img

এনএইচএসের নতুন যুগ শুরু: স্মার্টওয়াচেই জানা যাবে ক্যানসারের ঝুঁকি

প্রকাশিত :  ১০:২৩, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এনএইচএসের নতুন যুগ শুরু: স্মার্টওয়াচেই জানা যাবে ক্যানসারের ঝুঁকি

ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসেবা এনএইচএস এবার রোগীদের জন্য আনছে যুগান্তকারী প্রযুক্তি। খুব শিগগিরই স্মার্টওয়াচ ও ওয়্যারেবল ডিভাইস ব্যবহার করে রিয়েল-টাইমে জানা যাবে ক্যানসারের ঝুঁকি।

স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নতুন জাতীয় ক্যানসার পরিকল্পনায় বলা হয়েছে—

-স্মার্টওয়াচ আপনার হার্ট রেট, ঘুম, স্ট্রেসসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করবে

-সেই তথ্য যুক্ত হবে মেডিকেল রেকর্ড, ডিএনএ বিশ্লেষণ ও জীবনযাপনের সঙ্গে

-সব মিলিয়ে তৈরি হবে ব্যক্তিগত ক্যানসার ঝুঁকি স্কোর, যা দেখা যাবে এনএইচএস অ্যাপে


ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে ডায়াবেটিস, লিভার সমস্যা ও কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি।

নিয়মিত চেকআপের সুযোগ না থাকলেও স্মার্টওয়াচ আগেভাগে সতর্ক করবে—যা জীবন বাঁচাতে পারে।

সরকারের লক্ষ্য

- ২০২৯ সালের মধ্যে ক্যানসার চিকিৎসার অপেক্ষার সময় কমানো

-২০৩৫ সালের মধ্যে ক্যানসার শনাক্ত হওয়া ৭৫% রোগীকে পাঁচ বছর পরও সুস্থ রাখা

আরও যা আসছে

- উন্নত রক্ত/লালা/প্রস্রাব পরীক্ষা

- এনএইচএস অ্যাপের মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার সুযোগ

-ব্যক্তিগত ক্যানসার কেয়ার প্ল্যান

এনএইচএসের কর্মী সংকট ও বাজেট চ্যালেঞ্জ থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন—এটি সফল হলে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আসবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন যে উদ্যোগ নিল ফেসবুক

প্রকাশিত :  ১৬:৩৭, ১৫ আগষ্ট ২০২৬

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ‘ক্রিয়েটর স্টুডিও’ নামের একটি নতুন এবং সম্পূর্ণ আলাদা অ্যাপ চালুর ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত এই অ্যাপটি ক্রিয়েটরদের ভিডিও বা পোস্টের দর্শক বাড়াতে এবং ভক্তদের সঙ্গে আরও সহজে যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করবে। কিছুদিন পরীক্ষামূলকভাবে চলার পর, আইওএস বা অ্যাপল ব্যবহারকারীদের জন্য এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে।

নতুন এই অ্যাপটিতে ফেসবুক তাদের নিজস্ব ‘এআই ক্রিয়েটর অ্যাসিস্ট্যান্ট’ বা সাহায্যকারী যুক্ত করেছে। এটি ক্রিয়েটরের কাজের ধরন, তার লক্ষ্য এবং দর্শকদের পছন্দ বুঝে বিভিন্ন পরামর্শ দেবে। আগে নিজেদের পেজের অবস্থা বা পারফরম্যান্স বুঝতে ক্রিয়েটরদের অনেক জটিল চার্ট ও হিসাব-নিকাশ দেখতে হতো। কিন্তু এখন তারা চাইলেই এআইকে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন। যেমন- আমার কখন পোস্ট করা উচিত? বা মানুষ আমার পোস্টে কী বলছে? এআই এসব প্রশ্নের খুব দ্রুত ও সহজ উত্তর দিয়ে দেবে।

এই অ্যাপটি আনার পেছনে মেটার মূল উদ্দেশ্য হলো টিকটক ও ইউটিউবের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে পাল্লা দেওয়া এবং ক্রিয়েটরদের ফেসবুকে ধরে রাখা। পাশাপাশি, কাজের আইডিয়া বা পারফরম্যান্স বিশ্লেষণের জন্য ক্রিয়েটররা যেন চ্যাটজিপিটির মতো বাইরের কোনো টুলের ওপর নির্ভর না করে, সেটিও নিশ্চিত করতে চাইছে মেটা।

অ্যাপটির একটি দারুণ ফিচার হলো এর এআই কমেন্ট টুল। এটি পেজের সবচেয়ে জরুরি কমেন্টগুলো খুঁজে বের করবে এবং ক্রিয়েটরের নিজস্ব কথা বলার ধরন অনুযায়ী উত্তরের একটি খসড়া বা ড্রাফট তৈরি করে দেবে। ক্রিয়েটররা চাইলে পোস্ট করার আগে সেই উত্তর নিজের মতো করে পাল্টে নিতে পারবেন।

এছাড়াও, প্রতিদিন অ্যাপটিতে ঢোকার পর ক্রিয়েটররা তাদের দিনের জরুরি কাজগুলোর একটি তালিকা দেখতে পাবেন। সেখানে আগের পোস্টগুলো কেমন চলছে, লক্ষ্যের দিকে কতটা এগোলেন বা কাদের কমেন্টের উত্তর দেওয়া দরকার, সেসব তথ্য সুন্দরভাবে সাজানো থাকবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্রিয়েটররা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারছেন।

মেটা ইদানীং শুধু এই একটি অ্যাপই নয়, আরও বেশ কিছু নতুন অ্যাপ বাজারে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেসবুক গ্রুপের জন্য রেডিটের মতো অ্যাপ ‘ফোরাম’, বন্ধুদের সাথে ছবি শেয়ার করার অ্যাপ ‘ইনস্ট্যান্টস’, গেম খেলার অ্যাপ ‘পকেট’ এবং শিশুদের জন্য এআই দিয়ে গল্প বানানোর অ্যাপ ‘স্টোরিকিট’।

সূত্র: টেক ক্রাঞ্চ।