img

প্রাইমারিতে আসছে বিশাল নিয়োগ

প্রকাশিত :  ১১:৫৮, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০২, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

প্রাইমারিতে আসছে বিশাল নিয়োগ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই সাড়ে ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারব।’

আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

শামসুজ্জামান বলেন, সারা দেশে এ মুহূর্তে ১৩ হাজার ৫০০ সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। আমরা শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালাটা হাতে পেলেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যাব। আশা করি খুব অল্প সময়ে অর্থাৎ আগামী নভেম্বর মাসে আমরা বিজ্ঞপ্তি দিতে পারব।

তিনি বলেন, এর বাইরেও দীর্ঘদিনের একটা সমস্যা জমে আছে। সেটা হলো ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক এই মুহূর্তে চলতি দায়িত্বে অথবা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এটা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য খুব যন্ত্রণাদায়ক।

মহাপরিচালক বলেন, আমরা প্রধান শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেড ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছি এবং সেই লক্ষ্যে কাজও হচ্ছে। খুব সহসাই দশম গ্রেড বাস্তবায়ন হবে। আর সহকারী শিক্ষক যারা আছেন তাদের ১১ তম গ্রেডের জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছি। পে কমিশনে এটা নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। শিক্ষকদের যে শূন্য পদগুলো আছে তা পূরণ করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি বলেন, পদগুলো শূন্য থাকার পরও তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না একটি মামলার জন্য। আশা করছি খুব অল্প সময়ে এ মামলার রায় হয়ে যাবে। এর ফলে এই ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ আমরা পূরণ করতে পারব। একই সঙ্গে তখন সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও শূন্য হবে। এরপর ৩২ হাজার পদে আবারো নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে খুব গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা তাদের লিডারশিপ ট্রেনিংসহ অন্য ট্রেনিংগুলোকে কিভাবে আরো ইনক্লুসিভ করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

মহাপরিচালক বলেন, আমরা প্রধান শিক্ষকদের ক্ষমতা বাড়াচ্ছি। আগে ক্ষুদ্র মেরামত বা স্লিপের জন্য প্রধান শিক্ষকরা দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারতেন। এটাকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করাসহ অন্যান্য জায়গাতেও কিভাবে তারা আর্থিকভাবে ক্ষমতাবান হতে পারেন সেই জায়গায় আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে নির্মাণ কাজ অথবা মেরামতের কাজের বিল প্রদানের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রধান শিক্ষক এবং আমাদের শিক্ষা অফিসারের যৌথ স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে। দুজনেরই প্রত্যায়ন ছাড়া কোনো বিল প্রদান করা হবে না।

মহাপরিচালক আরো বলেন, আমরা আশা করছি যে আগামী দিনগুলোতে প্রধান শিক্ষকদের আরো ক্ষমতা দিতে পারব। আমরা আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সারা দেশে যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে তার নির্মাণ কাজ থেকে শুরু করে সংস্কার কাজের জন্য অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এসব প্রকল্পের কাজ শেষে আশা করি আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে জরাজীর্ণ কোনো স্কুল থাকবে বলে আমি মনে করি না।


img

ব্যবসায়ী অংশীদারি চুক্তিপত্র

প্রকাশিত :  ২০:৩৩, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


                                                                                    ব্যবসায়ী অংশীদারি চুক্তিপত্র

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

অদ্য ১০ জুন ২০২৪ ইং রোজ সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকায় আমরা নিম্নবর্ণিত পক্ষগণ পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে একটি যৌথ অংশীদারি ব্যবসা পরিচালনার নিমিত্তে এই চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হলাম।

প্রথম পক্ষ (অংশীদার ১):

নাম: ..............................................................পিতা: .............................................................মাতা: .............................................................জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ............................................ঠিকানা: ............................................................

দ্বিতীয় পক্ষ (অংশীদার ২):

নাম: ..............................................................পিতা: .............................................................মাতা: .............................................................জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ............................................ঠিকানা: ............................................................

পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু আমরা সকল পক্ষগণ পরস্পর পরস্পরকে দীর্ঘ দিন যাবত চিনি ও জানি। এমতাবস্থায় আমরা সকল পক্ষগণ একত্রে ব্যবসা পরিচালনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় আমরা উপরোক্ত পক্ষগণ একমত হইয়া আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অদ্য হাজিরান মজলিশে স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় এই মর্মে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিম্ন লিখিত শর্তাবলীর উপর আস্থা রাখিয়া ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আমরা সকল পক্ষগণ সহি স্বাক্ষর করিয়া অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আবদ্ধ হইলাম।

শর্তবলীঃ

১. ব্যবসার নাম ও প্রধান কার্যালয়: ব্যবসার নাম: অত্র অংশীদারি প্রতিষ্ঠানটি “............................................” নামে পরিচালিত হবে।প্রধান কার্যালয়: ব্যবসার প্রধান কার্যালয় বা অফিস ............................................ ঠিকানায় অবস্থিত হবে। পক্ষগণের সর্বসম্মতিক্রমে পরবর্তীতে শাখা অফিস খোলা যেতে পারে।

২. ব্যবসার ধরণ ও উদ্দেশ্যএই প্রতিষ্ঠানটি মূলত ............................................ (যেমন: আমদানি-রপ্তানি, আইটি সেবা, বুটিক, কনস্ট্রাকশন ইত্যাদি) সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

৩. চুক্তির মেয়াদএই অংশীদারি চুক্তিপত্র অদ্য ............. তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং পক্ষগণের যৌথ সিদ্ধান্ত বা বিলুপ্তি না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

৪. মূলধন বা পুঁজি বিনিয়োগব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পক্ষগণ নিম্নোক্ত হারে মোট মূলধন সরবরাহ করবেন:প্রথম পক্ষ: .................... টাকা (মোট মূলধনের .........%)দ্বিতীয় পক্ষ: .................... টাকা (মোট মূলধনের .........%)

৫. লাভ-ক্ষতি বণ্টনব্যবসার অর্জিত মোট লাভ অথবা লোকসান পক্ষগণের নিজ নিজ বিনিয়োগকৃত মূলধনের অনুপাত অনুযায়ী (অথবা সমান হারে) বণ্টন করা হবে।প্রতি ইংরেজি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে বা বছর শেষে ব্যবসার আর্থিক হিসাব সম্পন্ন করে লাভ-ক্ষতি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

৬. পরিচালনা ও দায়িত্বব্যবসার দৈনন্দিন পরিচালনা, হিসাব-নিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্বে থাকবেন ............................ পক্ষ।তবে যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, বড় অঙ্কের বিনিয়োগ বা নতুন চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে সকল পক্ষের লিখিত সম্মতি আবশ্যক।

৭. ব্যাংক হিসাব পরিচালনাযেকোনো তফশিলী ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের নামে একটি চলতি (Current) অ্যাকাউন্ট খোলা হবে।উক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে (অথবা যেকোনো একক স্বাক্ষরে) পরিচালিত হবে।

৮. নতুন অংশীদার গ্রহণ ও অংশীদারত্ব বাতিলসকল বর্তমান অংশীদারের লিখিত সম্মতি ছাড়া ব্যবসায় নতুন কোনো অংশীদার অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।কোনো অংশীদার ব্যবসা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করতে চাইলে তাকে কমপক্ষে ............. মাস পূর্বে অন্য পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।

৯. বিরোধ নিষ্পত্তিব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ প্রথমে নিজেদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।তাতে সমাধান না হলে দেশের প্রচলিত সালিশি আইন (Arbitration Act) অনুযায়ী একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হবে।

উপসংহার: আমরা পক্ষগণ অত্র চুক্তিপত্রের সকল শর্তাবলী ভালোভাবে পড়িয়া, বুঝিয়া এবং ইহার আইনগত ফলাফল সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন হইয়া স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে এবং অন্যের প্ররোচনা ছাড়া নিচে স্বাক্ষর করিলাম।১ম পক্ষের স্বাক্ষর: ______________________তারিখ:২য় পক্ষের স্বাক্ষর: ______________________তারিখ:সাক্ষীগণের নাম ও স্বাক্ষর:১. নাম: .......................................... স্বাক্ষর: ..........................................২. নাম: .......................................... স্বাক্ষর: ..........................................

চাকরি এর আরও খবর