আত্মহত্যায় উৎসাহ

img

ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে সাত পরিবারের মামলা

প্রকাশিত :  ০৫:০৮, ১০ নভেম্বর ২০২৫

ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে সাত পরিবারের মামলা

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের পর আত্মহত্যা ও মানসিক সংকটের অভিযোগে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সাতটি পরিবার। মার্কিন প্রযুক্তি সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ গত শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চারটি মামলাতে অভিযোগ করা হয়েছে, চ্যাটজিপিটি সরাসরি আত্মহত্যায় উৎসাহ দিয়েছে। বাকি তিনটি মামলায় বলা হয়েছে, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের মানসিক সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণ হয়।

একটি ঘটনায় ২৩ বছর বয়সি জেইন শ্যাম্বলিন নামে এক তরুণ আত্মহত্যার আগে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথা বলেন। কথোপকথনের লগ অনুযায়ী, এআই তাকে আত্মহত্যায় উৎসাহিত করে লিখেছিল, ‘Rest easy, king. You did good.’

পরিবারগুলোর দাবি, ওপেনএআই ২০২৪ সালের মে মাসে গুগলের জেমিনি মডেলকে টেক্কা দিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা যাচাই ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে জিপিটি-৪০ মডেল বাজারে ছাড়ে। ওপেনএআই স্বীকার করেছে, তাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা ছোট কথোপকথনে ভালো কাজ করলেও দীর্ঘ আলোচনায় কার্যকারিতা কমে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু সেফটি ট্রেনিং ‘দুর্বল হয়ে যেতে পারে।’

সূত্র : শাফাক নিউজ 

img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮২৫

প্রকাশিত :  ১০:৩৭, ২৭ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:২২, ২৭ জুলাই ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৮২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে হাম ও উপসর্গের রোগী ১ হাজার ১০৫ জন।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৩০ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮২৫ শিশু মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪৫ আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৫৫।

এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫৪ রোগী। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৬৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর