img

সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮

প্রকাশিত :  ১১:২৬, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 সুনামগঞ্জে লাশ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স খাদে, নারী ও শিশুসহ আহত ৮

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশে একটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে শিশু ও নারীসহ আটজন আহত হয়েছেন। অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা থেকে একটি মরদেহ নিয়ে সুনামগঞ্জে ফিরছিল।

আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের ও মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্থানীয়রা জানান, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক গ্রামের হেলাল মিয়ার মেয়ে নাদিয়া আক্তার (১৯) ঢাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। সকালে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে সদরপুর এলাকায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

পরে স্থানীয় এক পথচারী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খাদ থেকে মরদেহসহ অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সবাইকে উদ্ধার করেন। এতে নারীও শিশুসহ অনন্ত ৮ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স করে তাদের জামালগঞ্জে পাঠানো হয়।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. ফজল মিয়া বলেন, জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক গ্রামের একটি মেয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকায় মারা গেছেন। স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ নিয়ে আজ সকালে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সদরপুর এলাকায় সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। একজন পথচারীর মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহসহ সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহসহ ১০-১২ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে তাদের আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

জকিগঞ্জে নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৩০, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেটের জকিগঞ্জে নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মা ও চার বছর বয়সী মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়া থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তারা হলেন ওই গ্রামের চম্পা রাণী দাস (৩৫) ও তার চার বছর বয়সি মেয়ে হৃদি দাস। চম্পা রাণী দাস শাহগলী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী রতন দাসের স্ত্রী।

নিহতদের স্বজন ও রতন দাসের চাচাতো ভাই সজল দাস জানান, নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে চম্পা রাণী দাস ও তার কন্যাশিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কী কারণে মা-মেয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, তা তারা বুঝতে পারছেন না। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা।

জকিগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মা ও মেয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করছে।


সিলেটের খবর এর আরও খবর