img

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ

প্রকাশিত :  ০৫:৩৭, ২৯ মার্চ ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:৪২, ২৯ মার্চ ২০২৫

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ

আজ ২৯ মার্চ, ঘটতে চলেছে ২০২৫ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ। এটি একটি আংশিক সূর্যগ্রহণ, যা দেখা যাবে, ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা ও উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বহু অংশ থেকে। এর ছায়া বিস্তৃত হবে আর্কটিক ও আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত। 

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ২০২৫ সালে মোট চারটি গ্রহণ হবে—এর মধ্যে দুটি সূর্যগ্রহণ এবং দুটি চন্দ্রগ্রহণ। আজকের গ্রহণটি বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ এবং পরবর্তীটি হবে ২১ সেপ্টেম্বর, যা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে।

সূর্যগ্রহণের সময়সূচি (বাংলাদেশ সময়) গ্রহণ শুরু দুপুর ২টা ৫০ মিনিট; চূড়ান্ত পর্ব বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিট; গ্রহণ শেষ সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিট। তবে বাংলাদেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না। এটি প্রধানত আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগর থেকে দেখা যাবে।

সূর্যগ্রহণ কী?

যখন চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরল রেখায় আসে এবং চাঁদের ছায়া সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয় তখন সেটাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। এই ছায়া যেখানে পড়ে হয় সেখান থেকে সূর্য দেখা যায় না অথবা সূর্যের একটি বড় অংশ কালো দেখায়।

img

ওয়াই-ফাই রাউটারে ইন্টারনেট স্পিড বাড়াবেন যেভাবে

প্রকাশিত :  ১৭:০৯, ২৬ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৪৫, ২৬ জুন ২০২৬

উচ্চগতির ইন্টারনেট বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কোনো বিলাসিতা নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। অনলাইন মিটিং, অনলাইন ক্লাস, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা সাধারণ ব্রাউজিং—সবকিছুর জন্যই একটি নির্ভরযোগ্য ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের বিকল্প নেই। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, চড়া মূল্য চুকিয়ে বেশ ভালো গতির ব্রডব্যান্ড প্যাকেজ ব্যবহার করার পরেও কাঙ্ক্ষিত স্পিড বা গতি পাওয়া যায় না।

ইন্টারনেট ডাউন বা ধীরগতির এমন বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে কোনো বড় ধরনের খরচ ছাড়াই কিছু সহজ ও কার্যকর কৌশল অবলম্বন করে ইন্টারনেটের কার্যকারিতা এবং গতি বহুলাংশে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অন্যতম প্রধান যে কারণটি কাজ করে, তা হলো ওয়াই-ফাই রাউটারটি ঘরের ঠিক কোন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। অনেকেই রাউটারকে আলমারি, টিভির পেছন বা মোটা দেয়ালের পাশে রাখেন, যা ওয়াই-ফাই সিগন্যালের পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে সংযোগ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই রাউটার এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে চারপাশ খোলা থাকে এবং সিগন্যাল সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

রাউটারটি মাসের পর মাস দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা একটানা চালু থাকার কারণে এর অভ্যন্তরীণ প্রসেসর ও মেমোরির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যা ডিভাইসটির সার্বিক কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর রাউটার বন্ধ করে পর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে পুনরায় চালু করলে এর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতির সমস্যা দূর হয়।

রাউটারের অবস্থানও ইন্টারনেটের মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাসার এক কোণে রাউটার স্থাপন করলে দূরের কক্ষগুলোতে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই ঘরের কেন্দ্রীয় স্থানে রাউটার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে পুরো বাসায় তুলনামূলকভাবে সমান সিগন্যাল পৌঁছায়।

যদি এসব পদ্ধতিতেও সমস্যার সমাধান না হয়, অন্যান্য উপায়েও ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব। প্রয়োজন হলে রাউটারের রিসেট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকাংশ রাউটারে একটি ছোট রিসেট বাটন থাকে, যা চেপে ধরলে ডিভাইসটি ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যায়। এতে অনেক প্রযুক্তিগত ত্রুটি দূর হতে পারে। তবে রিসেট করার পর পুনরায় নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হবে।

এ ছাড়া রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতা উন্নত করতে নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে। পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ধীরগতির ইন্টারনেট মানেই যে নতুন বা আরও ব্যয়বহুল প্যাকেজ নিতে হবে, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে রাউটারের সঠিক ব্যবহার, অবস্থান পরিবর্তন, পুনরায় চালু করা, রিসেট করা কিংবা নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে সংযোগের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।


 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর