img

মেট্রোরেল স্টেশনে কনটেন্ট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত :  ০৫:২৭, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেট্রোরেল স্টেশনে কনটেন্ট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা

মেট্রো স্টেশন এলাকায় কনটেন্ট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ।

ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ. কে. এম. খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মেট্রোরেল স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম, কনকোর্স হল, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ এবং ট্রেনের ভেতরে পূর্বানুমতি ছাড়া যেকোনো ধরনের ভিডিও ধারণ বা প্রচার করা এখন থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বিশেষ করে ইউটিউব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য শর্ট ভিডিও তৈরি, লাইভ স্ট্রিমিং কিংবা বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ফটোগ্রাফি ও শুটিংয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে কেউ এসব কার্যক্রম পরিচালনা করলে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ আরও স্পষ্ট করেছে, মেট্রোরেল এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের শুটিং বা ফটোগ্রাফি করতে হলে ‘বাণিজ্যিক স্পেস ভাড়া/ইজারা নীতিমালা ২০২৩’ অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আগে থেকেই কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে অনুমতি সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। মূলত যাত্রীসাধারণের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮২৫

প্রকাশিত :  ১০:৩৭, ২৭ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:২২, ২৭ জুলাই ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৮২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে হাম ও উপসর্গের রোগী ১ হাজার ১০৫ জন।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৩০ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮২৫ শিশু মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪৫ আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৫৫।

এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫৪ রোগী। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৬৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর