img

হরমুজ প্রণালির নাম 'ট্রাম্প প্রণালি' রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের

প্রকাশিত :  ১২:১১, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালির নাম 'ট্রাম্প প্রণালি' রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পরে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি তিনি কেবল আলোচনার প্রসঙ্গ হিসেবেই তুলেছিলেন।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে। তাই এর নাম আমরা ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করতে পারি কি না?

তবে আন্তর্জাতিক এই জলপথের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ কীভাবে নেওয়া হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি। হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি নয় এবং এটি একটি আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ।

এর আগে ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে বিরোধের মধ্যে লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সরকারি ব্যবস্থায় নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হলেও কানাডা তা প্রত্যাখ্যান করেছে। গুগল ও অ্যাপল পরে তাদের মানচিত্রে নতুন নামটি যুক্ত করেছে।

ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ রাখার ঘোষণাও দিয়েছিলেন। মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশ এই পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান করেছে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্প ও তার প্রশাসন বারবার দাবি করে আসছে, ইরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো।

তবে যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই চলাচল আরও কমেছে বলে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাইপলাইন দিয়ে যাওয়া তেলও হিসাব করলে অঞ্চলটি থেকে মোট তেল রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় এখন বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট বুধবার সিএনবিসিকে বলেন, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল পরিবহন হয়েছে, যা যুদ্ধকালীন সর্বোচ্চ। সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো।

সূত্র: সিএনবিসি 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে সন্দেহভাজনসহ নিহত ৩

প্রকাশিত :  ০৬:৩৬, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের ডাউনটাউনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে গুলির ঘটনায় অন্তত দু’জন নিহত হয়েছেন। বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীও মারা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর এনডিটিভির

মিনিয়াপোলিস পুলিশের সার্জেন্ট গ্যারেট পার্টেন বুধবার সন্ধ্যার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গুলির ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিন কর্মকর্তার অবস্থাই বর্তমানে স্থিতিশীল।

পুলিশ জানায়, নিহতদের একজন ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। অন্যজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় মোট সাতজনকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে হেনেপিন হেলথকেয়ার মেডিকেল সেন্টার। আহতদের সবার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

গুলির ঘটনার পর মিনিয়াপোলিস পুলিশ জনসাধারণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়। 

মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করতে অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তিনি হামলায় সাড়া দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আহতদের জন্য প্রার্থনা করার কথা বলেন।

এদিকে, এফবিআইও ঘটনাটির তদন্ত ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানান, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

মিনেসোটা হাউসের স্পিকার লিসা ডেমুথ ঘটনাটিকে ‘জঘন্য অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে নিহত ও আহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে সাড়া দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করেন।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর