img

টাওয়ার হ্যামলেটস এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ২৪টি স্কুল-কলেজের ২০০-এরও বেশি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা

প্রকাশিত :  ১৯:১৩, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটসের শিক্ষার্থীদের সাফল্য, প্রতিভা ও অবদানের স্বীকৃতি

টাওয়ার হ্যামলেটস এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ২৪টি স্কুল-কলেজের ২০০-এরও বেশি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা

গত শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর টাওয়ার হ্যামলেটস এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ অনুষ্ঠানে বারার ২৪টি স্কুল ও কলেজের ২০০-এরও বেশি শিক্ষার্থীকে তাদের অসাধারণ সাফল্য ও অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

বার্ষিক এই আয়োজনটি ২০২৪ সালে পুনরায় চালু হওয়ার পর এবার তৃতীয় বছরে পা দিয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, পরিবার, শিক্ষক, স্কুলের নেতৃবৃন্দ ও কমিউনিটি প্রতিনিধিসহ প্রায় ৯০০ জন অতিথি অংশ নেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্যের পাশাপাশি ক্লাসরুমের বাইরেও অসাধারণ অবদান রাখা তরুণদের অর্জন, চরিত্র ও প্রতিভাকে উদযাপন করা হয় এই অনুষ্ঠানে।

স্কুল ও কলেজগুলোর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অর্জনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, প্রতিকূলতা মোকাবিলায় দৃঢ়তা, অন্যের প্রতি সহমর্মিতা এবং স্কুল ও কমিউনিটির নানা ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান।

কাউন্সিল পরিচালিত স্কুল, অ্যাকাডেমি, স্পেশাল স্কুল, ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তরুণদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন পরিবেশনা, বক্তব্য, ভিডিও ও অন্যান্য কার্যক্রমও অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড পাওয়া সব শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “আমরা চাই আমাদের বারার প্রতিটি তরুণ সফল হোক এবং তাদের জন্য যে সুযোগগুলো রয়েছে, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করুক।\"

তিনি আরও বলেন, “এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস আমাদের বারার তরুণদের সাফল্য উদযাপন ও তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন জানানোর অন্যতম একটি উপায়। এডুকেশন মেইনটেন্যান্স অ্যালাওয়েন্স (ইএমএ) এবং ইউনিভার্সিটি বার্সারি স্কিম পুনরায় চালু করার পর থেকে আমরা প্রায় ৬,৫০০ তরুণকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি, যাতে তারা তাদের শিক্ষা চালিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আমাদের ইউনিভার্সাল ফ্রি স্কুল মিল এবং স্কুল ইউনিফর্ম গ্র্যান্ট পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার ব্যয়জনিত চাপ কমাতে সহায়তা করছে।\"

“শিক্ষা আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার\" উল্লেখ করে মেয়র বলেন, \"শিশু, তরুণ ও পরিবারগুলোর জন্য আমরা বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব, যাতে প্রত্যেকের বিকশিত হওয়ার এবং নিজের সম্ভাবনা পূরণ করার সর্বোত্তম সুযোগ থাকে।”

টাওয়ার হ্যামলেটসের ডেপুটি মেয়র, কাউন্সিলর মাইয়ুম তালুকদার বলেন, “এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস আমাদের বারার তরুণদের দৃঢ়তা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সাফল্য উদযাপনের একটি সুযোগ। এই পুরস্কারগুলো শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতি নয়। এগুলো প্রতিকূলতা মোকাবিলায় দৃঢ়তা দেখানো, অন্যদের সহায়তায় নেতৃত্ব দেওয়া, সৃজনশীলতার মাধ্যমে নিজেদের প্রকাশ করা এবং স্কুল ও কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শিক্ষার্থীদেরও সম্মানিত করে।\"\"

তিনি আরও বলেন, “আজ যেসব শিক্ষার্থী সম্মাননা পেয়েছে, তাদের প্রত্যেকেরই নিজেদের অর্জন নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত হওয়া উচিত। তারা ভবিষ্যতে কী অর্জন করে, তা দেখার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।”

