img

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে ৮ শিশু নিহত

প্রকাশিত :  ১৯:৫৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে ৮ শিশু নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে ৮ শিশু নিহত হয়েছে। দেশটির লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে গোলাগুলিতে তারা নিহত হয়। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শ্রিভপোর্ট পুলিশের প্রধান ওয়াইনি স্মিথ জানিয়েছেন, এটি একটি পারিবারিক-সম্পর্কিত হামলার ঘটনা। নিহত শিশুদের বয়স এক থেকে প্রায় ১৪ বছরের মধ্যে। এ ঘটনায় মোট ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল।

তিনি জানান, পুলিশের ধাওয়ার পর বন্দুকধারীও নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি একটি গাড়ি ছিনতাই করে। এরপর পুলিশ তাকে অনুসরণ করে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনটি পৃথক স্থানে এ হামলা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গুলিবিদ্ধ শিশুদের মধ্যে কয়েকজন হামলাকারীর আত্মীয় রয়েছে।

স্মিথ বলেন, এটি একটি ভয়াবহ ঘটনা। আমাদের অনেকে আগে কখনো এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়নি।

লুইজিয়ানা স্টেট পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থাকে তদন্তে সহায়তা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার সকালে বোজিয়ার সিটিতে পুলিশি ধাওয়ার সময় গোলাগুলি হয়েছে। তবে এতে কোনো পুলিশ সদস্য আহত হননি।

পুলিশ সাধারণ জনগণের কারও কাছে ছবি, ভিডিও বা তথ্য থাকলে তদন্তকারীদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠাবে না ইরান

প্রকাশিত :  ১৫:২৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের শান্তি আলোচনায় অংশ না নেওয়ার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন শান্তি আলোচনায় কোনো প্রতিনিধি দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান তার পূর্বের অবস্থানে সম্পূর্ণ অনড়। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোতে যতক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোচনা বা কূটনৈতিক তৎপরতায় বসবে না ইরান।

এদিকে, কূটনীতির মাঠে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন আগামীকাল সোমবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠককে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের ‘শেষ সুযোগ’ হিসেবে প্রচার করলেও, তেহরানের এই অনড় সিদ্ধান্তে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একতরফা অবরোধ অব্যাহত রেখে আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা প্রায় অসম্ভব, যা ইরানের এই সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়েছে।

গত কয়েক দিনে ট্রাম্প প্রশাসন কেবল অবরোধই আরোপ করেনি, বরং আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি জাহাজ জব্দ এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই হুমকির পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও তাদের সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের সামরিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের সেনারা এখন ‘আঙুল ট্রিগারে’ রেখেই যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

শান্তি আলোচনার আগে দুই পক্ষের এই বৈরী আচরণ ও সামরিক হুঙ্কার মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।