img

এনইআইআর পরীক্ষার জন্য সাময়িক বন্ধ হতে পারে মোবাইল সংযোগ

প্রকাশিত :  ০৫:৩১, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এনইআইআর পরীক্ষার জন্য সাময়িক বন্ধ হতে পারে মোবাইল সংযোগ

মার্চ মাস থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম (টেস্ট রান) পরিচালিত হবে। এ সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কিছু মোবাইল সংযোগ সাময়িকভাবে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব।

সংগঠনটি বলছে, ‘আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিটিআরসি কর্তৃক এনইআইআর সিস্টেমের পরীক্ষামূলক টেস্ট রানের কারণে ডিরেজিস্ট্রেশন ব্যতীত সিম ব্যবহার করলে কিছু গ্রাহকের মোবাইল সংযোগ সাময়িকভাবে হ্যান্ডসেট থেকে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হতে পারে। তবে পরীক্ষা শেষে বিচ্ছিন্ন হওয়া সংযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার চালু হয়ে যাবে। এই অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

গত ১ জানুয়ারি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্ট্রার বা এনইআইআর পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। তবে ইতোমধ্যে অবৈধ পথে আমদানি হওয়া মোবাইল ফোনগুলো ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিক্রির সুযোগ পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ ১৫ মার্চ থেকে পুরোদমে কার্যকর হচ্ছে এই পদ্ধতি।

এই ব্যবস্থা কার্যকরের ফলে দেশের নেটওয়ার্কে অনুমোদন ছাড়া অর্থাৎ ‘আনঅফিসিয়াল’ বলে বিক্রি হয়ে আসা ফোনগুলো আর যুক্ত হতে পারবে না। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর

img

সস্তা ড্রোন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের মূল্যবান মিসাইলের মজুদ খালি করে দিচ্ছে ইরান

প্রকাশিত :  ০৮:০২, ০৫ মার্চ ২০২৬

ইরানের তৈরি সস্তা ড্রোনের মুখে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। \'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস\'-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান অত্যন্ত কম খরচে ড্রোন আকাশে পাঠাচ্ছে, আর সেগুলো ধ্বংস করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে খরচ করতে হচ্ছে আকাশচুম্বী দামের মিসাইল। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোর মূল্যবান মিসাইল মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।

হাইলীয় (Hylio) ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী আর্থার এরিকসন এই পরিস্থিতিকে একটি \'অর্থের খেলা\' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, একটি ড্রোন ভূপাতিত করার খরচ সেটি তৈরির খরচের চেয়ে বহুগুণ বেশি। এই ব্যয়ের অনুপাত গড়ে ১০:১, তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি ৬০ বা ৭০ গুণ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ, ইরানের একটি সস্তা ড্রোন ঠেকাতে পশ্চিমাদের তার চেয়ে ৭০ গুণ বেশি দামি অস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এই অসম যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকরা ইউক্রেন পরিস্থিতির সাথে এর তুলনা করে বলছেন, সেখানেও মিত্ররা পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

\'সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ\'-এর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি যে পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর মিসাইল কিনেছে তা চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। নতুন চুক্তি হলেও কারখানাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই বিশাল ঘাটতি পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর