img

লন্ডনে জাঁকজমক আয়োজনে মোল্লাপুর ফ্রেন্ডস সোসাইটি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর ফ্যামিলি গেট টুগেদার অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ১০:৩৩, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লন্ডনে জাঁকজমক আয়োজনে মোল্লাপুর ফ্রেন্ডস সোসাইটি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকে এর ফ্যামিলি গেট টুগেদার অনুষ্ঠিত

জাঁকজমক আয়োজনে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর গ্রাম প্রবাসীদের সংগঠন মোল্লাপুর ফ্রেন্ডস সোসাইটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের উদ্যোগে ফ্যামিলি গেট টুগেদার অনুষ্টিত হয়েছে।

অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে পরিবার নিয়ে ছুটে আসেন গ্রামের বাসিন্ধারা। গত সোমবার বিকালে লন্ডনে ইলফুডের একটি হলে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব‍্য রাখেন খ্যাতিমান ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও সার্জন প্রফেসর ডা. শাফি আহমদ। বিশেষ অতিথির বক্তব‍্য রাখেন যুক্তরাজ্যে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম নারী ও বাংলাদেশি-ব্রিটিশ বিচারপতি ব্যারিস্টার স্বপ্নারা খাতুন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গাণিতিক কম্পিউটিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ম্যাথওয়ার্কস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমদ, বিশিষ্ট প্রবীণ চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. আলাউদ্দিন আহমদ, বিশিষ্ট সংগঠক ও রাজনীতিবিদ মারুফ আহমদ চৌধুরী ।

ট্রাস্টের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত বাবুল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল চৌধুরী এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছরওয়ার আহমদ।

অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবী কাজে অবদান রাখা সমাজকর্মীদের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত দুই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মকর্তাদের অতিথিদের মাধ্যমে স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তাঁদের প্রয়াত পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

বক্তারা মোল্লাপুর ফ্রেন্ডস সোসাইটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের শিক্ষা ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সংগঠনটি নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে যুক্তরাজ্যে ও বাংলাদেশে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে, যা কমিউনিটিতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের বার্ষিক আর্থিক রিপোর্ট পেশ করেন সহ-কোষাধ্যক্ষ এবিএম নাছিম।

বক্তব‍্য রাখেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ ফয়জুল ইসলাম জুয়েল, একাউন্ট‍্যান্ট মো:সাহেদ হোসেন, ফজির উদ্দিন তপাদার,সুলতান আহমদ,তুতিউর রহমান তোতা,আক্তার হোসেন বাবলু,উজ্জল চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডাক্তার ফারুজা হুমায়েরা ইসলাম,প্রকৌশলী সানজিদা হক, ডাক্তার হানিফ আহমদ, সলিসিটর আরিফ আহমদ, আইটি নেটওয়ার্ক সিস্টেম সিকিউরিটি ম‍্যানেজার মাহদী হোসেন চৌধুরী প্রমূখ।

অতিথিবৃন্দ ব্রিটেনের ডায়াসপোরা কমিউনিটিতে এই আয়োজনকে অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন ব্রিটেনে বাংলাদেশি-ব্রিটিশ নতুন প্রজন্ম ও প্রবীণদের মধ্যে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন তৈরি করবে, পাশাপাশি বাংলাদেশের শিকড় ও সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের সুগভীর সম্পর্ক গড়ে তুলবে, যা বহুজাতিক ও বহুসংস্কৃতির ব্রিটেনে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

‘মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওত’ এর উদ্যোগে লন্ডনে বিরাট সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ০৮:২২, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৩৬, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লন্ডনে উলামায়ে কেরামের সর্বদলীয় ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওত লন্ডন এর উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের ফোর্ড স্কয়ার মসজিদ মিলনায়তনে এক ঐতিহাসিক খতমে নবুওত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেল সাড়ে ছয় ঘটিকা থেকে নয়টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সর্বস্তরের উলামায়ে কেরাম ও সুধী বৃন্দ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশ গ্রহণ করেন।

