img

ছয় বছর পর সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল

প্রকাশিত :  ০৯:১১, ২০ আগষ্ট ২০২৬

ছয় বছর পর সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল

রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার প্রায় ছয় বছর পর চলতি মাসেই যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনা করছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। ২০২০ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে সরে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়া এই দম্পতি এবার সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্রিটেনে থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে ব্রিটিশ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে তারা পুনরায় রাজকীয় দায়িত্বে ফিরছেন না এবং যুক্তরাজ্যে কোনো রাজকীয় বাসভবনেও থাকবেন না। 

পিপল ম্যাগাজিন এবং ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ডিউক এবং ডাচেস অব সাসেক্স দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া থেকে যুক্তরাজ্যে তাদের সন্তান ৭ বছর বয়সী প্রিন্স আর্চি এবং ৫ বছর বয়সী প্রিন্সেস লিলিবেটকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে আসছেন। 

হ্যারির মুখপাত্র বা বাকিংহাম প্যালেসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, এই দম্পতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র প্রতিবেদনগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

দ্য টেলিগ্রাফের মতে, এই দম্পতি কোনো রাজকীয় বাসভবনে থাকবেন না। ২০২০ সালের মার্চ মাসে তারা যখন চলে যান, তখন প্রয়াত রানি এলিজাবেথের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল, সেই অনুযায়ী তারা কর্মহীন রাজকীয় সদস্য (নন-ওয়ার্কিং রয়্যালস) হিসেবেই থাকবেন।

২০১৮ সালে উইন্ডসর ক্যাসেলে এক অনুষ্ঠানে মেগান মার্কেলকে বিয়ে করেন হ্যারি। আশা করা হয়েছিল যে সাবেক এই অভিনেত্রীর সঙ্গে তার বিয়ে ঐতিহাসিক এই প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরুজ্জীবিত করবে, যার মা একজন কৃষ্ণাঙ্গ।

কিন্তু রাজপরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ফাটল দেখা দিতে বেশি সময় লাগেনি। দুই বছর পর ২০২০ সালের মার্চ মাসে তারা ঘোষণা করেন, তারা দাপ্তরিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাবেন। 

তারা ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারার কাছে মন্টেসিটো নামের একটি অভিজাত সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় বসবাস শুরু করেন। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে তাদের কেনা ১৬ বেডরুমের বাড়িটির মূল্য ছিল ১৪.৭ মিলিয়ন ডলার।

পরবর্তী বছরগুলোতে, বর্তমানে ৪১ বছর বয়সী হ্যারি এবং ৪৫ বছর বয়সী মেগান বারবার টিভি সাক্ষাৎকারে, নেটফ্লিক্সের একটি ডকুমেন্টারি সিরিজে এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্যারির আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’-এ রাজপরিবার ও রাজতন্ত্রের সমালোচনা করেছেন।

২০২১ সালে অপরাহ উইনফ্রিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেগান বলেছিলেন, পরিবারের এক নাম না জানা সদস্য তাদের ছেলে আর্চির গায়ের রঙ কতটা গাঢ় হতে পারে তা জানতে চেয়েছিলেন। এর জবাবে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী ও হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম ব্রিটেনের রাজপরিবার বর্ণবাদী হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

বাবা রাজা চার্লস এবং প্রিন্স উইলিয়ামের প্রতি হ্যারির কিছু সুনির্দিষ্ট কড়া মন্তব্য ছিল, যার ফলে তাদের সম্পর্কের পুরোপুরি অবনতি ঘটে।

ব্রিটিশ সরকার তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা পরিবর্তন করায় হ্যারিও ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্বয়ংক্রিয় পুলিশি সুরক্ষার অভাবের অর্থ হলো তিনি তার সন্তানদের ব্রিটেনে আনতে অক্ষম।

এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রিন্স হ্যারি। পাশে দাঁড়িয়ে আছেন রাজা চার্লস, রানি ক্যামিলা ও মেগান মার্কেল। ফাইল ছবি/এএফপি

এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রিন্স হ্যারি। পাশে দাঁড়িয়ে আছেন রাজা চার্লস, রানি ক্যামিলা ও মেগান মার্কেল। ফাইল ছবি/এএফপি

তবে সেপ্টেম্বরে রাজার সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে বলে মনে হয়েছিল। ২০ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো বাবা ও ছেলের সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হয়। ২০২৪ সালে চার্লসের শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। গত ডিসেম্বরে তিনি টেলিভিশনে ঘোষণা করেছিলেন, চিকিৎসায় তিনি ‘অসাধারণভাবে ভালো’ সাড়া দিয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা কমিয়ে আনছেন।

গত মাসে হ্যারি, মেগান ও তাদের সন্তানেরা ব্রিটেন সফর করেন এবং ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো চার্লস তার নাতি-নাতনিদের দেখেন।

তবে, রাজা সাসেক্সদের সঙ্গে আরও বেশি দেখা করার সুযোগকে স্বাগত জানালেও, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে তিনি কেবল রোববার এই দম্পতির ব্রিটেনে ফেরার পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে পেরেছেন।

হ্যারি এবং রাজার সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হলেও, ভাইয়ের সঙ্গে এখনও তার বলতে গেলে কোনো কথাই হয় না।

হলিউডের ঠিক উত্তরে নিজেদের বাড়ি থেকে হ্যারি ও মেগান বেশ কয়েকটি মিডিয়া উদ্যোগ শুরু করেছিলেন। একটি পডকাস্ট সিরিজের জন্য স্পটিফাই-এর সঙ্গে এবং সাবেক অভিনেত্রী মেগানের সঞ্চালনায় একটি লাইফস্টাইল শো-সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য নেটফ্লিক্সের সাথে কয়েক মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন তারা।

এই প্রকল্পগুলোর মিশ্র ফলাফল দেখা যায়। হ্যারির আত্মজীবনীমূলক বইটি বেস্টসেলার হলেও তাদের পডকাস্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং মেগানের নেটফ্লিক্স শো তৃতীয় সিজনের জন্য নবায়ন করা হয়নি। 


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

শ্রীমঙ্গলে মোবাইল কোর্টে ১,০০০ ঘনফুট বালু জব্দ, মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রকাশিত :  ০৯:১৭, ১৯ আগষ্ট ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছবপুর-নোয়াগাঁও গ্রামের রাবার ফ্যাক্টরিসংলগ্ন জাগছড়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। ফলে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ হাজার ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়েছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি), শ্রীমঙ্গল-এর নামে পরিচালিত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া তথ্য ও ছবিতে এ অভিযানের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ইছবপুর-নোয়াগাঁও গ্রামের রাবার ফ্যাক্টরিসংলগ্ন জাগছড়া এলাকায়, মৌলভীবাজার সড়কের ৮ নম্বর পুলের কাছে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কোনো আসামিকে পাওয়া যায়নি। এ কারণে কাউকে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযানে প্রায় ১ হাজার ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করে স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা বালু বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

বারবার অভিযান, তবু বন্ধ হচ্ছে না বালু উত্তোলন

প্রকৃতি ও পরিবেশগত বৈচিত্র্যের কারণে শ্রীমঙ্গল উপজেলা চারদিকে পাহাড়-টিলা, বনাঞ্চল ও চা-বাগানঘেরা। এ উপজেলায় রয়েছে অসংখ্য পাহাড়ি ছড়া, যেগুলো স্থানীয়ভাবে ছোট নদী হিসেবেও পরিচিত। এসব ছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ প্রভাবশালী গোষ্ঠী এসব অবৈধ বালু উত্তোলনের পেছনে অর্থায়ন করে। ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের জন্য শ্রমিক নিয়োগের পাশাপাশি বালু পরিবহনে ট্রাক, চালক ও হেলপার এবং তদারকির জন্য লোকজন রাখা হয়। পরে উত্তোলিত বালু বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়।

উপজেলার ভুনবীর ও সিন্দুরখান ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু বহনকারী ট্রাকের ধাক্কায় এক বৃদ্ধা, এক শিশুকন্যা ও এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্র ও অতীতের সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ বিভিন্ন সময়ে সড়কে নেমে আন্দোলন করেছেন। আন্দোলন ও প্রশাসনের অভিযানের পর কিছু সময়ের জন্য বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও পরে আবার তা শুরু হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

অবৈধ বালু উত্তোলনে সাংবাদিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে একজন সাংবাদিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগও সামনে এসেছে। দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর মৌলভীবাজার প্রতিনিধি মো. সাইফুল ইসলাম তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ-সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করেছেন। তাঁর পোস্টে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, কিংবা তাঁকে আটক করা হয়েছে কি না—এমন কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি।

অভিযানের আগেই পালিয়ে যায় সংশ্লিষ্টরা

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসন প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করলেও অভিযানের খবর আগে থেকেই পেয়ে যায় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা। ফলে অভিযানপরিচালনার সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কাউকে পাওয়া যায় না।

এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের পেছনে যারা অর্থায়ন করেন, তাঁরা সাধারণত সরাসরি ঘটনাস্থলে থাকেন না। ফলে শ্রমিক, ট্রাকচালক, হেলপার কিংবা বালু উত্তোলনের তদারকিতে নিয়োজিত ব্যক্তিরা মাঝেমধ্যে আটক হলেও অর্থের জোগানদাতারা থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের কেউ কেউ এসব অর্থ জোগানদাতার রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁদের অনেকে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। 

নিরাপত্তার কারণে স্থানীয় অনেক মানুষও এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না বলে জানা গেছে। তাঁদের আশঙ্কা, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কথা বললে তাঁরা নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে পারেন।

খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মী আক্রান্ত

শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে এক গণমাধ্যমকর্মী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হামলার শিকার হয়েছেন বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের প্রভাব ও স্থানীয় পর্যায়ে তাঁদের নিয়ে মানুষের ভীতির বিষয়টি সামনে এসেছে।

স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ি ছড়া থেকে নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহ ও আশপাশের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে অবৈধ বালুবাহী যান চলাচল বাড়ায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টিও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও অভিযানের সময় মূল ব্যক্তিদের ঘটনাস্থলে না পাওয়ার বিষয়টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, শুধু ঘটনাস্থলে থাকা শ্রমিক বা পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে অবৈধ বালু উত্তোলনের মূল উৎস বন্ধ করা কতটা সম্ভব?

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি অর্থের জোগানদাতা, সংগঠক ও সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। তা না হলে একদিকে যেমন পাহাড়ি ছড়া ও পরিবেশের ক্ষতি অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে অবৈধ বালুবাহী যান চলাচল ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকিও কমবে না।