img

Kormi24.com: বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নতুন যুগের সূচনা

প্রকাশিত :  ০৬:২৮, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

Kormi24.com: বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নতুন যুগের সূচনা

✍️ ড. আরিফুজ্জামান

ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে দেশীয় দক্ষ জনবল ও নিয়োগকর্তাদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন, বৈশ্বিক বাজারেও দৃষ্টি

ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫: বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির প্রাণশক্তি হলো এর বিশাল কর্মক্ষম জনবল। বর্তমানে দেশের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা তুঙ্গে থাকলেও, সনাতন কর্মসংস্থান পদ্ধতি এবং কার্যকর প্ল্যাটফর্মের অভাব সেই চাহিদা পূরণের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে Kormi24.com। যুগান্তকারী এই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নিয়োগকর্তা এবং দক্ষ কর্মীদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করেছে, যা দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ইতোমধ্যে প্ল্যাটফর্মটিতে ২২,৩৯৯-এরও বেশি দক্ষ কর্মী নিবন্ধিত হয়েছেন, যা এর তাৎক্ষণিক সাফল্য ও প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করে।

Kormi24.com-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজুয়ান আহম্মেদ বলেন, “আমরা শুধু একটি জব পোর্টাল নই, বরং দেশের তরুণ ও সম্ভাবনাময় কর্মশক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম তৈরি করছি।” তার এই মন্তব্য কেবল ব্যবসায়িক লক্ষ্য নয়, বরং বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত বহন করে।

প্রচলিত সমস্যার গভীর বিশ্লেষণ: কেন একটি আধুনিক সমাধান অপরিহার্য ছিল?

বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য কর্মসংস্থান একটি জটিল ও বহুমুখী চ্যালেঞ্জ। প্রচলিত কর্মসংস্থান পদ্ধতিগুলো এই জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। নিয়োগকর্তারা এখনো স্থানীয় সংবাদপত্র, পরিচিতজন বা অনানুষ্ঠানিক মধ্যস্থতাকারীর ওপর নির্ভর করেন, যা কেবল সময়সাপেক্ষ নয়, বরং ব্যয়বহুলও। এই পদ্ধতিগুলো প্রায়শই অসংগঠিত থাকে এবং যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ সীমিত রাখে, ফলে নিয়োগকর্তা ও কর্মীর মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়। একজন ঠিকাদার বা একটি আইটি কোম্পানি স্থানীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কর্মী খুঁজতে বাধ্য হলে তাদের কাজের গতি কমে যায়, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নির্মাণ, আইটি, স্বাস্থ্যসেবা ও কারিগরি শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে এই সমস্যা আরও প্রকট।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—বাংলাদেশে সাত কোটিরও বেশি কর্মক্ষম মানুষ থাকা সত্ত্বেও বহু দক্ষ ব্যক্তি কার্যকর প্ল্যাটফর্মের অভাবে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। Kormi24.com-এর উত্থান শ্রমবাজারে একটি গভীর কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এটি অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারকে আনুষ্ঠানিক ও সুসংগঠিত কাঠামোর দিকে পরিচালিত করছে। বিস্তারিত প্রোফাইল, রেটিং এবং সরাসরি যোগাযোগের মতো ফিচার কর্মী ও নিয়োগকর্তার আস্থা পুনর্গঠনে সহায়তা করছে, যা অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর কাঠামো প্রদান করবে। সফল হলে এই মডেল কর্মসংস্থানের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জিডিপি বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

Kormi24.com: প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের আধুনিক রূপ

Kormi24.com-এর লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মসংস্থানকে আরও সহজ, কার্যকর ও স্বচ্ছ করে তোলা। এটি কেবল কাজের তালিকা প্রদর্শনের ওয়েবসাইট নয়, বরং কর্মী ও নিয়োগকর্তার চাহিদা অনুযায়ী উদ্ভাবনী ফিচার সরবরাহকারী একটি গতিশীল প্ল্যাটফর্ম। এর তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো:

১. রিয়েল-টাইম ম্যাপ: ব্যবহারকারীরা নিজেদের আশেপাশের এলাকায় উপলব্ধ কর্মীদের দেখতে পারেন। জরুরি ভিত্তিতে ইলেকট্রিশিয়ান বা প্লাম্বারের প্রয়োজন হলে এই ফিচারের মাধ্যমে কাছাকাছি থাকা দক্ষ কর্মীকে খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। এটি অন-ডিমান্ড সার্ভিস মডেলকে বাস্তবে রূপ দেয়।

২. বিস্তারিত প্রোফাইল: প্রতিটি কর্মীর প্রোফাইলে ছবি, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও রেটিং অন্তর্ভুক্ত থাকে। নিয়োগকর্তা যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ পান, ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়। রিভিউ ও রেটিং কর্মীর দক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে নিরপেক্ষ ধারণা দেয়, যা ঝুঁকি কমায়।

৩. সরাসরি যোগাযোগ: প্ল্যাটফর্মে নিয়োগকর্তা ও কর্মীর মধ্যে সরাসরি চ্যাট বা কলের ব্যবস্থা আছে। মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা যায়। এতে খরচ কমে এবং যোগাযোগের গতি বাড়ে।

বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটিতে ৪৪১টিরও বেশি ক্যাটাগরিতে ২২,২০০-এরও বেশি কর্মী তালিকাভুক্ত আছেন এবং এই পরিষেবা সম্পূর্ণ কমিশন-মুক্ত। এর ফলে এটি বিভিন্ন গ্রাহকের জন্য পূর্ণাঙ্গ সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বাজার সম্ভাবনা, প্রবৃদ্ধি এবং আর্থিক চিত্র

