img

আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে'র কার্ডিফ ব্রাঞ্চের মেম্বারশিপ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ১০:৩৮, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৫, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে'র কার্ডিফ ব্রাঞ্চের মেম্বারশিপ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে'র সাউথ ওয়েলস ডিভিশনের কার্ডিফ ব্রাঞ্চের উদ্যোগে মেম্বারশিপ কনফারেন্স ২০২৬  ওয়েলসের  রাজধানী কার্ডিফের বাংলাদেশ সেন্টারে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর মুহতারাম সভাপতি সাবেক এমপি হজরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।
সংগঠনের কার্ডিফ ব্রাঞ্চের সভাপতি ক্বারি মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় গত ১১ ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই মহতি পোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে'র জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান, সেন্ট্রাল কাউন্সিল মেম্বার কাউন্সিলর দিলওয়ার আলী, ওয়েলস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট হাফিজ মাওলানা ফারুক আহমেদ, ওয়েলস ডিভিশনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ার আলী, বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জালালিয়া  মসজিদের ঈমাম ও খতীব মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মুক্তাদির, ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার, জেনারেল সেক্রেটারি আনসার মিয়া, সংগঠনের জয়েন্ট সেক্রেটারি ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুর, ট্রেজারার ক্বারী শাহ তসলিম আলী, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি সৈয়দ শামসুল হক রানু, 

ট্রেনিং এন্ড এম্পলয়মেন্ট সেক্রেটারি আব্দুল আজিজ আতিকুজ্জামান, মেম্বারশিপ সেক্রেটারি ক্বারি মুজাম্মিল আলী ও শাহজালাল মসজিদের সহকারী ঈমাম মাওলানা হাফিজ তাওহিদুল হক প্রমুখ।

সংগঠনের ব্রাঞ্চ কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা জালাল উদ্দীনের কোরআন তিলাওয়াত ও সদস্য মাওলানা মাকসুদুর রহমানের নাতে রাসুলের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মেম্বারশিপ কনফারেন্সে অন্যান্যদের মধ্যে সংগঠনের ব্রাঞ্চ কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অজিহুর রহমান মিজান,ভাইস প্রেসিডেন্ট জিলু মিয়া, এডুকেশন এন্ড কালচারাল সেক্রেটারি হাফিজ ইমরান আহমদ, ট্রেইনিং এন্ড এম্পলয়মেন্ট সেক্রেটারি হাফিজ ইব্রাহিম আলী মাসুদ, ও এক্সিউটিভ মেম্বার সেলিম আহমদ সহ  সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

কনফারেন্সে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, সদস্য বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভার শুরুতেই সম্মানিত প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নব প্রজন্মের সন্তান মেহরাজ আহমেদ সহ কার্ডিফ ব্রাঞ্চ কমিটির নেতৃবৃন্দ। 

এদিকে  আনজুমানে আল- ইসলাহ ইউকে'র ওয়েলস ডিভিশনের কার্ডিফ ব্রাঞ্চের উদ্দ্যোগে জালালিয়া মসজিদে মিলাদ এবং ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর মুহতারাম সভাপতি সাবেক এমপি হজরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য শেষে দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন। 

এর পূর্বে কার্ডিফজালালিয়া মসজিদ কমিটির সাথে অফিস হলে তিনি মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি কার্ডিফের  বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সেন্টারে পরিচালিত কার্ডিফ দারুস সুন্নাহ উইকেন্ড মাদ্রাসা ও পরিদর্শন করেছেন। 

মেম্বারশিপ কনফারেন্সে বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর মুহতারাম সভাপতি হযরত মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী বলেছেন, সুন্দর ও সফল জীবন গঠনের জন্য মানুষের ভালো কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকা, সবসময় ভালো চিন্তা ও কল্যাণকর ভাবনাকে হৃদয়ে লালন করা এবং সত্যবাদী ও নেককার মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, ভালো মানুষের সঙ্গ মানুষের জীবনকে আলোকিত করে এবং তাকে সঠিক পথের সন্ধান দেয়। পক্ষান্তরে অসৎ সঙ্গ মানুষকে ধীরে ধীরে ভুল ও অন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে পারে। এজন্য আমাদের উচিত সত্যবাদী ও আল্লাহভীরু মানুষের সান্নিধ্যে থাকা এবং সমাজে এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে মানুষ নৈতিকতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা করতে পারে।

