img

হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান ‘মাত্র শুরু’ হয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ১৮:৩৩, ০৫ মে ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান ‘মাত্র শুরু’ হয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে শুরু হওয়া ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানটি সাময়িক। এর মাধ্যমে এই সমুদ্রপথে একটি ‘নিরাপদ করিডোর’ তৈরি করা হচ্ছে।

আল-জাজিরা অ্যারাবিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেন্টকমের মুখপাত্র বলেন, এই অভিযানটি ‘মাত্র শুরু’ হয়েছে। ইতিমধ্যে জাহাজ মালিক এবং বিমা কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।

সেন্টকমের ওই মুখপাত্র আরও জানান, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে এই প্রণালি অতিক্রম করতে পারে, তা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ও আঞ্চলিক অর্থনীতি—উভয়ই লাভবান হবে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই বিশেষ নিরাপত্তা অভিযান শুরু করল।

সূত্র: আল–জাজিরা

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

রয়টার্সের প্রতিবেদন

img

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে ‘সমঝোতার পথে’ যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ১৩:২৯, ০৬ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক (মেমো) চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। দুদেশের মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত একটি পাকিস্তানি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।

আজ বুধবার (৬ মে) সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। দ্রুতই একটি এক পৃষ্ঠার মেমোতে সমঝোতা হতে পারে। 

এমন তথ্য আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। গণমাধ্যমটিকে সূত্র বলেছেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই এটি (সমঝোতা স্বাক্ষর) সম্পন্ন করব। আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ের খুব কাছাকাছি আছি।’

প্রতিবেদন বলা হয়েছে, এই মেমোটি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একটি প্রাথমিক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। পরবর্তীতে বিস্তারিত শর্তাবলি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিয়ে আরও আলোচনা হতে পারে।

অ্যাক্সিওস প্রতিবেদনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া আশা করছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই উভয় পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ের আলোচনা।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হয়, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর