্রবাসীদের সম্পদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।  

সকল প্রবাসীকে দ্রুত ভোটার তালিকাভুক্ত করে নিজ-নিজ অবস্থান থেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্বৈত নাগরিকত্বধারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের নির্বিঘ্নে ভোটে অংশ নেওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোন গণতান্ত্রিক দেশে এই নিয়ম নেই যে, দ্বৈত নাগরিত্ব থাকালে ভোটে অংশ নিতে পারবে না। এ সময় তিনি কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উদাহরণ দিয়ে বলেন, কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৩টি দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। ফ্যান্সে নিজ দেশের প্রবাসীরা ভোটে অংশ নিতে পারে এবং এমন ৯জনের বেশি সংসদ সদস্য রয়েছেন যারা দ্বৈত নগারিক এবং প্রবাসী। তারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িতদ্ব পালন করছেন। অথচ বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ ও অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনায় প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর রাষ্ট্রীয় নীতিমালা, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের প্রাপ্য নাগরিক অধিকার সুনিশ্চিত করা, দূতাবাস ও হাইকমিশনের সেবার মান বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রীদ্বয় ও সংসদ সদস্যরা মনোযোগ দিয়ে তার কথা গুলো শোনেন এবং সেগুলো সমাধানে সম্ভাব্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জাজ মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেইন ব্যস্ততার মধ্যেও সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া এবং আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য দাবি আদায় এবং তাঁদের মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে সম্প্রতি লন্ডনে গঠিত হয়েছে ‘সম্মিলিত প্রবাসী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ’। সংগঠনটির সভাপতি জাজ মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেইন বর্তমানে সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি সরকারের নীতিনির্ধারক ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে সাক্ষাৎ করে প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরছেন।

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

কমিউনিটি এর আরও খবর