প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন ভারত থেকে আগত হযরত মাদানী পরিবারের সূর্যসন্তান, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন মাওলানা সৈয়দ আশহাদ রাশিদী। মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওত লন্ডন এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রারম্ভিক ও স্বাগত বক্তব্য দেন মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওত লন্ডন এর জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মুফতি আবদুল মুনতাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা উপস্থাপন করেন ব্রাডফোর্ড থেকে আগত, ইংলিশ স্পিকার মাওলানা মুফতি সাইফুদ্দীন নেসার, হেফাজতে ইসলাম ইউকের সভাপতি শায়খুল হাদীস মাওলানা মুফতি আবদুর রহমান মনোহরপূরী, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন মাওলানা আবদুল কাদির সালেহ, ডক্টর মাওলানা শুয়াইব আহমদ প্রমুখ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে মাওলানা মুহাম্মদ আলী,মাওলানা শাহনূর মিয়া, মাওলানা সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হুসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা হাফিজ মাসূম আহমদ সহ প্রচুর সংখ্যক উলামায়ে কেরাম, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও সুধী জন।

সভায় বক্তাগন তাঁদের দলীল ভিত্তিক আলোচনায় বলেন, ইতিহাসের পাতায় তাকালে আমরা দেখতে পাই, যুগে যুগে যারাই নবুওয়তের দাবিদার হয়েছে, তারা নিজেদেরকে মুসলমানরূপে প্রকাশ করে স্বীয় দাবি প্রচারের চেষ্টা করেছে। কিন্তু উম্মতে মুহাম্মদি এ ব্যাপারে কোরআন-হাদিসের দিক-নির্দেশনাপ্রাপ্ত হওয়ায় যখনই নবুওয়তের কোনো ভন্ড দাবিদার আত্মপ্রকাশ করেছে, তাকে কাফের সাব্যস্ত করেছে এবং ইসলামের গন্ডি থেকে বহিষ্কার করেছে।

নববি যুগ থেকে যখনই কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে বা ইসলামি আদালতে এ ধরনের মামলা উপস্থিত হয়েছে, তখনই বিচারকগণ তার দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রকার দলিল-প্রমাণ তলব না করে তার ব্যাপারে কাফের হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যেমন- আসওয়াদ আনাসি, তুলাইহা, সাজাহ, হারেস। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) তাদের কুফুরির ফয়সালা দেওয়ার পূর্বে কখনও নবুওয়তের দাবির ব্যাপারে তাদের থেকে কোনো প্রকার দলিলও তলব করেননি।

যখনই কারো পক্ষ থেকে নবুওয়তের দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তখনই সর্বসম্মতিক্রমে তাকে কাফের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হলো, খতমে নবুওয়তের আকিদা এতোটাই স্পষ্ট ও সর্বজন স্বীকৃত, এর খেলাফ যুক্তি-তর্ক সব প্রতারণার শামিল। এ সম্পর্কে রাসুল (সা.) উম্মতকে পূর্বেই অবগত করে গেছেন। যদি এ ধরনের সামান্য অবকাশ দেওয়া হয়, তাহলে তাওহিদ-আখেরাতসহ ইসলামের কোনো আকিদাই আর নিরাপদ থাকবে না। এজন্য বাংলাদেশ সরকারকেও কাদিয়ানী সম্প্রদায় সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় ভাবে অমুসলিম সংখ্যালঘু হওয়ার ঘোষণা অবিলম্বে দেয়া উচিত। সভায় বক্তাগন নতুন জেনারেশনের মধ্যে নবীজীর খতমে নবুওতের সর্ববাদী সম্মত আকিদা সম্পর্কে  সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত লন্ডন এর উদ্যোগে আগামী দিনে আরো কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। পরিশেষে প্রধান অতিথির দোয়ার মাধ্যমে সভার পরিসমাপ্তি হয়।


কমিউনিটি এর আরও খবর