img

মায়ের কারণেই অভিষেকের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় কারিশমার

প্রকাশিত :  ০৯:০৪, ২৬ জুলাই ২০২৫

মায়ের কারণেই অভিষেকের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় কারিশমার

নতুন করে আলোচনা শুরু হছে বলিউডের দুই তারকা অভিষেক বচ্চন-কারিশমা কাপুরের সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ নিয়ে। বিশেষ করে কারিশমার সাবেক স্বামী সঞ্জয় কাপুর মারা যাওয়ার পর। 

২০০২ সালে ‘হ্যা ম্যায়নে ভি প্যায়ার কিয়া হ্যায়’ ছবিতে দুজন একসঙ্গে কাজ করেছিলেন, সে সময় তাদের মধ্যে সব ঠিকঠাক ছিল। পরের বছরই দুজনের বিচ্ছেদ হয়। দুজনের বাগ্‌দান হয়েছিল বলেও খবর পাওয়া যায়।

এবার নির্মাতা ও প্রযোজক সুনীল দর্শন ইঙ্গিত দিলেন, স্বেচ্ছায় নয়, পরিবারের চাপে আলাদা হয়ে গেছেন দুজন। 

কারিশমার পরিবারকে খুব কাছ থেকে চেনেন সুনীল দর্শন। ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে কথোপকথনে এই পরিচালক বলেন, ‘নিয়তি কাপুর বোনদের জীবনে অনেক অশান্তি নিয়ে এসেছে। অভিষেকের সঙ্গে বিচ্ছেদ তেমন কিছুই ছিল।’

সুনীল দর্শন জানান, কারিনা ও কারিশমা মায়ের ভালোবাসায় বড় হয়েছেন। ক্যারিয়ারেও সহযোগিতা পেয়েছিলেন তিনি। 

সুনীলকে প্রশ্ন করা হয়েছিল অভিষেক বচ্চন ও কারিশমার মধ্যকার রসায়ন নিয়ে। তিনি বলেন, ‘ছবিতে তাদের রসায়নে দেখানো হয়েছে, তাদের বাস্তব জীবনেও বন্ধন ছিল।’

সুনীল দর্শন আরও জানান, দুজনের বিচ্ছেদ তাদের ইচ্ছায় হয়নি। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় তার ঘনিষ্ঠদের মধ্যে ঝামেলা হতো, যার কারণে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যেত। আমার মনে হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আমি কারিনা ও কারিশমা—দুজনকেই ভালোভাবে জানি। সব সময়ই চেষ্টা করেছি তাদের পাশে থাকতে।’

২০০০ সালের দিকে অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। 

২০০২ সালে অমিতাভ বচ্চনের ৬০তম জন্মদিনে এক অনুষ্ঠানে জয়া বচ্চন কারিশমাকে তার বাড়ির পুত্রবধূ হিসেবে ঘোষণা করেন। শোনা যাচ্ছে, দুজনের বাগ্‌দান হয়েছিল। এ ঘটনার তিন মাস পর তাদের বিচ্ছেদের খবর আসে।

গুঞ্জন ছিল, কারিশমার মা ববিতা চাননি মেয়ে অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করুক। যার কারণে দুজনই অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের সম্পর্ক ভেঙে দেন।

বিনোদন এর আরও খবর

img

বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই

প্রকাশিত :  ০৫:১৮, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা ও নির্মাতা নানা পাটেকার আর নেই। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি গোয়ায় নিজের বাসভবনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হাসপাতাল সূত্র জানায়, সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা সেখানে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সকাল ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নিখুঁত অভিনয়শৈলী ও দাপুটে সংলাপের জন্য দর্শকদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকার। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই কিংবদন্তি নটসম্রাট, ওয়াজুদ, পরিন্দা, আব তাক ছাপ্পান আর যশোবন্ত-এর মতো অসংখ্য সফল ছবিতে অভিনয় করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন।

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এরপর ২০০০-এর দশকের শুরুতে শক্তি: দ্য পাওয়ার (২০০২), আব তাক ছাপ্পান (২০০৪), অপহরণ (২০০৫) এবং ট্যাক্সি নম্বর ৯২১১ (২০০৬) ছবিতে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা পায়।

বাণিজ্যিক ধারার কমেডি ছবি ‘ওয়েলকাম’ (২০০৭) এবং এর সিক্যুয়েল ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ (২০১৫)-এ গ্যাংস্টার উদয় শেট্টির চরিত্রে অভিনয় করে সিনেপ্রেমীদের মনে আলোড়ন তুলেছিলেন তিনি। জনপ্রিয় রাজনৈতিক থ্রিলার ‘রাজনীতি’ (২০১০) ছবিতে দুর্দান্ত পার্শ্ব চরিত্রের জন্য পঞ্চমবারের মতো ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা পার্শ্ব অভিনেতার মনোনয়ন পান। পরে ২০১৬ সালে মারাঠি ছবি নটসম্রাট-এ অসাধারণ অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার জেতেন। সম্প্রতি ‘হাউসফুল ৫’ ছবিতেও পার্শ্ব চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে।

অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীতজগতেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন এই বহুমুখী শিল্পী। ১৯৯৭ সালে \'যশোবন্ত\', ১৯৯৮ সালে \'ওয়াজুদ\' এবং ২০০৩ সালে \'আঁচ\' চলচ্চিত্রে নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গান গেয়ে দর্শক ও সমালোচক উভয় মহলেই প্রশংসা কুড়ান তিনি।