img

জনবল নিচ্ছে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি, সর্বোচ্চ বেতন লাখের বেশি

প্রকাশিত :  ০৬:৩৬, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫৪, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪

জনবল নিচ্ছে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি, সর্বোচ্চ বেতন লাখের বেশি

শতভাগ সরকারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডে নিয়োগের আবেদন করা যাবে আগামীকাল মঙ্গলবার পযর্ন্ত।

এই প্রতিষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরির পদে চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেডে তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: উপমহাব্যবস্থাপক (এইচআরএম অ্যান্ড অ্যাডমিন)

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচআর/ম্যানেজমেন্ট বা এ ধরনের বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অথবা তিন বছর মেয়াদি সম্মানসহ এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

স্নাতকোত্তরসহ পিজিডি-এইচআরএম ডিগ্রিসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি প্রাপ্তদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। গ্রেডিং পদ্ধতিতে পাসের ক্ষেত্রে জিপিএ ৫-এর স্কেলে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং সিজিপিএ ৪-এর স্কেলে ন্যূনতম-২.৭৫ প্রাপ্ত হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক (এইচআরএম/অ্যাডমিন) বা সমমান পদে ন্যূনতম চার বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 

বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনে সহকারী ব্যবস্থাপক (এইচআরএম/অ্যাডমিন/সমমান) বা তদূর্ধ্ব পদে মোট ১২ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন/বিতরণ/সঞ্চালন প্রতিষ্ঠানে তিন বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। টিপিএম, টিকিউএম, করপোরেট গভর্নেন্স, শ্রম আইন, স্ট্র্যাটেজিক হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদিতে জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। 

অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের গুণাবলি থাকতে হবে এবং বাংলা ও ইংরেজিতে যোগাযোগে দক্ষতাসহ কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে। চ্যালেঞ্জিং এবং বিরূপ পরিস্থিতিতে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বয়স: ১৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সর্বোচ্চ ৫০ বছর।

মূল বেতন: ১,০৫,০০০ টাকা (গ্রেড-৪)

যোগ-সুবিধা: মূল বেতন ছাড়াও বাড়িভাড়া, প্রতিবছর দুটি উৎসব বোনাস, নববর্ষ ভাতা, যৌথ ভবিষ্য তহবিল, গ্রুপ ইনস্যুরেন্স, অর্জিত ছুটি নগদায়ন, গ্রাচ্যুইটি, প্রকৃত চিকিৎসা খরচ এবং অন্যান্য প্রান্তিক সুবিধা ও ভাতা দেওয়া হবে।

২. পদের নাম: উপমহাব্যবস্থাপক (কমার্শিয়াল)

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কমার্স/ফিন্যান্স/অ্যাকাউন্টিং/মার্কেটিং বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অথবা তিন বছর মেয়াদি সম্মানসহ এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সিএমএ বা সিএ ডিগ্রিধারীরা অগ্রাধিকার পাবেন। শিক্ষাজীবনের কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি প্রাপ্তদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

গ্রেডিং পদ্ধতিতে পাসের ক্ষেত্রে জিপিএ ৫-এর স্কেলে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং সিজিপিএ ৪-এর স্কেলে ন্যূনতম-২.৭৫ প্রাপ্ত হতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক (অর্থ/হিসাব/নিরীক্ষা/সমমান) পদে ন্যূনতম চার বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 

সহকারী ব্যবস্থাপক (অর্থ/হিসাব/নিরীক্ষা/সমমান) বা তদূর্ধ্ব পদে ন্যূনতম মোট ১২ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা; এর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন/সঞ্চালন/বিতরণ ইউটিলিটিতে তিন বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। টিকিউএম, কোম্পানি আইন, ট্যাক্স/ভ্যাট রুলস, করপোরেট গভর্নেন্স, স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্টে দক্ষতা থাকতে হবে। 

অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের গুণাবলি থাকতে হবে এবং বাংলা ও ইংরেজিতে যোগাযোগে দক্ষতাসহ কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে। চ্যালেঞ্জিং এবং বিরূপ পরিস্থিতিতে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বয়স: ১৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সর্বোচ্চ ৫০ বছর।

মূল বেতন: ১,০৫,০০০ টাকা (গ্রেড-৪)

যোগ-সুবিধা: মূল বেতন ছাড়াও বাড়িভাড়া, প্রতিবছর দুটি উৎসব বোনাস, নববর্ষ ভাতা, যৌথ ভবিষ্য তহবিল, গ্রুপ ইনস্যুরেন্স, অর্জিত ছুটি নগদায়ন, গ্রাচ্যুইটি, প্রকৃত চিকিৎসা খরচ এবং অন্যান্য প্রান্তিক সুবিধা ও ভাতা দেওয়া হবে।

৩. পদের নাম: ব্যবস্থাপক (এইচআরএম/অ্যাডমিন)

