img

টাওয়ার হ্যামলেটস উইমেন্স অ্যাওয়ার্ড এর জন্য অসাধারণ মহিলাকে মনোনীত করুন

প্রকাশিত :  ০০:০৪, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটস উইমেন্স অ্যাওয়ার্ড এর জন্য অসাধারণ মহিলাকে মনোনীত করুন

লিঙ্গ সমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারে সাহায্যকারী অসাধারণ নারীদের কাজের মূল্যায়ন করা হবে টাওয়ার হ্যামলেটস উইমেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬—এর মাধ্যমে। এবার তৃতীয় বর্ষের মতো এই এওয়ার্ড প্রদান করা হচ্ছে। এওয়ার্ডের মাধ্যমে বারার মহিলাদের অর্জন, নেতৃত্ব এবং ইতিবাচক প্রভাবকে বরণ করে নেওয়া হবে।
লিঙ্গ বৈষম্য মোকাবিলা করে স্থানীয় নারীদের কণ্ঠস্বর, প্রতিভা এবং অবদানকে আরো জোরদার করার প্রচেষ্টাকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে ২০২৪ সালে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল এবং ওমেন্স কমিশন যৌথভাবে এই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করে।
এই এওয়ার্ড প্রসঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “টাওয়ার হ্যামলেটসের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক জীবনে নারীরা মূল্যবান অবদান রেখে যাচ্ছেন। তাদের নেতৃত্ব, নিষ্ঠা এবং দৃঢ়তা আমাদের বারাকে আরো ভালোর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “যে নারী কাজের মাধ্যমে স্থাণীয়ভাবে প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছেন তাদের অর্জনের উপর আলোকপাত করে মনোনীত করার জন্য আমি সবাইকে উৎসাহিত করছি।”


এই বছর ৮টি ক্যাটাগরিতে এওয়ার্ড প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যারিয়ার অব দ্যা ইয়ার, বিজনেস এক্সেলেন্স অব দ্যা ইয়ার, ইয়ং ওমেন অব দ্যা ইয়ার, লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট এওয়ার্ড।
অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পত্র পাওয়া যাচ্ছে আমাদের ওয়েব সাইটে  (www.towerhamlets.gov.uk/IWDAwards) এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারী।
বাসিন্দা, যাদের পেপার কপির প্রয়োজন রয়েছে তারা ইমেইল করতে পারেন: Equalities@towerhamlets.gov.uk
আগামী ২৩ শে মার্চ, সোমবার টাউন হলে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আপনার টিকেট বুক করতে পারেন নিচের ওয়েব সাইটে:

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ইতালিতে নয়ন খুনের নেপথ্যে বড় ভাইয়ের পরকীয়া

প্রকাশিত :  ১৬:৪০, ০১ মে ২০২৬

শোকের মাতম থামছেই না মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে। ইতালির লেইজ শহরে বড় ভাই হুমায়ুন ফকিরের হাতে ছোট ভাই নয়ন ফকির খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। বিদেশের মাটিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বড় ভাইয়ের পরকীয়া, দ্বিতীয় বিয়ে এবং আর্থিক দ্বন্দ্বের এক জটিল সমীকরণ।

জানা যায়, ঘাতক হুমায়ুন ফকিরের প্রথম স্ত্রী আমেনা আফরিন থাকলেও, তিনি তায়েবার (চাচাতো বোন) সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন।

তিন বছর আগে টেলিফোনে আমেনাকে (প্রথম স্ত্রী) বিয়ে করলেও, হুমায়ুন দুই বছর আগে ছুটিতে দেশে এসে গোপনে চাচাতো বোন তায়েবাকে (দ্বিতীয় স্ত্রী) বিয়ে করেন। এই দ্বিতীয় বিয়েটি হুমায়ুনের মা-বাবা এবং পরিবার মেনে নেয়নি। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল।

পরে হুমায়ুনের দ্বিতীয় স্ত্রী তায়েবাকে বাড়িতে তোলার খবর শুনে তার বাবা দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 এ কারণে নিজের মা-বাবা ও ছোট ভাই নয়নের ওপর চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন হুমায়ুন। প্রথম স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে একটি সমঝোতাও করেছিলেন হুমায়ুন।

এ ছাড়া বড় ভাই হুমায়ুন ছোট ভাই নয়নকে ১৩ লাখ টাকা খরচ করে ইতালি নিলেও, নয়ন তাকে বিভিন্ন সময়ে ২০ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হুমায়ুন তার মা-বাবার ভরণপোষণ বাবদ খরচ করা ১৬ লাখ টাকার অর্ধেক, অর্থাৎ ৮ লাখ টাকা নয়নের কাছে দাবি করেন।

নয়ন সেই টাকা দিতে রাজি হওয়া সত্ত্বেও হুমায়ুন পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে পরিবারের অভিযোগ।

নিহত নয়ন ও ঘাতক হুমায়ুনের একমাত্র বোন দিলারা আক্তার তার বড় ভাইয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি করেছেন। অন্যদিকে, প্রথম স্ত্রী আমেনা আফরিন অভিযোগ করেছেন যে, হুমায়ুন তাকে নিয়মিত মানসিক নির্যাতন করতেন এবং ভরণপোষণ দিতেন না। অভিযুক্ত হুমায়ুন বর্তমানে ইতালি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইতালির সময় বিকেল ৫টায় নয়ন তার বড় ভাই হুমায়ুনের বাড়ির নিচে বৈদ্যুতিক সাইকেল চার্জ দিতে যান।

নয়ন যখন প্লাগ লাগাতে নিচু হন, তখন ওত পেতে থাকা হুমায়ুন পেছন থেকে ছুরি দিয়ে নয়নের পিঠে ও মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর ভিডিও কলের মাধ্যমে মরদেহ দেশে থাকা মা-বাবাকে দেখান হুমায়ুন।

কমিউনিটি এর আরও খবর