img

ইস্ট লন্ডন মসজিদের জুমার খুতবা : ইস্তিগফার মানুষের জীবনে খুলে দেয় প্রশান্তি ও বরকতের দরজা

প্রকাশিত :  ১৫:০৮, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৩৭, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ইস্ট লন্ডন মসজিদের জুমার খুতবা : ইস্তিগফার মানুষের জীবনে খুলে দেয় প্রশান্তি ও বরকতের দরজা

শায়খ আনিসুল হক

নিয়মিত আল্লাহ'র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা বা ইস্তিগফারকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইস্ট লন্ডন মসজিদের সিনিয়র ইমাম শায়খ আনিসুল হক । তিনি বলেন, ইস্তিগফার মানুষের জীবনে আত্মিক প্রশান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম । সুখে-দুঃখে, স্বাচ্ছন্দ্যে কিংবা সংকটে সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

২৩ অক্টোবর ইস্ট লন্ডন মসজিদের জুমার খুতবায় শায়খ আনিসুল হক আরো বলেন, মানুষ জীবনের অধিকাংশ সময় ধনসম্পদ, সফলতা ও সামাজিক মর্যাদা অর্জনের পেছনে ব্যয় করে । অথচ পরকালে প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনবে এমন আমলের প্রতি অনেকেই যথাযথ গুরুত্ব দেন না।

তিনি ইসলামের ন্যায়পরায়ণ শাসক উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর একটি ঘটনা উল্লেখ করেন। বর্ণিত আছে, তাঁর মৃত্যুর পর ছেলে আবদুল আজিজ স্বপ্নে বাবাকে একটি বাগানে দেখতে পান । এ সময় তিনি জানতে চান, কোন আমলটি তাঁর জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী হয়েছে? জবাবে উমর ইবনে আবদুল আজিজ বলেন, ‘হে আমার পুত্র, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা।’

শায়খ আনিসুল হক বলেন, ইস্তিগফারের জন্য অর্থসম্পদ, সামাজিক অবস্থান কিংবা বিশেষ কোনো স্থান ও সময়ের প্রয়োজন হয় না। ঘরে-বাইরে, কর্মস্থলে, যাতায়াতের সময় কিংবা ঘুমানোর আগে যেকোনো মুহূর্তে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যায়।

তিনি বলেন, একজন মুমিনের জীবনে দুটি বিষয় সর্বদা গুরুত্ব পাওয়া উচিত । একটি হলো আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, অন্যটি নিজের ভুলত্রুটি ও গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা।

এ প্রসঙ্গে তিনি বিখ্যাত ইসলামী মনীষী হাসান আল-বসরি (রহ.)-এর সঙ্গে একজন মালবাহকের একটি ঘটনা তুলে ধরেন। ঘটনায় বলা হয়, ওই মালবাহক পথ চলতে চলতে বারবার দুটি বাক্য উচ্চারণ করছিলেন—‘আলহামদুলিল্লাহ’ ও ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’।

এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো তাঁর দেওয়া নিয়ামত, যার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রয়োজন। অন্যটি হলো তাঁর প্রতি আমার দায়িত্ব পালনে ত্রুটি, যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা প্রয়োজন।’

শায়খ আনিসুল হক বলেন, এই সাধারণ কথার মধ্যেই রয়েছে গভীর শিক্ষা। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আমরা হয় আল্লাহর কোনো নিয়ামত ভোগ করছি, যার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রয়োজন; নয়তো কোনো না কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছি, যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা প্রয়োজন।

ইস্তিগফারের মাধ্যমে রিজিক ও বরকত বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি পবিত্র কুরআনের সুরা নুহের ১০ থেকে ১২ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দেন । এসব আয়াতে নবী নুহ (আ.) তাঁর সম্প্রদায়কে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বৃষ্টি, ধনসম্পদ, সন্তান-সন্ততি, বাগান ও নদ-নদীর নিয়ামতের কথা তুলে ধরেছিলেন।

শায়খ আনিসুল হক বলেন, আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি, কর্মক্ষেত্রের সমস্যা কিংবা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তায় পড়লে মানুষের উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইস্তিগফার করলেই জীবনের সব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে দূর হয়ে যাবে, এমন নয় । আল্লাহর নবী-রাসুলরাও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক মানুষকে কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য, মানসিক প্রশান্তি ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয় ।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রতিদিন একশ'বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ইস্তিগফারকে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করা।

শায়খ আনিসুল হক আন্তরিক ইস্তিগফারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। এগুলো হলো বিনয়, ভুল স্বীকার এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশা।

তিনি বলেন, বিনয় মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবনের সব অর্জন ও সফলতা আল্লাহর দান । ভুল স্বীকারের অর্থ হলো অজুহাত না দেখিয়ে নিজের অন্যায় ও ত্রুটির দায়িত্ব গ্রহণ করা। আর আশা হলো অতীতের গুনাহ যত বড়ই হোক, আল্লাহর অসীম রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়া।

যাঁরা বারবার একই ভুলে জড়িয়ে পড়েন, তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্তরিক অনুতাপ ও নিজেকে সংশোধনের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। শয়তানের প্ররোচনায় আল্লাহর ক্ষমার ব্যাপারে হতাশ হওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, ‘আপনি গতকালকে পরিবর্তন করতে পারবেন না, কিন্তু আজ কী করবেন, তা পরিবর্তন করতে পারেন । আপনার পরবর্তী নামাজ থেকেই শুরু করুন এবং আন্তরিকভাবে আস্তাগফিরুল্লাহ বলুন।’

আলোচনার শেষ পর্যায়ে শায়খ আনিসুল হক বলেন, ইস্তিগফার যেন কেবল মুখে উচ্চারিত কয়েকটি শব্দে সীমাবদ্ধ না থাকে। বরং এর মাধ্যমে নিজের ভুল উপলব্ধি, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর ক্ষমার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে।

পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে সবার জন্য ইবাদতে বিনয়, তওবায় আন্তরিকতা, গুনাহের ক্ষমা এবং তাঁর রহমতের প্রতি অবিচল আস্থা কামনা করেন।

শায়খ আনিসুল হক : সিনিয়র ইমাম ও খতীব, ইস্ট লন্ডন মস্ক এন্ড লন্ডন মুসলিম সেন্টার, জুমার খুতবা

ধর্ম এর আরও খবর

img

দুঃখে ধৈর্য ও সুখে কৃতজ্ঞতা : তিন ব্যক্তির ঘটনা থেকে শিক্ষা

প্রকাশিত :  ০৮:১৮, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

শায়খ জামাল আবদিনাসির

মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ, সচ্ছলতা-দারিদ্র্য এবং সুস্থতা-অসুস্থতা—সবই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা। মানুষ সাধারণত বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্টকে পরীক্ষা মনে করে। কিন্তু ধনসম্পদ, সুস্বাস্থ্য ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যও যে আল্লাহর পরীক্ষা, তা অনেক সময় ভুলে যায় । প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো বিপদে ধৈর্য ধারণ করা এবং সুখে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। জীবনের প্রতিটি অবস্থায় আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ রাখা এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।

কথাগুলো বলেছেন শায়খ জামাল আবদিনাসির । ১৬ অক্টোবর শুক্রবার ইস্ট লন্ডন মসজিদে জুমার খুতবায় তিনি কথাগুলো বলেন।

খুতবার শুরুতে পবিত্র কুরআনের আয়াত উল্লেখ করে দিয়ে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তোমার রব যাকে ইচ্ছা রিজিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন । তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ও সর্বদ্রষ্টা ।’ (সুরা বনি ইসরাইল, ১৭:৩০)।

তিনি বলেন, আল্লাহ কাউকে সম্পদ দেন, কাউকে অভাবের মধ্যে রাখেন । কাউকে সুস্থতা দেন, কাউকে অসুস্থতার মাধ্যমে পরীক্ষা করেন । এসবের কোনো কিছুই উদ্দেশ্যহীন নয় । আল্লাহ বলেন, ‘আমি তোমাদের ভালো ও মন্দ দ্বারা পরীক্ষা করি।’ (সুরা আম্বিয়া, ২১:৩৫)

এ প্রসঙ্গে তিনি সহিহ বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত পূর্ববর্তী যুগের তিন ব্যক্তির ঘটনা তুলে ধরেন। তাঁদের একজন ছিলেন কুষ্ঠরোগী, একজন টাকমাথা এবং অন্যজন অন্ধ। তিনজনই ছিলেন দরিদ্র। আল্লাহ তাঁদের পরীক্ষা করার জন্য সাধারণ মানুষের বেশে একজন ফেরেশতা পাঠান।

ফেরেশতা প্রথম ব্যক্তির কাছে জানতে চান, তিনি কী চান। তিনি সুস্থ ও সুন্দর ত্বক ফিরে পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর রোগ দূর হয় এবং তাঁকে মানুষের বেশধারী ফেরেশতার পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে  একটি গর্ভবতী উটনী দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় ব্যক্তি সুন্দর চুল ফিরে পান এবং তাঁকে একটি গর্ভবতী গাভি দেওয়া হয়। তৃতীয় ব্যক্তি আল্লাহর কাছে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন। তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং তাঁকে একটি গর্ভবতী ভেড়া দেওয়া হয়।

