img

ফ্রেন্ডস অব ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ইউকে প্রতিনিধি দলের সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শন

প্রকাশিত :  ১৩:০০, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ফ্রেন্ডস অব ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ইউকে প্রতিনিধি দলের সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শন

ফ্রেন্ডস অব ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ইউকে সিলেটের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সিনিয়র সহসভাপতি ও বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এম এ আহবাবের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সোয়েব আহমদ মতিন।

অনুষ্ঠানে পরিচিতি পর্ব শেষে বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি প্রফেসর ডা. সুধাংশু রঞ্জন দে, যুগ্ম সম্পাদক আবু তালেব মুরাদ, উপপরিচালক ডা. এ মুনিম চৌধুরী, ইউকে কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট মহিব চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এবং গোলাপগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইছবাহ উদ্দিন, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হক, জেনারেল সেক্রেটারি মনসুর আহমদ খান ও তাঁর সহধর্মিণী মেহেরুন্নেছা খান, জয়েন্ট সেক্রেটারি সাংবাদিক আব্দুল মুনিম জাহেদি ক্যারল ও তাঁর মেয়ে মায়মুনাহ মুনিম রিয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের এক্সিকিউটিভ মেম্বার পলি রহমান, রিলিজিয়াস সেক্রেটারি শেখ ফারুক আহমেদ, এক্সিকিউটিভ মেম্বার ও বৃটিশ পার্লামেন্টে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী মোহাম্মদ অহিদ উদ্দিন, সুইডেনের বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশ আইনবিদ মাহফুজ আহমদ খান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. তাসনিম আকতার সিমিন, জিএসসি সিলেট চ্যাপ্টারের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কয়েস আহমেদ সাগর, ইউকে কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মো. নেজাম উদ্দিন নজরুল, মোহাম্মদ মারুফ, ও মো. আব্দুল হালিম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বৃটিশ পার্লামেন্টের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী মোহাম্মদ অহিদ উদ্দিন তাঁর ছেলে ড. ওমর মোহাম্মদ শাফির পক্ষে হাসপাতালের উন্নয়ন তহবিলে এক লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যের আগামী প্রজন্মকে হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট ইউকে কমিটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ইউকে কমিটির আরও অনেক সদস্য হাসপাতালের উন্নয়নে অনুদান প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভা শেষে প্রতিনিধি দল হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং সার্বিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে লড়ছেন ৭ বাংলাদেশি

প্রকাশিত :  ০৭:৩১, ০৫ মার্চ ২০২৬

অর্ধডজনের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন ফ্রান্সের আসন্ন মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে ।

ফ্রান্সের আসন্ন মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে অর্ধডজনের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৫ মার্চ এবং প্রয়োজনে দ্বিতীয় দফা হবে ২২ মার্চ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ কমিউনিটিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের শক্ত উপস্থিতির বার্তা দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় কাউন্সিলে বাংলাদেশি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলে শিক্ষা, আবাসন, কর্মসংস্থান ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের বাস্তব সমস্যাগুলো সরাসরি তুলে ধরা সহজ হবে।

প্রার্থীরা কে কোথায় লড়ছেন?

রাব্বানী খান – প্যারিসের শহরতলি এস্তা পৌরসভা থেকে পুনরায় কাউন্সিলর পদে প্রার্থী। ২০২০ সালে তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফরাসি হিসেবে জয় পান। দীর্ঘদিন ধরে ফরাসি ভাষা শিক্ষা ও প্রশাসনিক সহায়তার মাধ্যমে কমিউনিটিতে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে তিনি বর্তমান মেয়র আজেদিন তাইবি প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এনকে নয়ন – ইল-দু-ফ্রঁস অঞ্চলের ভিলনভ-সুর-সেন এলাকা থেকে ‘ভিন্যু সলিদেয়ার এ পপুলেয়ার’ প্যানেল থেকে প্রার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠিত ‘সাফ’ সংস্থার মাধ্যমে বিনা মূল্যে কমিউনিটি সেবা দিয়ে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন। ডেপুটি মেয়র পদেও তিনি প্রার্থী। নয়ন বলেন, ‘বাংলাদেশিরা এখন শুধু প্রবাসী নয়, ফ্রান্সের সক্রিয় নাগরিক হিসেবে সমাজ গঠনে অংশ নিতে প্রস্তুত।’

আকাশ বড়ুয়া – উদ্যোক্তা আকাশ বড়ুয়া লা কুরনভ শহরে স্থানীয় কমিউনিস্ট পার্টি সমর্থিত নাদিয়া ছাবুন প্যানেল থেকে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন। তিনি মনে করেন, মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করা সম্ভব।

আব্দুস সামাদ – ভিলনভ-সুর-সেন এলাকা থেকে ‘ভিন্যু সলিদেয়ার এ পপুলেয়ার’ প্যানেল থেকে প্রার্থী। নির্বাচিত হলে কমিউনিটির কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দেবেন বলে জানিয়েছেন।

নাসির উদ্দীন ভুঁইয়া – লা কুরনভ এলাকায় মেয়র পদপ্রার্থী ওমারো দোকুরু প্যানেল থেকে কাউন্সিলর হিসেবে লড়ছেন। অভিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের প্রতিনিধি হওয়ার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।      

জুবাইদ আহমেদ – ফ্রান্স ন্যাশনাল ক্রিকেট টিমের খেলোয়াড় জুবাইদ আহমেদ এভ্রি-সুর-সেন এলাকা থেকে ফ্রন্ট পপুলেয়ার দলের প্যানেলভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তার অংশগ্রহণ নজর কাড়ছে।

সরুফ সোদিওল – ২০২০ সালের নির্বাচনে সাঁ-দেনি এলাকা থেকে আলোচনায় আসেন। এবারের নির্বাচনে তিনি বর্তমান মেয়র ম্যাথিউ হানোতিন প্যানেলভুক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উল্লেখ্য, ফ্রান্সে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোট দেওয়া হয় না। ভোটাররা কোনো একক প্রার্থীর পক্ষে নয়, বরং পুরো লিস্টের পক্ষে ভোট দেন। এই লিস্ট সাধারণত একজন মেয়র প্রার্থীর নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং এতে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী থাকেন। প্রথম দফায় ৫০ শতাংশ ভোট পেলে সেই লিস্ট পায় অর্ধেক আসন ‘মেজরিটি বোনাস’ হিসেবে। বাকি আসনগুলো প্রপোরশনাল পদ্ধতিতে বণ্টন করা হয়। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দ্বিতীয় দফা ভোট হয়। লিস্টের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত ও লিস্টে প্রার্থীদের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলররা নির্বাচিত হন। পরে গঠিত পৌর পরিষদের সদস্যরা নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে মেয়র হিসাবে নির্বাচন করেন। অর্থাৎ মেয়রও সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না।

কমিউনিটি এর আরও খবর