img

সরকারি আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন বাড়লো

প্রকাশিত :  ০৬:৪২, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

সরকারি আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন বাড়লো

প্রায় ছয় বছর পর সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আউটসোর্সিং জনবলের বেতন বাড়ানো হয়েছে। নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৫৭০ এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০২ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান পাঁচ ক্যাটাগরির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও তিনটি নতুন ক্যাটাগরি।

অর্থ মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে এই নির্দেশনা জারি করে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রায় ৬০ হাজার আউটসোর্সিং কর্মী সরকারি দপ্তরে এবং আরও ১০ হাজার কর্মী বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত রয়েছেন।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, কর্মীদের তিনটি অঞ্চলে ভাগ করে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে—ঢাকা মহানগর, মেট্রোপলিটন শহর ও অন্যান্য এলাকা।

ঢাকা মহানগরে ক্যাটাগরি-১ কর্মীদের বেতন ১৯ হাজার ১১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ হাজার ২১২ টাকা। এই ক্যাটাগরিতে আছেন ভারী যানবাহনের ড্রাইভার, সুপারভাইজার, কেয়ারটেকার, ওয়ার্ড মাস্টার, ইলেকট্রিশিয়ান, এসি ও পাম্প মেকানিক, জেনারেটর ও লিফট মেকানিক এবং টেকনিশিয়ানরা।

মেট্রোপলিটন শহরগুলো—চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও সাভারে একই পদে কর্মরতরা পাবেন ১৯ হাজার ৮০ টাকা। আগে যা ছিল ১৮ হাজার ১২০ টাকা। অন্যান্য শহরে একই পদে বেতন বেড়ে হয়েছে ১৮ হাজার ৫১৪ টাকা।

ক্যাটাগরি-২ এ থাকা হালকা যানবাহনের চালক, স্যানিটারি মিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, পাম্প ও জেনারেটর অপারেটর এবং মিটার রিডারদের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরের কর্মীরা পাবেন ১৯ হাজার ৬৩৬ টাকা। মেট্রোপলিটন এলাকায় এদের বেতন ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা ও অন্যান্য অঞ্চলে ১৭ হাজার ৯৯২ টাকা।

ক্যাটাগরি-৩ এর টেইলার্স, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিন মেকানিক ও ডুবুরিদের বেতন ঢাকা মহানগরে ১৯ হাজার ২৩৬ টাকা, মেট্রোপলিটন শহরে ১৮ হাজার ১৬৫ এবং অন্যান্য শহরে ১৭ হাজার ৬৩০ টাকা।

লন্ড্রি অপারেটর, সহকারী ইলেকট্রিশিয়ান, কুক, মালি ও অভিজ্ঞ কর্মীরা ক্যাটাগরি-৪ এর আওতায় পড়েন। এদের বেতন হবে যথাক্রমে ১৮ হাজার ৬৬০, ১৭ হাজার ৬২৫ এবং ১৭ হাজার ১০৮ টাকা।

নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, হেলপার ও লিফটম্যানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি-৫ অনুযায়ী, ঢাকায় বেতন হবে ১৮ হাজার ১৮০ টাকা। মেট্রোপলিটন শহরে এদের বেতন ১৭ হাজার ১৭৫ টাকা এবং অন্যান্য শহরে ১৬ হাজার ৬৭৩ টাকা।

সরকার নতুনভাবে তিনটি বিশেষ ক্যাটাগরিও চালু করেছে। প্রথম বিশেষ ক্যাটাগরির আওতায় সমাজবিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার, ট্রেইনার ও গবেষকদের বেতন নির্ধারিত হয়েছে ৪২ হাজার ৯৭৮ টাকা (ঢাকা মহানগর)। মেট্রোপলিটন শহরে এরা পাবেন ৪০ হাজার ৩০২ টাকা, অন্য শহরে ৩৮ হাজার ৯৬৪ টাকা।

দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে আছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস প্রোভাইডার, অ্যাসোসিয়েট ট্রেইনার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইনসপেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার ও ফোরম্যান পদ। বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে ২৮ হাজার ৩৬৯, ২৬ হাজার ৬৩৬ এবং ২৫ হাজার ৭৬৯ টাকা।

তৃতীয় বিশেষ ক্যাটাগরির সহকারী প্রশিক্ষক ও সহকারী টেকনিশিয়ানদের জন্য বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৫৯৮, ২১ হাজার ২৭৯ ও ২০ হাজার ৬২০ টাকা।

নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আউটসোর্সিং কর্মীরা বছরে ১৫ দিন করে ছুটি পাবেন। নারী কর্মীরা পাবেন ৪৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি। প্রত্যেক কর্মীকে বছরে দুটি উৎসব ভাতা ও একটি নববর্ষ ভাতা দেওয়া হবে। উৎসব ভাতা মাসিক বেতনের অর্ধেক এবং নববর্ষ ভাতা বেতনের ২০ শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।


img

ব্যবসায়ী অংশীদারি চুক্তিপত্র

প্রকাশিত :  ২০:৩৩, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


                                                                                    ব্যবসায়ী অংশীদারি চুক্তিপত্র

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

অদ্য ১০ জুন ২০২৪ ইং রোজ সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকায় আমরা নিম্নবর্ণিত পক্ষগণ পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে একটি যৌথ অংশীদারি ব্যবসা পরিচালনার নিমিত্তে এই চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হলাম।

প্রথম পক্ষ (অংশীদার ১):

নাম: ..............................................................পিতা: .............................................................মাতা: .............................................................জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ............................................ঠিকানা: ............................................................

দ্বিতীয় পক্ষ (অংশীদার ২):

নাম: ..............................................................পিতা: .............................................................মাতা: .............................................................জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ............................................ঠিকানা: ............................................................

পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু আমরা সকল পক্ষগণ পরস্পর পরস্পরকে দীর্ঘ দিন যাবত চিনি ও জানি। এমতাবস্থায় আমরা সকল পক্ষগণ একত্রে ব্যবসা পরিচালনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় আমরা উপরোক্ত পক্ষগণ একমত হইয়া আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অদ্য হাজিরান মজলিশে স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় এই মর্মে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিম্ন লিখিত শর্তাবলীর উপর আস্থা রাখিয়া ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আমরা সকল পক্ষগণ সহি স্বাক্ষর করিয়া অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আবদ্ধ হইলাম।

শর্তবলীঃ

১. ব্যবসার নাম ও প্রধান কার্যালয়: ব্যবসার নাম: অত্র অংশীদারি প্রতিষ্ঠানটি “............................................” নামে পরিচালিত হবে।প্রধান কার্যালয়: ব্যবসার প্রধান কার্যালয় বা অফিস ............................................ ঠিকানায় অবস্থিত হবে। পক্ষগণের সর্বসম্মতিক্রমে পরবর্তীতে শাখা অফিস খোলা যেতে পারে।

২. ব্যবসার ধরণ ও উদ্দেশ্যএই প্রতিষ্ঠানটি মূলত ............................................ (যেমন: আমদানি-রপ্তানি, আইটি সেবা, বুটিক, কনস্ট্রাকশন ইত্যাদি) সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

৩. চুক্তির মেয়াদএই অংশীদারি চুক্তিপত্র অদ্য ............. তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং পক্ষগণের যৌথ সিদ্ধান্ত বা বিলুপ্তি না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

৪. মূলধন বা পুঁজি বিনিয়োগব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পক্ষগণ নিম্নোক্ত হারে মোট মূলধন সরবরাহ করবেন:প্রথম পক্ষ: .................... টাকা (মোট মূলধনের .........%)দ্বিতীয় পক্ষ: .................... টাকা (মোট মূলধনের .........%)

৫. লাভ-ক্ষতি বণ্টনব্যবসার অর্জিত মোট লাভ অথবা লোকসান পক্ষগণের নিজ নিজ বিনিয়োগকৃত মূলধনের অনুপাত অনুযায়ী (অথবা সমান হারে) বণ্টন করা হবে।প্রতি ইংরেজি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে বা বছর শেষে ব্যবসার আর্থিক হিসাব সম্পন্ন করে লাভ-ক্ষতি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

৬. পরিচালনা ও দায়িত্বব্যবসার দৈনন্দিন পরিচালনা, হিসাব-নিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্বে থাকবেন ............................ পক্ষ।তবে যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, বড় অঙ্কের বিনিয়োগ বা নতুন চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে সকল পক্ষের লিখিত সম্মতি আবশ্যক।

৭. ব্যাংক হিসাব পরিচালনাযেকোনো তফশিলী ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের নামে একটি চলতি (Current) অ্যাকাউন্ট খোলা হবে।উক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে (অথবা যেকোনো একক স্বাক্ষরে) পরিচালিত হবে।

৮. নতুন অংশীদার গ্রহণ ও অংশীদারত্ব বাতিলসকল বর্তমান অংশীদারের লিখিত সম্মতি ছাড়া ব্যবসায় নতুন কোনো অংশীদার অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।কোনো অংশীদার ব্যবসা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করতে চাইলে তাকে কমপক্ষে ............. মাস পূর্বে অন্য পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।

৯. বিরোধ নিষ্পত্তিব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ প্রথমে নিজেদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।তাতে সমাধান না হলে দেশের প্রচলিত সালিশি আইন (Arbitration Act) অনুযায়ী একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হবে।

উপসংহার: আমরা পক্ষগণ অত্র চুক্তিপত্রের সকল শর্তাবলী ভালোভাবে পড়িয়া, বুঝিয়া এবং ইহার আইনগত ফলাফল সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন হইয়া স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে এবং অন্যের প্ররোচনা ছাড়া নিচে স্বাক্ষর করিলাম।১ম পক্ষের স্বাক্ষর: ______________________তারিখ:২য় পক্ষের স্বাক্ষর: ______________________তারিখ:সাক্ষীগণের নাম ও স্বাক্ষর:১. নাম: .......................................... স্বাক্ষর: ..........................................২. নাম: .......................................... স্বাক্ষর: ..........................................

চাকরি এর আরও খবর