img

২৬ জুলাই ব্রাডি আর্ট সেন্টারে সংহতি সাহিত্য পরিষদের কবিতা উৎসব ২০২৬

প্রকাশিত :  ০৭:৩৫, ০৮ মার্চ ২০২৬

২৬ জুলাই ব্রাডি আর্ট সেন্টারে সংহতি সাহিত্য পরিষদের কবিতা উৎসব ২০২৬

পূর্ব লন্ডনের মাহি এন্ড কোং অফিসে সংহতি সাহিত্য পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৬টায় সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালিত হয়।

সভায় আসন্ন কবিতা উৎসব ২০২৬ এবং সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে পূর্ব লন্ডনের Brady Arts Centre-এ সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দিনব্যাপী কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের কবিতা উৎসবের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে দেশের প্রতিটি জেলার আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা নিয়ে একটি আঞ্চলিক কবিতা সংকলন প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে শিগগিরই কবিতা আহ্বান ও সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হবেবলে সভায় জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ফারুক আহমদ রনি, মোঃ আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, হেলাল উদ্দিন,  মোঃ ইকবালুল হক, মোহাম্মদ ইকবাল, শাহেদ চৌধুরী, নজরুল  আলম আনাই, এনামুল হক, মিতা তাহের, নাজমিন হক, সামসুল হক এহিয়া, আনোরুল ইসলাম অভি, গৌরব রায়, আবিদা সুলতানা লাকী, ফরিদা ইয়াসমিন এবং এম মোসাইদ খান প্রমুখ।

সংহতির পক্ষ থেকে ইফতার আয়োজনকে সফল ও অর্থবহ করে তোলার জন্য সকল মহিলা সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হচ্ছে।

তাদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে এই ইফতার আয়োজন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণে পরিণত হয়েছে। সংগঠনের কার্যক্রমে এমন সক্রিয় ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ ভবিষ্যতেও আমাদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে—এই প্রত্যাশা রইল। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংহতি আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়ে উঠুক—এই কামনা করছি।

সভা শেষে সভাপতি উপস্থিত সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণাকরেন। উপস্থিত সদস্যবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, গৃহীত উদ্যোগসমূহ আগামী কবিতাউৎসবকে আরও বর্ণাঢ্য ও তাৎপর্যময় করে তুলবে।



কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ইতালিতে নয়ন খুনের নেপথ্যে বড় ভাইয়ের পরকীয়া

প্রকাশিত :  ১৬:৪০, ০১ মে ২০২৬

শোকের মাতম থামছেই না মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে। ইতালির লেইজ শহরে বড় ভাই হুমায়ুন ফকিরের হাতে ছোট ভাই নয়ন ফকির খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। বিদেশের মাটিতে এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বড় ভাইয়ের পরকীয়া, দ্বিতীয় বিয়ে এবং আর্থিক দ্বন্দ্বের এক জটিল সমীকরণ।

জানা যায়, ঘাতক হুমায়ুন ফকিরের প্রথম স্ত্রী আমেনা আফরিন থাকলেও, তিনি তায়েবার (চাচাতো বোন) সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন।

তিন বছর আগে টেলিফোনে আমেনাকে (প্রথম স্ত্রী) বিয়ে করলেও, হুমায়ুন দুই বছর আগে ছুটিতে দেশে এসে গোপনে চাচাতো বোন তায়েবাকে (দ্বিতীয় স্ত্রী) বিয়ে করেন। এই দ্বিতীয় বিয়েটি হুমায়ুনের মা-বাবা এবং পরিবার মেনে নেয়নি। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল।

পরে হুমায়ুনের দ্বিতীয় স্ত্রী তায়েবাকে বাড়িতে তোলার খবর শুনে তার বাবা দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 এ কারণে নিজের মা-বাবা ও ছোট ভাই নয়নের ওপর চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন হুমায়ুন। প্রথম স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে একটি সমঝোতাও করেছিলেন হুমায়ুন।

এ ছাড়া বড় ভাই হুমায়ুন ছোট ভাই নয়নকে ১৩ লাখ টাকা খরচ করে ইতালি নিলেও, নয়ন তাকে বিভিন্ন সময়ে ২০ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হুমায়ুন তার মা-বাবার ভরণপোষণ বাবদ খরচ করা ১৬ লাখ টাকার অর্ধেক, অর্থাৎ ৮ লাখ টাকা নয়নের কাছে দাবি করেন।

নয়ন সেই টাকা দিতে রাজি হওয়া সত্ত্বেও হুমায়ুন পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে পরিবারের অভিযোগ।

নিহত নয়ন ও ঘাতক হুমায়ুনের একমাত্র বোন দিলারা আক্তার তার বড় ভাইয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দাবি করেছেন। অন্যদিকে, প্রথম স্ত্রী আমেনা আফরিন অভিযোগ করেছেন যে, হুমায়ুন তাকে নিয়মিত মানসিক নির্যাতন করতেন এবং ভরণপোষণ দিতেন না। অভিযুক্ত হুমায়ুন বর্তমানে ইতালি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইতালির সময় বিকেল ৫টায় নয়ন তার বড় ভাই হুমায়ুনের বাড়ির নিচে বৈদ্যুতিক সাইকেল চার্জ দিতে যান।

নয়ন যখন প্লাগ লাগাতে নিচু হন, তখন ওত পেতে থাকা হুমায়ুন পেছন থেকে ছুরি দিয়ে নয়নের পিঠে ও মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর ভিডিও কলের মাধ্যমে মরদেহ দেশে থাকা মা-বাবাকে দেখান হুমায়ুন।

কমিউনিটি এর আরও খবর