Kormi24.com বাজারে এসেছে এমন সময়ে যখন বৈশ্বিক দক্ষ কর্মী বাজার দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। ২০২১ সালে এই বাজারের আকার ছিল প্রায় ১১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৭ সালের মধ্যে ২৪.৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি শ্রমবাজারে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন।

বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে এই খাতে ১১৯.৯ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১২ গুণ বেশি। এই প্রবণতা উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য অনুকূল পরিবেশ নির্দেশ করে।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে Kormi24.com ২০২৭ সালের মধ্যে ৫০ লাখ কর্মীকে প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এটি কেবল সংখ্যা নয়, বরং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কর্মসংস্থান সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ আহ্বান

Kormi24.com কেবল একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে রিয়েল-টাইম চ্যাট সিস্টেম, KormiPay নামে নিজস্ব ডিজিটাল পেমেন্ট সলিউশন, আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণ, কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও রেটিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সহজ ব্যবহারযোগ্য মোবাইল অ্যাপ তৈরি।

KormiPay অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় শুধু নিয়োগ নয়, বরং আর্থিক লেনদেনও প্ল্যাটফর্মের ভেতরে হবে, যা নিরাপত্তা ও আস্থার নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ খুঁজছে। অর্থ প্রযুক্তি উন্নয়ন, মার্কেটিং ও নতুন ফিচার বাস্তবায়নে ব্যয় হবে। এর মাধ্যমে Kormi24.com বুটস্ট্র্যাপিং থেকে গ্রোথ-স্টেজ ভেঞ্চারে রূপ নেবে।

প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেজুয়ান আহম্মেদ বলেন, “দক্ষ কর্মীর চাহিদা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে, আর আমাদের উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক মডেল বিনিয়োগকারীদের জন্য উচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করবে।”

গ্রাহক ও আয়ের উৎস: একটি টেকসই মডেল

Kormi24.com-এর ব্যবসায়িক মডেল নির্ভর করছে বৈচিত্র্যময় গ্রাহক ও আয়ের উৎসের ওপর। নির্মাণ কোম্পানি, আইটি ফার্ম, হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষও প্ল্যাটফর্মের গ্রাহক।

আয়ের উৎসের মধ্যে রয়েছে সাবস্ক্রিপশন, বিজ্ঞাপন এবং প্রিমিয়াম পরিষেবা। এই বহুমুখী আয়ের মডেল প্ল্যাটফর্মের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করছে এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্ক প্রভাব তৈরি করছে। যত বেশি ব্যবহারকারী যুক্ত হবে, এর মূল্য তত বাড়বে এবং প্রবৃদ্ধি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্বরান্বিত হবে।

বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে Kormi24.com-এর ভূমিকা

বাংলাদেশের কর্মসংস্থান খাতে Kormi24.com কেবল একটি স্টার্টআপ নয়, বরং শ্রমবাজারে কাঠামোগত পরিবর্তনের অগ্রদূত। এটি দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগানো, সনাতন পদ্ধতিকে আধুনিকীকরণ এবং স্বচ্ছ শ্রমবাজার গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এখানে নিয়োগকর্তারা সহজে দক্ষ জনবল খুঁজে পাচ্ছেন, কর্মীরাও দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে কর্মসংস্থান আরও সহজ, আনুষ্ঠানিক ও কার্যকর হচ্ছে। সফল হলে এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করবে এবং একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজার গড়ে তুলবে।

রেজুয়ান আহম্মেদ-এর ভিশন অনুযায়ী, Kormi24.com বিনিয়োগকারীদের জন্য মুনাফার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক মানচিত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।


img

৪ লাখ ৬৮ হাজার সরকারি পদ শূন্য, নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত :  ০৯:০৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি চাকরির বিভিন্ন গ্রেডে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। এসব শূন্যপদ পূরণে এরইমধ্যে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিসিএসসহ সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মুখস্থ নির্ভর সিলেবাস বাদ দিয়ে ‘দক্ষতাভিত্তিক’ মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকারের অনুমতি ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ তথ্য উত্থাপন করা হয়। সরকার ও বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের পৃথক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে সরকারি শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। এর মধ্যে, প্রথম শ্রেণি (১ম-৯ম গ্রেড) ৬৮,৮৮৪টি পদ। দ্বিতীয় শ্রেণি (১০ম-১২তম গ্রেড) ১,২৯,১৬৬টি পদ। ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডে ১,৪৬,৭৯৯টি পদ। ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেড ১,১৫,২৩৫টি পদ। অন্যান্য ৮,১৩৬টি পদ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের বিষয়টি তদারকির জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ বিনির্মাণে মেধা, সততা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগ ও পদোন্নতির একমাত্র মাপকাঠি। বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা ভিত্তিক নিয়োগ হচ্ছে। বাকি ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং ১ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

এমপি হারুন-অর-রশিদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল বারী জানান, বিসিএস পরীক্ষায় মুখস্থ নির্ভরতা কমাতে সিলেবাস পরিবর্তনের কাজ চলছে। এজন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পর্যালোচনা করছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর জ্ঞান ও মনোভাব যাচাইয়ে ‘যোগ্যতা-ভিত্তিক সাক্ষাৎকার’ চালু এবং এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

এমপি শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত ১৬ বছরে বিসিএস প্রশাসনে ১২ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৩৯ জনকে বরখাস্ত এবং ৫৬৪ জনকে ওএসডি করা হয়েছিল। এছাড়া গত সরকারের সময় নিয়োগে দুর্নীতি ও দলীয়করণের বিষয়ে দুদক ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত করছে।

চাকরি এর আরও খবর