কাউন্সিলের চিলড্রেন, ইয়াং পিপল অ্যান্ড লাইফ চান্সেস বিষয়ক ক্যাবিনেট মেম্বার, কাউন্সিলর ফয়সাল আহমেদ বলেন, “এই পুরস্কারগুলো তরুণরা বিভিন্নভাবে কীভাবে সফল হতে পারে, তা তুলে ধরে। প্রতিটি পুরস্কারের পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের গল্প। টাওয়ার হ্যামলেটসে আমাদের যে অসাধারণ প্রতিভাবান তরুণ প্রজন্ম রয়েছে, তা যারা তাদের কাজের মাধ্যমে তুলে ধরেছে, সেই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য আমি গর্বিত।\"

“আমাদের স্কুলগুলোর শিক্ষক ও সহায়ক কর্মীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও যত্নদাতাদেরও ধন্যবাদ জানানোর একটি সুযোগ হলো এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস। তরুণদের উৎসাহ ও সমর্থন দিয়ে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

টাওয়ার হ্যামলেটসের ইয়াং মেয়র মুসা নূর বলেন, “এত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে তাদের সাফল্যের জন্য সম্মানিত হতে দেখে খুবই ভালো লাগছে। এডুকেশন অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে, কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে আমাদের বারার তরুণরা কত কিছু অর্জন করতে পারে। আজ যারা সম্মাননা পেয়েছে, তাদের প্রত্যেকেরই নিজেদের অর্জন নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত এবং সামনে থাকা নতুন সুযোগগুলোর জন্য উচ্ছ্বসিত হওয়া উচিত।”

মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের যোগ্যতা ও অবদানকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুল এবং বৃহত্তর কমিউনিটিতে বিভিন্নভাবে যে অবদান রাখে, তা তুলে ধরা হয়েছে।

পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিল বিভিন্ন পরিবেশনা, ভিডিও, পুরস্কার এবং অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক রিনে এবং ক্যানরি ওয়ার্ফ গ্রুপ (সিডব্লিউজি) -এর প্রতিনিধিদের বক্তব্য। পুরো আয়োজনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নেও তরুণরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং অনুষ্ঠানে তারাই ছিল মূল আকর্ষণ।

শিশু ও তরুণদের তাদের পটভূমি বা পরিস্থিতি নির্বিশেষে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে কাউন্সিলের বৃহত্তর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এডুকেশন অ্যাওয়ার্ডস আয়োজন করা হয়।

গত বছর কাউন্সিল প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুলে নতুন ভর্তি হওয়া শিশুদের পরিবারের জন্য ইউনিভার্সাল স্কুল ইউনিফর্ম গ্র্যান্ট চালু করে। এ বছর এই স্কিমের আওতা বাড়িয়ে ইয়ার ৩ এবং ইয়ার ১০-এ ওঠা শিক্ষার্থীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ৬০,০০০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত, তারা এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

টাওয়ার হ্যামলেটসই দেশের প্রথম স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, যারা প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুলের সব শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিভার্সাল ফ্রি স্কুল মিল চালু করেছে। এর ফলে পরিবারগুলোর প্রতি শিশু, প্রতি বছর গড়ে £৫৫০ সাশ্রয় হচ্ছে।

এছাড়া টাওয়ার হ্যামলেটসই দেশের একমাত্র কাউন্সিল, যারা এডুকেশন মেইনটেন্যান্স অ্যালাওয়েন্স (ইএমএ)  পুনরায় চালু করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য গ্র্যান্ট প্রদান করছে। পরবর্তী দফার তহবিলের জন্য আবেদন চলতি মাসের শেষের দিকে শুরু হবে।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

লন্ডন মহানগর জমিয়তের উদ্যোগে শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ.-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত :  ১৯:৩০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে, লন্ডন মহানগর শাখার উদ্যোগে শায়খে কাতিয়া রহ.-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র, হযরত ফেদায়ে মিল্লাত রহ.-এর খলিফা, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের সাবেক সহ-সভাপতি এবং কাতিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজ মাওলানা শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ.-এর জীবন, ইলমি ও দ্বীনি খেদমত এবং বহুমুখী কর্মময় জীবন নিয়ে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে, লন্ডন মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা আশফাকুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন লন্ডন মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রিয়াজ আহমদ।

আলোচনা সভায় বক্তারা মরহুম হাফিজ মাওলানা শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ.-এর বর্ণাঢ্য জীবন, ইলমি মেহনত, দ্বীনি খেদমত, আখলাক, আমল, বিনয়, ইখলাস এবং মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, হাফিজ মাওলানা শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ. ছিলেন পদ-পদবির প্রতি সম্পূর্ণ অনাসক্ত, অত্যন্ত মুখলিস, পরহেজগার ও আল্লাহওয়ালা একজন বুযুর্গ। ইলম ও আমলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা তাঁর জীবন ছিল সুন্নাতের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও পাবন্দির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি তাঁর পিতা, আশিকে মাদানি রহ. মাওলানা আমিন উদ্দীন শায়খে কাতিয়া রহ.-এর সুন্নতি আমল, আদর্শ ও দ্বীনি মেজাজকে নিজের জীবনে ধারণ করেন এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

বক্তারা আরও বলেন, শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ.-এর জীবন ছিল নীরব দ্বীনি খেদমত, ইখলাস ও আত্মত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি মাদরাসা, তালিম-তরবিয়ত ও দ্বীনি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় মানুষের মাঝে দ্বীনের খেদমত করে গেছেন। তাঁর ইন্তেকালে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিষ্য এবং বৃহত্তর উলামায়ে কেরাম ও জমিয়তের অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও ইউকে জমিয়তের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হোসাইন; জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া ইসলামিয়া হুসাইনিয়া আরজাবাদ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া; কেন্দ্রীয় জমিয়তের যুগ্ম মহাসচিব ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ; শায়খে কাতিয়া রহ.-এর সুযোগ্য উত্তরসূরি মাওলানা ইউসুফ আমিনী; জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা সৈয়দ মাসরুর আহমদ ক্বাসেমী; কেন্দ্রীয় জমিয়তের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ তামীম আহমদ; ইউকে জমিয়তের সহ-সভাপতি হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী; ইউকে জমিয়তের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ; জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ওমান শাখার সভাপতি মাওলানা রশীদ আহমদ; সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালীম সাতবাকী এবং সেক্রেটারি মাওলানা জাহেদ নাসির।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লন্ডন মহানগর জমিয়তের উপদেষ্টা মাস্টার আব্দুর রউফ, সহ-সভাপতি হাফিজ জিয়াউদ্দীন, সহ-সভাপতি হাফিজ রশীদ আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, তাফসিরুল কুরআন বিষয়ক সম্পাদক মুফতি ওলিউর রহমান, প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাবির হুসাইন, ওয়েলফেয়ার সম্পাদক মাওলানা দিলওয়ার হোসাইন, সৈয়দ আল আমীন, হাফিজ মাওলানা সৈয়দ সোহাইল, মাওলানা আমিনুল ইসলাম রাজু, শায়খে কাতিয়ার সুযোগ্য নাতি মাওলানা নোমান আহমদ, মরহুম হাফিজ মাওলানা শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ.-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র মাওলানা মুবাশ্বির আহমদ ও মেঝো পুত্র মাওলানা মুদ্দাসসির আহমদসহ জমিয়তের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, উলামায়ে কেরাম ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মরহুম হাফিজ মাওলানা শায়খ ইমদাদুল্লাহ রহ.-এর রূহের মাগফিরাত, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাঁর সকল দ্বীনি খেদমত কবুলের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিষ্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্যও সবর ও উত্তম প্রতিদানের দোয়া করা হয়।


কমিউনিটি এর আরও খবর