img

এবার কনটেন্ট তৈরির সুবিধা দিচ্ছে চ্যাটজিপিটি

প্রকাশিত :  ০৮:১৩, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার কনটেন্ট তৈরির সুবিধা দিচ্ছে চ্যাটজিপিটি

এবার চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট কিংবা বিষয়বস্তু তৈরি করতে পারেন। আপনি যত বিস্তারিত তথ্য দেবেন, চ্যাটজিপিটি তত ভালো কনটেন্ট তৈরি করবে। যদিও চ্যাটজিপিটির দেওয়া তথ্য সবসময় শতভাগ সঠিক নাও হতে পারে, তাই পাবলিশ করার আগে একবার যাচাই করে নেওয়া জরুরি। আপনি কি নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর কনটেন্ট তৈরি করতে চাচ্ছেন? তাহলে বিস্তারিত বললে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি। 

এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আরও উন্মুক্ত কনটেন্ট তৈরি করার সুবিধা করে দিয়েছে জনপ্রিয় এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি। ইতোমধ্যে কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান জানিয়েছেন, খুব শিগগির এক আপডেটের মাধ্যমে যাচাইকৃত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীরা ‘ইরোটিকা’ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে অল্টম্যান জানিয়েছেন, আমরা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীর প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবেই বিবেচনা করতে চাই। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নতুন আপডেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাইলে বটকে \'আরও মানুষের মতো করে\' প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম করতে পারবেন। এরপর এমন একটি ফিচার যা ব্যবহারকারীর ইরোটিকা কনটেন্ট তৈরি করার অনুমতি দেবে।

তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য ইস্যুতে সতর্ক থাকার জন্যই আমরা চ্যাটজিপিটিকে বেশ সীমিত রেখেছিলাম। আমরা জানি, এতে অনেক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা কমে গিয়েছিল। কিন্তু নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তখন মূল লক্ষ্য ছিল।

অল্টম্যান বলেন, এখন আমাদের কাছে এমন প্রযুক্তি ও টুল আছে, যা মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝুঁকি কমাতে সক্ষম। তাই আমরা নিরাপদভাবে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা তুলে দিতে পারব।

এর আগে চলতি বছরের আগস্টে ওপেনএআই চ্যাটজিপিটির উত্তরে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল। কারণ ব্যবহারকারীর একাংশ চ্যাটবটের সঙ্গে ক্ষতিকর মানসিক সম্পর্ক তৈরি করছে— এমন উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরের আত্মহত্যার পর তার বাবা-মা ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়েছিল, চ্যাটজিপিটি তাকে আত্মহত্যার পদ্ধতি জানায় এবং এমনকি তার ‘সুইসাইড নোট’-এর খসড়াও লিখে দেয়।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

স্টারলিংক নিয়ে মুখোমুখি মাস্ক-ভারত, পালটাপালটি বার্তা

প্রকাশিত :  ০৭:০৯, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতে স্টারলিংকের বাণিজ্যিক পরিষেবা চালুর পথে কারা বাধা দিচ্ছে, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন ইলন মাস্ক। বুধবার এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে স্পেসএক্সের কর্ণধার অভিযোগ করেন, কিছু ‘অলিগার্ক’ বা উগ্রপন্থী গোষ্ঠী নিজেদের একচেটিয়া ব্যবসায়িক আধিপত্য ধরে রাখতে ভারতে স্টারলিংকের প্রবেশ ঠেকিয়ে দিচ্ছে।

তবে মাস্কের অভিযোগের পরই বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারত সরকার তা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয় বলেছে, স্যাটেলাইট যোগাযোগ সেবার জন্য ভারতে একটি ‘ন্যায্য ও বৈষম্যহীন’ অনুমোদন কাঠামো রয়েছে।

সম্প্রতি ইলন মাস্ক অভিযোগ করেন, ভারতের কিছু ‘অলিগার্ক’ নিজেদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্টারলিংকের প্রবেশ আটকে দিচ্ছে।

তবে ভারতীয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে স্যাটেলাইট যোগাযোগ সেবার অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে না। লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই নির্ধারিত নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করতে হচ্ছে।

ভারতে ইতোমধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জিএমপিসিএস—গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট—লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো ইলন মাস্কের স্টারলিংক, ভারতী গ্রুপ-সমর্থিত ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং জিও প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন জিও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনস। এ ছাড়া জেফ বেজোসের অ্যামাজন লিও-ও লাইসেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, লাইসেন্সধারী সব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা মূল্যায়ন বর্তমানে চলছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের এই প্রক্রিয়া শেষ হলে তারা পরবর্তী ধাপে স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য আবেদন করতে পারবে।

স্টারলিংক এক বছরেরও বেশি আগে ভারতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পেলেও এখনো দেশটিতে বাণিজ্যিক সেবা শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। তবে ভারতের দাবি, লাইসেন্স পাওয়া তিন প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে প্রায় একই নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে স্টারলিংককে ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এর আগে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস ২০২৬-এ স্পেসএক্সের স্টারলিংক বিজনেস অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার বলেন, ভারতে সেবা চালুর জন্য প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করেছে।

তিনি জানান, ভারতের জন্য ২০টি গেটওয়ে সাইট স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে শত শত অ্যান্টেনা রয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক শর্ত মেনে ব্যবহারকারীদের তথ্য দেশটির ভেতরেই রাখার ব্যবস্থাও করেছে স্টারলিংক।

ফলে স্টারলিংকের বাণিজ্যিক সেবা চালুর ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের নিরাপত্তা যাচাই ও স্পেকট্রাম বরাদ্দের পরবর্তী প্রক্রিয়া।