সময়ের ব্যবধানে তিনজনই বিপুল সম্পদের মালিক হন । প্রত্যেকের পশুসম্পদে উপত্যকা ভরে যায়।

শায়খ জামাল বলেন, এরপর ফেরেশতা একদিন অসহায় মুসাফিরের বেশে তাঁদের কাছে ফিরে আসেন । প্রথম ব্যক্তির কাছে সাহায্য চাইলে তিনি নানা অজুহাত দেখিয়ে সাহায্য দিতে অস্বীকৃতি জানান । অতীতের দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কথা স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি দাবি করেন, এসব সম্পদ উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন। দ্বিতীয় ব্যক্তিও একই আচরণ করেন। ফলে তাঁদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু তৃতীয় ব্যক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন আচরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি অন্ধ ছিলাম, আল্লাহ আমাকে দৃষ্টিশক্তি দিয়েছেন। আমি দরিদ্র ছিলাম, আল্লাহ আমাকে সম্পদ দিয়েছেন । আপনার যত প্রয়োজন নিয়ে যান।’

তখন ফেরেশতা জানান, এটি ছিল আল্লাহর পরীক্ষা । আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং অপর দুই ব্যক্তির প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

এই ঘটনার শিক্ষা তুলে ধরে খতিব আবদি-নাসির বলেন, প্রথম শিক্ষা হচ্ছে সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। অভাবের মধ্যে ধৈর্য ধরতে হবে এবং প্রাচুর্যের মধ্যে অতীতের কষ্ট ভুলে যাওয়া যাবে না। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের চেয়ে নিচের অবস্থানের মানুষের দিকে তাকাও, উপরের অবস্থানের মানুষের দিকে নয়। তাহলে আল্লাহর নিয়ামতকে তুচ্ছ মনে করবে না।’ (সহিহ মুসলিম)

তিনি বলেন, দ্বিতীয় শিক্ষা হলো জীবনের পরীক্ষা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চলতে থাকবে। নবী-রাসুলগণও কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। তাই বিপদে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হবে। মানুষের সব দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও আল্লাহর দরজা সবসময় খোলা থাকে।

তৃতীয় শিক্ষা হলো অন্তরকে লোভ ও কৃপণতা থেকে মুক্ত রাখা। তিনি বলেন, সম্পদ মানুষকে অহংকারী করে তুলতে পারে। আবার সেই সম্পদই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম হতে পারে। আল্লাহ বলেছেন, ‘যারা নিজেদের অন্তরের কৃপণতা থেকে রক্ষা পেয়েছে, তারাই সফল।’ (সুরা হাশর, ৫৯:৯)

শায়খ জামাল বলেন, দান করার জন্য ধনী হওয়ার অপেক্ষা করা উচিত নয়। আল্লাহ মুত্তাকিদের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘তারা সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতা উভয় অবস্থায় ব্যয় করে।’ (সুরা আলে ইমরান, ৩:১৩৪)

তিনি বলেন, আমাদের আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী কিংবা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অসংখ্য অসহায় মানুষ সাহায্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁদের সাহায্যের সুযোগকে এড়িয়ে না গিয়ে কাজে লাগাতে হবে। অর্থ দিয়ে সাহায্য করা সম্ভব না হলেও সময়, পরামর্শ, সহানুভূতি ও ভালোবাসা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়।

রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণ করে, আল্লাহ তার প্রয়োজন পূরণ করেন।’ (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)

খুতবার শেষাংশে শায়খ জামাল আবদি-নাসির মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের সেই দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়া ব্যক্তির মতো হতে হবে, যিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও নিজের অতীত এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ভুলে যাননি । আমাদের মনে রাখতে হবে, সম্পদ ও সুস্থতা চিরস্থায়ী নয় । আল্লাহ যখন যা দিয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকতে হবে এবং মানুষের কল্যাণে তা কাজে লাগাতে হবে।

পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে বিপদে ধৈর্য, সুখে কৃতজ্ঞতা এবং মানুষের প্রতি উদারতা প্রদর্শনের তাওফিক কামনা করেন।

শায়খ জামাল আবদিনাসির : অতিথি খতীব, ইস্ট লন্ডন মস্ক এন্ড লন্ডন মুসলিম সেন্টার । জুমা\'র খুতবা, ১৬ অক্টোবর ২০২৬।

ধর্ম এর আরও খবর