ইসরায়েলি ‘সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তু’ নিশানা করে হামলা চালানোর কথা জানাল হুতিরা
ইসরায়েলে হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। সংগঠনটি জানিয়েছে, অধিকৃত জাফা অঞ্চলে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে এ হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছিল, ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। তারা ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত করেছে। এই হুমকি প্রতিহত করতে ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কাজ করছে।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচলের ওপর পূর্ণ ও সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। তারা উত্তেজনার জবাব উত্তেজনা দিয়েই দেবে।
হুতি গোষ্ঠী বলেছে, ‘ফিলিস্তিন, গাজা, ইরান, লেবানন ও ইরাকে আমাদের জনগণ এবং জিহাদ ও প্রতিরোধ অক্ষের জনগণের ওপর আরোপিত অন্যায্য অবরোধের মুখে আমরা নীরব থাকব না।’
ইসরায়েলি সেনা রেডিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক বাহিনীর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ইসরায়েলি সেনা রেডিওর সাংবাদিক ডোরন কাদোশের তথ্যমতে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ‘বৃহৎ পরিসরে রিজার্ভ সেনা সক্রিয় করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। একাধিক রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন ডাকা হতে পারে।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে কাদোশ আরও জানান, ইসরায়েল সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করবে। বিশেষ করে অধিকৃত পশ্চিম তীর–জর্ডান সীমান্তে। ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ডও আজ সকালে বড় পরিসরে রিজার্ভ সেনা সক্রিয় করা শুরু করেছে।
তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা



















