img

সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমন-এর মাগফেরাত কামনায় লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত :  ১৬:২৬, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমন-এর মাগফেরাত কামনায় লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের দোয়া মাহফিল

সদ্য প্রয়াত লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও এটিএন বাংলা ইউকের বার্মিংহাম ব‍্যুরো প্রধান কায়সারুল ইসলাম সুমন-এর মৃত্যুতে মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে গত ৭ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ মাগরিব ব্রিকলেন জামে মসজিদে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমনের আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি দেশ-জাতির কল‍্যান কামনা করে মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ব্রিকলেন জামে মসজিদের সহকারী ইমাম হাফিজ মতিউল হক। দোয়া মাহফিলের শুরুতে সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমনের জীবন ও কর্মের উপর আলোকপাতের পাশাপাশি তাঁর পরিবারের প্রতি সুহানুভূতি জানান লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী।

দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারি আকরামুল হুসাইন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট নবাব উদ্দিন, সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ জুবায়ের।

সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট তাইসির মাহমুদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট আহাদ চৌধুরী বাবু, ট্রেজারার মোঃ আব্দুল হান্নান, এসিসটেন্ট সেক্রেটারি আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, এসিসটেন্ট ট্রেজারার এখলাছুর রহমার পাক্কু, মিডিয়া এণ্ড আইটি সেক্রেটারী ফয়সল মাহমুদ, নির্বাহী সদস‍্য মোঃ এনামুল হক চৌধুরী।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক রহমত আলী, আবদুল মুনিম জাহেদি ক্যারল, আবদুল করিম গনি, মাহবুব রহমান, শামসুল তালুকদার, আবদুল কাইয়ুম, রেজাউল করিম মৃধা। আরো উপস্হিত ছিলেন সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলাম অভি, আফজাল হোসাইন, শওকত মাহমুদ টিপু, হাসনাত চৌধুরী, খালেদ মাসুদ রনি, হাবিবুর রহমান হাবিব, মাহবুব আলী খানসুর, আসাদু্জ্জামান শুভ, সুয়েজ মিয়া, ফজলু মিয়াসহ প্রমুখ ।

এ সময় বার্মিংহাম থেকে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের অনেক সদস্য ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দোয়ায় শরিক হোন।

উল্লেখ্য, মরহুম সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমন সম্প্রতি বাংলাদেশে পরিবার নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি ৪ই ফেব্রুয়ারি বুধবার মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ফ্রান্সের পৌর নির্বাচনে লড়ছেন ৭ বাংলাদেশি

প্রকাশিত :  ০৭:৩১, ০৫ মার্চ ২০২৬

অর্ধডজনের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন ফ্রান্সের আসন্ন মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে ।

ফ্রান্সের আসন্ন মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে অর্ধডজনের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৫ মার্চ এবং প্রয়োজনে দ্বিতীয় দফা হবে ২২ মার্চ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ কমিউনিটিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের শক্ত উপস্থিতির বার্তা দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় কাউন্সিলে বাংলাদেশি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলে শিক্ষা, আবাসন, কর্মসংস্থান ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের বাস্তব সমস্যাগুলো সরাসরি তুলে ধরা সহজ হবে।

প্রার্থীরা কে কোথায় লড়ছেন?

রাব্বানী খান – প্যারিসের শহরতলি এস্তা পৌরসভা থেকে পুনরায় কাউন্সিলর পদে প্রার্থী। ২০২০ সালে তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফরাসি হিসেবে জয় পান। দীর্ঘদিন ধরে ফরাসি ভাষা শিক্ষা ও প্রশাসনিক সহায়তার মাধ্যমে কমিউনিটিতে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে তিনি বর্তমান মেয়র আজেদিন তাইবি প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এনকে নয়ন – ইল-দু-ফ্রঁস অঞ্চলের ভিলনভ-সুর-সেন এলাকা থেকে ‘ভিন্যু সলিদেয়ার এ পপুলেয়ার’ প্যানেল থেকে প্রার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠিত ‘সাফ’ সংস্থার মাধ্যমে বিনা মূল্যে কমিউনিটি সেবা দিয়ে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন। ডেপুটি মেয়র পদেও তিনি প্রার্থী। নয়ন বলেন, ‘বাংলাদেশিরা এখন শুধু প্রবাসী নয়, ফ্রান্সের সক্রিয় নাগরিক হিসেবে সমাজ গঠনে অংশ নিতে প্রস্তুত।’

আকাশ বড়ুয়া – উদ্যোক্তা আকাশ বড়ুয়া লা কুরনভ শহরে স্থানীয় কমিউনিস্ট পার্টি সমর্থিত নাদিয়া ছাবুন প্যানেল থেকে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন। তিনি মনে করেন, মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করা সম্ভব।

আব্দুস সামাদ – ভিলনভ-সুর-সেন এলাকা থেকে ‘ভিন্যু সলিদেয়ার এ পপুলেয়ার’ প্যানেল থেকে প্রার্থী। নির্বাচিত হলে কমিউনিটির কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দেবেন বলে জানিয়েছেন।

নাসির উদ্দীন ভুঁইয়া – লা কুরনভ এলাকায় মেয়র পদপ্রার্থী ওমারো দোকুরু প্যানেল থেকে কাউন্সিলর হিসেবে লড়ছেন। অভিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের প্রতিনিধি হওয়ার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।      

জুবাইদ আহমেদ – ফ্রান্স ন্যাশনাল ক্রিকেট টিমের খেলোয়াড় জুবাইদ আহমেদ এভ্রি-সুর-সেন এলাকা থেকে ফ্রন্ট পপুলেয়ার দলের প্যানেলভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তার অংশগ্রহণ নজর কাড়ছে।

সরুফ সোদিওল – ২০২০ সালের নির্বাচনে সাঁ-দেনি এলাকা থেকে আলোচনায় আসেন। এবারের নির্বাচনে তিনি বর্তমান মেয়র ম্যাথিউ হানোতিন প্যানেলভুক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উল্লেখ্য, ফ্রান্সে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোট দেওয়া হয় না। ভোটাররা কোনো একক প্রার্থীর পক্ষে নয়, বরং পুরো লিস্টের পক্ষে ভোট দেন। এই লিস্ট সাধারণত একজন মেয়র প্রার্থীর নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং এতে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী থাকেন। প্রথম দফায় ৫০ শতাংশ ভোট পেলে সেই লিস্ট পায় অর্ধেক আসন ‘মেজরিটি বোনাস’ হিসেবে। বাকি আসনগুলো প্রপোরশনাল পদ্ধতিতে বণ্টন করা হয়। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দ্বিতীয় দফা ভোট হয়। লিস্টের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত ও লিস্টে প্রার্থীদের ক্রম অনুযায়ী কাউন্সিলররা নির্বাচিত হন। পরে গঠিত পৌর পরিষদের সদস্যরা নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে মেয়র হিসাবে নির্বাচন করেন। অর্থাৎ মেয়রও সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না।

কমিউনিটি এর আরও খবর