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচআর/ম্যানেজমেন্ট বা এ ধরনের বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অথবা তিন বছর মেয়াদি সম্মানসহ এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতকোত্তরসহ পিজিডি-এইচআরএম ডিগ্রিসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি প্রাপ্তদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। 

গ্রেডিং পদ্ধতিতে পাসের ক্ষেত্রে জিপিএ ৫-এর স্কেলে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং সিজিপিএ ৪-এর স্কেলে ন্যূনতম-২.৭৫ প্রাপ্ত হতে হবে। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনে অন্তত আট বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা; এর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন/বিতরণ/সঞ্চালন প্রতিষ্ঠানে উপব্যবস্থাপক (এইচআরএম/অ্যাডমিন/সমমান) পদে চার বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। টিকিউএম, করপোরেট গভর্নেন্স, শ্রম আইন, স্ট্র্যাটেজিক হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদিতে জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের গুণাবলি থাকতে হবে এবং বাংলা ও ইংরেজিতে যোগাযোগে দক্ষতাসহ কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে। চ্যালেঞ্জিং এবং বিরূপ পরিস্থিতিতে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বয়স: ১৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

মূল বেতন: ৯১,০০০ টাকা (গ্রেড-৫)

যোগ-সুবিধা: মূল বেতন ছাড়াও বাড়িভাড়া, প্রতিবছর দুটি উৎসব বোনাস, নববর্ষ ভাতা, যৌথ ভবিষ্য তহবিল, গ্রুপ ইনস্যুরেন্স, অর্জিত ছুটি নগদায়ন, গ্রাচ্যুইটি, প্রকৃত চিকিৎসা খরচ এবং অন্যান্য প্রান্তিক সুবিধা ও ভাতা দেওয়া হবে।

চাকরির ধরন

এক বছর শিক্ষানবিশকালসহ তিন বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগযোগ্য এবং পরবর্তী সময় সন্তোষজনক কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে চাকরির মেয়াদ ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নবায়নযোগ্য।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনপত্র পূরণ–সংক্রান্ত নিয়মাবলি ও শর্তাবলি এই ওয়েবসাইটে (https://cpgcbl.gov.bd/) জানা যাবে। আবেদন ফরম পূরণ করে সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও মার্কশিট/ট্রান্সক্রিপ্টের ফটোকপি; চাকরির অভিজ্ঞতার সনদ/প্রমাণপত্রের ফটোকপি; যথাযথ কর্তৃপক্ষের সম্মতিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে); জাতীয় পরিচয়পত্র ও নাগরিক সনদের ফটোকপি এবং সদ্য তোলা তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ আবেদনপত্র সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। আগে যারা উপমহাব্যবস্থাপক (কমার্শিয়াল) পদে আবেদন করেছেন, তাদের আর আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিয়োগ–সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে।


img

৪ লাখ ৬৮ হাজার সরকারি পদ শূন্য, নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত :  ০৯:০৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি চাকরির বিভিন্ন গ্রেডে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। এসব শূন্যপদ পূরণে এরইমধ্যে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিসিএসসহ সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মুখস্থ নির্ভর সিলেবাস বাদ দিয়ে ‘দক্ষতাভিত্তিক’ মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকারের অনুমতি ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ তথ্য উত্থাপন করা হয়। সরকার ও বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের পৃথক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে সরকারি শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। এর মধ্যে, প্রথম শ্রেণি (১ম-৯ম গ্রেড) ৬৮,৮৮৪টি পদ। দ্বিতীয় শ্রেণি (১০ম-১২তম গ্রেড) ১,২৯,১৬৬টি পদ। ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডে ১,৪৬,৭৯৯টি পদ। ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেড ১,১৫,২৩৫টি পদ। অন্যান্য ৮,১৩৬টি পদ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের বিষয়টি তদারকির জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ বিনির্মাণে মেধা, সততা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগ ও পদোন্নতির একমাত্র মাপকাঠি। বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা ভিত্তিক নিয়োগ হচ্ছে। বাকি ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং ১ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

এমপি হারুন-অর-রশিদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল বারী জানান, বিসিএস পরীক্ষায় মুখস্থ নির্ভরতা কমাতে সিলেবাস পরিবর্তনের কাজ চলছে। এজন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পর্যালোচনা করছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর জ্ঞান ও মনোভাব যাচাইয়ে ‘যোগ্যতা-ভিত্তিক সাক্ষাৎকার’ চালু এবং এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

এমপি শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত ১৬ বছরে বিসিএস প্রশাসনে ১২ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৩৯ জনকে বরখাস্ত এবং ৫৬৪ জনকে ওএসডি করা হয়েছিল। এছাড়া গত সরকারের সময় নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের বিষয়ে দুদক ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত করছে।

চাকরি এর আরও খবর