তিনি বলেন, একজন মানুষের বাহ্যিক কর্মের পাশাপাশি তার অন্তরের পরিশুদ্ধতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অন্তরকে অহংকার, হিংসা ও লোভের মতো ব্যাধি থেকে হেফাজত করতে হবে। কারণ এসব কুপ্রবৃত্তি মানুষের আত্মিক উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে বিভেদ ও অশান্তি তৈরি করে। তাই আমাদের অন্তরকে পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র রাখার জন্য সর্বদা প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখা জরুরি।

তিনি আরো বলেন, দুনিয়ার জীবনের প্রতিটি কাজের জন্য আমাদেরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তাই আমাদের উচিত নিজেদের কর্ম ও আমলের প্রতি সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত আত্মসমালোচনা বা মুহাসাবা করা। প্রতিদিন নিজের কাছে হিসাব নেওয়া প্রয়োজন, আমি আজ কী ভালো কাজ করেছি, আমার দ্বারা কারও কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না এবং আমার চিন্তা ও কর্ম আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত হচ্ছে কি না।

মাওলানা হুছামুদ্দীন ফুলতলী আরও বলেন, আনজুমানে আল ইসলাহ কোনো জাগতিক বা পার্থিব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন নয়। এটি মূলত মানুষের আত্মশুদ্ধি ও তাজকিয়ায়ে নফসের শিক্ষা লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তাই সংগঠনের প্রত্যেক দায়িত্বশীলকেই সর্বপ্রথম নিজের চরিত্র, চিন্তা ও আমলের সংশোধনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

সংগঠনকে এগিয়ে নিতে অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনে আর ও নিষ্টা ও নিরলসভাবে কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, সংগঠনের দায়িত্ব পালনে প্রত্যেককেই দায়িত্বশীলতার ভূমিকা পালন করতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তা নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও আমানতদারিতার সাথে পালন করতে হবে। মনে রাখবেন, দ্বীনের কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের বাধাঁ, প্রতিকূলতা কিংবা সমালোচনার সম্মুখীনও হতে পারেন। কিন্তু সকল সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে ধৈর্য ও সবরের মাধ্যমে দ্বীনের কাজ আনজাম দিয়ে যেতে হবে বলে নিদের্শনা প্রদান করেছেন।

------------------------------

ধর্ম এর আরও খবর

img

ইস্ট লন্ডন মসজিদের জুমার খুতবা : ইস্তিগফার মানুষের জীবনে খুলে দেয় প্রশান্তি ও বরকতের দরজা

প্রকাশিত :  ১৫:০৮, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৩৭, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

শায়খ আনিসুল হক

নিয়মিত আল্লাহ'র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা বা ইস্তিগফারকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইস্ট লন্ডন মসজিদের সিনিয়র ইমাম শায়খ আনিসুল হক । তিনি বলেন, ইস্তিগফার মানুষের জীবনে আত্মিক প্রশান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম । সুখে-দুঃখে, স্বাচ্ছন্দ্যে কিংবা সংকটে সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

২৩ অক্টোবর ইস্ট লন্ডন মসজিদের জুমার খুতবায় শায়খ আনিসুল হক আরো বলেন, মানুষ জীবনের অধিকাংশ সময় ধনসম্পদ, সফলতা ও সামাজিক মর্যাদা অর্জনের পেছনে ব্যয় করে । অথচ পরকালে প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনবে এমন আমলের প্রতি অনেকেই যথাযথ গুরুত্ব দেন না।

তিনি ইসলামের ন্যায়পরায়ণ শাসক উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর একটি ঘটনা উল্লেখ করেন। বর্ণিত আছে, তাঁর মৃত্যুর পর ছেলে আবদুল আজিজ স্বপ্নে বাবাকে একটি বাগানে দেখতে পান । এ সময় তিনি জানতে চান, কোন আমলটি তাঁর জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী হয়েছে? জবাবে উমর ইবনে আবদুল আজিজ বলেন, ‘হে আমার পুত্র, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা।’

শায়খ আনিসুল হক বলেন, ইস্তিগফারের জন্য অর্থসম্পদ, সামাজিক অবস্থান কিংবা বিশেষ কোনো স্থান ও সময়ের প্রয়োজন হয় না। ঘরে-বাইরে, কর্মস্থলে, যাতায়াতের সময় কিংবা ঘুমানোর আগে যেকোনো মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যায়।

