img

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবাকে মনে পড়ল শবনম ফারিয়ার

প্রকাশিত :  ০৯:৩৯, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবাকে মনে পড়ল শবনম ফারিয়ার

স্যোশাল মিডিয়ায় সবসময়ই বেশ সরব অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাসহ নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে বরাবরই সাহসী তিনি। 

এবার নির্বাচনি প্রচারণার উত্তাপের মাঝে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়ে গেল এই অভিনেত্রীর। 

ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে বাবার শান্ত স্বভাব এবং নিজের পরিবারের নারীদের ‘শাসন’ নিয়ে মজার এক স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে লড়ছেন মির্জা আব্বাস। সম্প্রতি তার নির্বাচনী প্রচারণার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। 

সেই ভিডিওগুলো দেখেই ফারিয়ার উপলব্ধি—তার বাবার মতোই অসীম ধৈর্য এই রাজনীতিবিদের।

ফারিয়া লেখেন, ‘গত কিছুদিন নির্বাচনি প্রচারের বিভিন্ন ভিডিওতে মির্জা আব্বাস সাহেবের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ছে।’

কেন মির্জা আব্বাসের ধৈর্য তাকে বাবার কথা মনে করিয়ে দিল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ফারিয়া বেশ রসিকতার ছলে। 

তিনি জানান, তার বাবা ছিলেন ভীষণ ঠান্ডা স্বভাবের মানুষ, কিন্তু মা ছিলেন ঠিক তার উল্টো। দাদির কড়া শাসনে বড় হওয়া বাবার জীবন কেটেছে মা, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনে।

ফারিয়া কৌতুক করে লেখেন, ‘আমি প্রায়ই হাসতে হাসতে বলি আমার বাবার তো জান্নাত অনেকটাই কনফার্মই। আমার বাবা এই দুনিয়ায় ৪১ বছর আমার মাকে, ৬২ বছর তার মাকে এবং পরবর্তীতে তার তিন কন্যাকে—এই ভয়ংকর ৫ মহিলাকে হাসিমুখে সহ্য করে গেছেন। তার শাস্তি তো দুনিয়াতেই শেষ, আর কী শাস্তি পাবে!’

ফারিয়ার স্ট্যাটাসটি যে নিছকই মজা করে দেওয়া এবং এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মের কোনো গভীর যোগসূত্র নেই, তা মনে করিয়ে দিতেও ভোলেননি অভিনেত্রী। 

পোস্টের শেষলগ্নে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তার বিশেষ অনুরোধ, ‘আল্লাহ ওয়াস্তে এইটা নিয়ে নিউজ করবেন না। প্লিজ। আর দয়া করে ধর্মীয় কিছু রিলেট করবেন না, এইটা কোনো সিরিয়াস স্টেটমেন্ট না।’

যদিও ফারিয়ার এই ‘নিউজ না করার’ অনুরোধই শেষ পর্যন্ত ভাইরাল নিউজে রূপ নিয়েছে।

img

'বোরকা' আমার কাছে স্রেফ একটি পোশাক, এর বেশি কিছু নয়: বাঁধন

প্রকাশিত :  ০৭:১৪, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:২৭, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন বহুবার পোশাক নিয়ে ট্রলের শিকার হয়েছেন । তার সাজপোশাক নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে, কেউ কেউ তাকে বোরকা পরার পরামর্শও দিয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যখন দেশ সরগরম, এমন সময় ভোটের ঠিক পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে একটি পোস্ট দেন বাঁধন।

পোস্টে দুটি ছবি কোলাজ করে শেয়ার করেন বাঁধন। তাতে দেখা যায়, একটা তে বোরকা পরে আছেন, অন্যটি শাড়ি। দুটি ছবির সঙ্গে ছিল এক ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তাও। 

সেই বার্তায় তার পোশাক নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অভিনেত্রী। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে যারা তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছিলেন, তাদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, এই ছবিটা বিশেষ করে তাদের জন্য, যারা আমাকে ‘বোরকা কিনতে’ বলেছিলেন। জানিয়ে রাখি, ছোটবেলা থেকেই আমি আমার দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত বোরকা পরে আসছি।

বাঁধন লেখেন, ‘আমার কাছে এটি (বোরকা) শুধু একটি পোশাক, এর চেয়ে বেশি কিছুও নয়, কম কিছুও নয়। কখনো কখনো এটি পায়জামা ঢাকা দেওয়া বা তেলের চটচটে মাথা লুকানোর মতো সাধারণ কাজ কিংবা জনসম্মুখে ভিড়ে মিশে যাওয়ার জন্য দারুণ কার্যকর। বিষয়টি এতটাই সাধারণ।’

এদিকে, ‘নির্বাচনে জয়ী ও বিজিত সবার প্রতি সম্মান জানিয়ে বাঁধন তার বার্তা শেষ করেন ইতিবাচকভাবে। বলেন, যারা জয়ী হয়েছেন তাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আর যারা জিততে পারেননি, এই অভিজ্ঞতা নিজেই একটি বিজয়। এটি আমাদের দেশ। সম্মান ও ঐক্য নিয়ে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমি আমার দেশকে ভালোবাসি।’