তিনি বলেন, একজন মুমিনের জীবনে দুটি বিষয় সর্বদা গুরুত্ব পাওয়া উচিত । একটি হলো আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, অন্যটি নিজের ভুলত্রুটি ও গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা।

এ প্রসঙ্গে তিনি বিখ্যাত ইসলামী মনীষী হাসান আল-বসরি (রহ.)-এর সঙ্গে একজন মালবাহকের একটি ঘটনা তুলে ধরেন। ঘটনায় বলা হয়, ওই মালবাহক পথ চলতে চলতে বারবার দুটি বাক্য উচ্চারণ করছিলেন—‘আলহামদুলিল্লাহ’ ও ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’।

এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো তাঁর দেওয়া নিয়ামত, যার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রয়োজন। অন্যটি হলো তাঁর প্রতি আমার দায়িত্ব পালনে ত্রুটি, যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা প্রয়োজন।’

শায়খ আনিসুল হক বলেন, এই সাধারণ কথার মধ্যেই রয়েছে গভীর শিক্ষা। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমরা হয় আল্লাহর কোনো নিয়ামত ভোগ করছি, যার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রয়োজন; নয়তো কোনো না কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছি, যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা প্রয়োজন।

ইস্তিগফারের মাধ্যমে রিজিক ও বরকত বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি পবিত্র কুরআনের সুরা নুহের ১০ থেকে ১২ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দেন । এসব আয়াতে নবী নুহ (আ.) তাঁর সম্প্রদায়কে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বৃষ্টি, ধনসম্পদ, সন্তান-সন্ততি, বাগান ও নদ-নদীর নিয়ামতের কথা তুলে ধরেছিলেন।

শায়খ আনিসুল হক বলেন, আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি, কর্মক্ষেত্রের সমস্যা কিংবা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তায় পড়লে মানুষের উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইস্তিগফার করলেই জীবনের সব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে দূর হয়ে যাবে, এমন নয় । আল্লাহর নবী-রাসুলরাও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক মানুষকে কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য, মানসিক প্রশান্তি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয় ।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রতিদিন একশ'বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ইস্তিগফারকে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করা।

শায়খ আনিসুল হক আন্তরিক ইস্তিগফারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। এগুলো হলো বিনয়, ভুল স্বীকার এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশা।

তিনি বলেন, বিনয় মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবনের সব অর্জন ও সফলতা আল্লাহর দান । ভুল স্বীকারের অর্থ হলো অজুহাত না দেখিয়ে নিজের অন্যায় ও ত্রুটির দায়িত্ব গ্রহণ করা। আর আশা হলো অতীতের গুনাহ যত বড়ই হোক, আল্লাহর অসীম রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়া।

যাঁরা বারবার একই ভুলে জড়িয়ে পড়েন, তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্তরিক অনুতাপ ও নিজেকে সংশোধনের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। শয়তানের প্ররোচনায় আল্লাহর ক্ষমার ব্যাপারে হতাশ হওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, ‘আপনি গতকালকে পরিবর্তন করতে পারবেন না, কিন্তু আজ কী করবেন, তা পরিবর্তন করতে পারেন । আপনার পরবর্তী নামাজ থেকেই শুরু করুন এবং আন্তরিকভাবে আস্তাগফিরুল্লাহ বলুন।’

আলোচনার শেষ পর্যায়ে শায়খ আনিসুল হক বলেন, ইস্তিগফার যেন কেবল মুখে উচ্চারিত কয়েকটি শব্দে সীমাবদ্ধ না থাকে। বরং এর মাধ্যমে নিজের ভুল উপলব্ধি, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর ক্ষমার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে।

পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে সবার জন্য ইবাদতে বিনয়, তওবায় আন্তরিকতা, গুনাহের ক্ষমা এবং তাঁর রহমতের প্রতি অবিচল আস্থা কামনা করেন।

শায়খ আনিসুল হক : সিনিয়র ইমাম ও খতীব, ইস্ট লন্ডন মস্ক এন্ড লন্ডন মুসলিম সেন্টার, জুমার খুতবা

ধর্ম এর আরও খবর